পর্যালোচনা সংস্করণএটি আলেমদের পর্যালোচনাধীন একটি খসড়া সংস্করণ। এখনও চূড়ান্তভাবে প্রকাশের জন্য নয়।
আল ফিতান
সম্পূর্ণ ১,৯৮৮টি বর্ণনা · সকল ৭৩টি অধ্যায়نعيم بن حماد المروزي (ت ۲۲৮ هـ)

কিতাবুল ফিতান · ইমাম নুআইম ইবনে হাম্মাদ

ইমাম নুআইম ইবনে হাম্মাদ আল-মারওয়াযী (ওফাত ২২৮ হিজরী)-এর কিতাবুল ফিতানের সম্পূর্ণ ১,৯৮৮টি বর্ণনার সংগ্রহ। সকল ৭৩টি অধ্যায়ের মূল আরবি পাঠ্যের সাথে প্রাঞ্জল বাংলা ও ইংরেজি অনুবাদ, সিহাহ সিত্তাহর সাথে মিল এবং মুহাদ্দিসদের তাহকীকী বিশ্লেষণ যুক্ত করা হয়েছে।

১,৯৮৮মোট রেওয়ায়েত
৭৩মোট অধ্যায়
৪৬৫মারফূ' (নবী ﷺ)
১০১সিহাহ সিত্তাহ সাদৃশ্য
কিতাবুল ফিতান #১,৮৯৬খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৬৭৪
মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا نعيم ثنا الوليد، عن سعيد بن بشير، عن قتادة، عن عقبة بن أوس، عن عبد الله بن عمرو، قال: " يوشك بنو قنطورا بن كركرا يخرجون فيسوقون أهل خراسان سوقا عنيفا حتى يربطوا خيولهم بنخل الأبلة، فيبعثون إلى أهل البصرة: إما أن تلحقوا بنا، وإما تخلوها لنا، فيلحق بهم ثلث، وبالأعراب ثلث، وثلث بالشام "

حدثنا نعيم ثنا الوليد، عن سعيد بن بشير، عن قتادة، عن عقبة بن أوس، عن عبد الله بن عمرو، قال: " يوشك بنو قنطورا بن كركرا يخرجون فيسوقون أهل خراسان سوقا عنيفا حتى يربطوا خيولهم بنخل الأبلة، فيبعثون إلى أهل البصرة: إما أن تلحقوا بنا، وإما تخلوها لنا، فيلحق بهم ثلث، وبالأعراب ثلث، وثلث بالشام "

বাংলা

নাইম আমাদেরকে বলেন, তারপর আল-ওয়ালিদ, সাঈদ বিন বশীরের কর্তৃত্বে, কাতাদার কর্তৃত্বে, উকবা বিন আউসের কর্তৃত্বে, আবদুল্লাহ বিন আমরের কর্তৃত্বে, যিনি বলেছিলেন: “বনু কানতুরা বিন কারকারা বের হতে চলেছে এবং খুরাসানের লোকদেরকে হিংস্রভাবে তাড়াতে চলেছে, যতক্ষণ না তারা তাদের ঘোড়ার গাছে বেঁধে বার্তা পাঠায়। বসরাবাসীঃ হয় তোমরা আমাদের সাথে যোগ দাও, নয়তো আমাদের উপর ছেড়ে দাও, আর এক তৃতীয়াংশ তাদের সাথে যোগ দেবে এবং এক তৃতীয়াংশ বেদুইনদের সাথে যোগ দেবে এবং এক তৃতীয়াংশ লেভান্টে যাবে।”

ID: nuaym-fitan-1896 · Ch 71
কিতাবুল ফিতান #১,৯১৮খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৬৭৯
মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا نعيم ثنا أبو المغيرة، عن عبد الملك بن حميد بن أبي غنية، عن سلامة بن مليح الضبي، عن عبد الله بن عمرو، قال: أتيناه فقال

ممن أنتم؟ والله الذي لا إله إلا هو

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

সালামাহ ইবনু কুহাইল (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, যায়িদ ইবনু ওয়াহব আল-জুহানী (রহঃ) জানিয়েছেন যে, তিনি আলী (রাঃ)-এর সঙ্গে সেই সৈন্যদলের সঙ্গে ছিলেন, যারা খারিজীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়েছিলেন। আলী (রাঃ) বলেন, হে জনতা! আমি রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামাহ ইবনু কুহাইল (রহঃ) বলেন, আমার কাছে যায়িদ ইবনু ওয়াহব খারিজীদের নিকট গমনের ঘটনা পর্যায়ক্রমে বর্ণনা করে বলেন, অবশেষে আমরা একটি পুল অতিক্রম করে যখন দু’ দল মুখামুখী হলাম, আর খারিজীদের সেনাপ্রধান ছিলো আব্দুল্লাহ ইবনু ওয়াহব আর-বাসিবী। সে তাদেরকে বললো, তোমরা বল্লম ছুঁড় এবং খাপ থেকে তরবারি বের করো। এমন যেন না হয় যে, তারা তোমাদেরকে ওয়াদা দিয়ে বলবে যেমন হারূরার দিবসে তারা ওয়াদা দিয়েছিল। তিনি বলেন, অতঃপর তারা বল্লম নিক্ষেপ করতে লাগলো ও খাপ থেকে তরবারি বের করলো এবং মুসলিমরা বল্লম ছুঁড়ে তাদেরকে প্রতিরোধ করলো এবং একের পর এক তারা নিহত হতে থাকলো। তিনি বলেন, ঐদিন আলী (রাঃ)-এর পক্ষের দু’ ব্যক্তি শহীদ হলো। আলী (রাঃ) বলেন, তোমরা নিহতদের মধ্যে ছোট হাতবিশিষ্ট ব্যক্তিকে খোঁজ করো; কিন্তু তারা তাকে পেলো না। বর্ণনাকারী বলেন এরপর আলী (রাঃ) নিজে উঠে পরস্পরের উপর পড়ে থাকা লাশের নিকট এসে বললেন, এদেরকে বের করো। তারা তাকে ভূলুণ্ঠিত অবস্থায় পেয়ে গেলে তিনি আল্লাহু আকবার উচ্চারণ করে বললেন, আল্লাহ সত্য বলেছেন এবং তাঁর রাসূলও। এরপর উবাইদাহ আস-সালমানী তাঁর নিকট দাঁড়িয়ে বললেন, হে আমীরুল মু‘মিনীন! সেই আল্লাহর কসম যিনি ছাড়া অন্য কোনো ইলাহ নেই! আপনি কি একথা রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, সেই আল্লাহর কসম! যিনি ছাড়া অন্য কোনো ইলাহ নেই। উবাইদাহ তিনবার কসম করে তার নিকট প্রশ্ন করলে তিনিও তিনবার কসম করে একই জবাব দেন।[1] সহীহ।