পর্যালোচনা সংস্করণএটি আলেমদের পর্যালোচনাধীন একটি খসড়া সংস্করণ। এখনও চূড়ান্তভাবে প্রকাশের জন্য নয়।
আল ফিতান
সম্পূর্ণ ১,৯৮৮টি বর্ণনা · সকল ৭৩টি অধ্যায়نعيم بن حماد المروزي (ت ۲۲৮ هـ)

কিতাবুল ফিতান · ইমাম নুআইম ইবনে হাম্মাদ

ইমাম নুআইম ইবনে হাম্মাদ আল-মারওয়াযী (ওফাত ২২৮ হিজরী)-এর কিতাবুল ফিতানের সম্পূর্ণ ১,৯৮৮টি বর্ণনার সংগ্রহ। সকল ৭৩টি অধ্যায়ের মূল আরবি পাঠ্যের সাথে প্রাঞ্জল বাংলা ও ইংরেজি অনুবাদ, সিহাহ সিত্তাহর সাথে মিল এবং মুহাদ্দিসদের তাহকীকী বিশ্লেষণ যুক্ত করা হয়েছে।

১,৯৮৮মোট রেওয়ায়েত
৭৩মোট অধ্যায়
৪৬৫মারফূ' (নবী ﷺ)
১০১সিহাহ সিত্তাহ সাদৃশ্য
কিতাবুল ফিতান #১,১৪০খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৩৮১
🟢 মারফূ' (নবী ﷺ)মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا عبد العزيز بن محمد الدراوردي، عن ثور بن زيد الديلي، عن أبي الغيث، عن أبي هريرة، رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال

لا تقوم الساعة حتى يخرج رجل من قحطان يسوق الناس بعصاه

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেছেন, কিয়ামত সংঘটিত হবে না যে পর্যন্ত কাহ্তান গোত্র হতে এমন এক ব্যক্তির আগমন না হবে যে মানুষ জাতিকে তার লাঠির সাহায্যে পরিচালিত করবে। (৭১১৭, মুসলিম ৫২/১৮ হাঃ ২৯১০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)

কিতাবুল ফিতান #১,১৪৮খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৩৮১
🟢 মারফূ' (নবী ﷺ)মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا سليمان بن داود، عن عاصم بن محمد بن عبد الله بن عمر، عن أبيه، عن ابن عمر، رضي الله عنهما قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول

لا يزال هذا الأمر في قريش ما بقي في الناس رجلان

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

এ বিষয়টি কুরাইশদের মধ্যে চলতে থাকবে যতক্ষণ না দু’জন লোক মানুষের মধ্যে থাকবে

0
কিতাবুল ফিতান #১,২৩৭খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৪০৪
মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا هشيم، عن سيار أبي الحكم، عن جبر بن عبيدة، عن أبي هريرة، رضي الله عنه قال

وعدنا رسول الله صلى الله عليه وسلم غزوة الهند، فإن أدركتها أنفقت فيها نفسي ومالي، فإن استشهدت كنت من أفضل الشهداء، وإن رجعت فأنا أبو هريرة المحرر

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

আহমদ ইবন উছমান ইবন হাকিম (রহঃ) ... আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামআমাদেরকে হিন্দুস্থানের জিহাদের ওয়াদা দিয়েছিলেন। যদি আমি ঐ যুদ্ধের সুযোগ পাই, তা হলে আমি তাতে আমার জান-মাল ব্যয় করব। আর যদি আমি তাতে নিহত হই, তা হলে আমি শহীদের মধ্যে উত্তম সাব্যস্ত হব। আর যদি আমি ফিরে আসি, তা হলে আমি আবূ হুরায়রা হবাে আযাদ বা জাহান্নাম হতে মুক্ত।

🔗সিহাহ সিত্তাহ সাদৃশ্য:nasai:3173 (partial)
ID: nuaym-fitan-1237 · Ch 49
কিতাবুল ফিতান #১,২৫৭খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৪২৫
মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

قال الوليد: أخبرني سعيد بن عبد العزيز، عن مكحول، قال

ليمخرن الروم الشام أربعين صباحا، لا يمتنع منها إلا دمشق وأعالي البلقاء

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

লেভান্ট থেকে রোমানরা চল্লিশ সকালে উঠে আসবে এবং শুধুমাত্র দামেস্ক এবং উচ্চ বলকা তা থেকে বিরত থাকবে।

🔗সিহাহ সিত্তাহ সাদৃশ্য:abudawud:4638 (strong)
ID: nuaym-fitan-1257 · Ch 51
কিতাবুল ফিতান #১,৩৩৪খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৪৭৪
🟢 মারফূ' (নবী ﷺ)মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا الوليد، عن عثمان بن أبي العاتكة، عن سليمان بن حبيب، عن أبي هريرة، رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم

إذا وقعت الملاحم خرج بعث من دمشق من الموالي، هم أكرم العرب فرسا، وأجوده سلاحا، يؤيد الله بهم الدين

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেছেনঃ যখন বড় বড় যুদ্ধ সংঘটিত হবে, তখন আল্লাহ তা‘আলা মাওয়ালীদের সমন্বয়ে গঠিত একটি সেনাবাহিনী পাঠাবেন। তারা হবে সমগ্র আরবে সর্বাধিক দক্ষ অশ্বারোহী এবং উন্নততর সমরাস্ত্রে সজ্জিত। আল্লাহ তা‘আলা তাদের দ্বারা দীন ইসলামের সাহায্য করবেন।

🔗সিহাহ সিত্তাহ সাদৃশ্য:ibnmajah:4090 (strong)
ID: nuaym-fitan-1334 · Ch 53
কিতাবুল ফিতান #১,৪০২খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৪৯৩
🟢 মারফূ' (নবী ﷺ)মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا الوليد، عن عثمان بن أبي العاتكة، عن سليمان بن حبيب، عن أبي هريرة، رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال

إذا وقعت الملاحم خرج بعث من دمشق من الموالي هم أكرم العرب فرسا، وأجوده سلاحا، يؤيد الله بهم الدين

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেছেনঃ যখন বড় বড় যুদ্ধ সংঘটিত হবে, তখন আল্লাহ তা‘আলা মাওয়ালীদের সমন্বয়ে গঠিত একটি সেনাবাহিনী পাঠাবেন। তারা হবে সমগ্র আরবে সর্বাধিক দক্ষ অশ্বারোহী এবং উন্নততর সমরাস্ত্রে সজ্জিত। আল্লাহ তা‘আলা তাদের দ্বারা দীন ইসলামের সাহায্য করবেন।

🔗সিহাহ সিত্তাহ সাদৃশ্য:ibnmajah:4090 (strong)
ID: nuaym-fitan-1402 · Ch 53
কিতাবুল ফিতান #১,৪৬০খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৫১৮
মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، قال: " قام رسول الله صلى الله عليه وسلم في الناس، فأثنى على الله بما هو أهله، ثم ذكر الدجال، ثم قال

إني أنذرتكموه، وما من نبي إلا أنذر قومه، لقد أنذره نوح قومه، ولكن سأقول لكم فيه قولا لم يقله نبي لقومه، أتعلمون أنه أعور، وأن الله ليس بأعور

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রাসূল ও ‘উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) উভয়ে সে খেজুর বৃক্ষের নিকট গমন করেন, যেখানে ইবনু সাইয়াদ অবস্থান করছিল। যখন নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবললেন, নারীটি যদি তাকে নিজ অবস্থায় ছেড়ে দিত, তবে তার ব্যাপারটা প্রকাশ পেয়ে যেত। (১৩৫৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৮২৭ মধ্যমাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮৩৭ মধ্যমাংশ)

কিতাবুল ফিতান #১,৪৬১খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৫১৮
🟢 মারফূ' (নবী ﷺ)মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

قال معمر: وأخبرني الزهري، قال: أخبرني عمر بن ثابت الأنصاري، قال: أخبرني بعض، أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال يومئذ للناس وهو يحذرهم فتنته

تعلموا أنه لن يرى أحد منكم ربه حتى يموت، وأنه مكتوب بين عينيه كافر، يقرأه كل مؤمن كره عمله

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, কোন একদিন জনগণের মাঝে খুতবাহ দেয়ার উদ্দেশ্যে রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামদাঁড়ালেন। তিনি আল্লাহ্ তা'আলার যথোপযুক্ত প্রশংসা করার পর দাজ্জালের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বললেনঃ আমি অবশ্যই দাজ্জাল সম্বন্ধে তোমাদেরকে সতর্ক করছি। আর এমন কোন নবী অতিবাহিত হননি যিনি তার জাতিকে দজ্জাল সম্পর্কে সতর্ক করেননি, এমনকি নূহ (আঃ)-ও তার সম্প্রদায়কে দাজ্জালের ব্যাপারে সতর্ক করেছেন। কিন্তু আমি তার ব্যাপারে এমন একটি কথা বলতে চাই যা আর কোন নবী তার জাতিকে বলেননি। নিশ্চয়ই সে হবে অন্ধ। অথচ আল্লাহ তা'আলা তো অন্ধ নন। সহীহ, সহীহ আদাবুল মুফরাদ, বুখারী, মুসলিম। যুহরী (রাহঃ) বলেন, আমাকে উমার ইবনু সাবিত আনসারী (রাহঃ) তার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, সেদিন জনগণকে ফিতনা প্রসঙ্গে সাবধান করতে গিয়ে রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেছেনঃ জেনে রাখ, তোমাদের কেউই মৃত্যুর আগে তার প্রভুকে দেখতে পাবে না, বিশেষতঃ তার (দাজ্জালের) দুই চোখের মধ্যবর্তী স্থানে কাফির শব্দটি লিখিত থাকবে। যে তার কাণ্ডক্রিয়া অপছন্দ করবে, সে তা পড়তে সক্ষম হবে। সহীহ, সহীহাহ (২৮৬১), মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।

0
কিতাবুল ফিতান #১,৪৭৪খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৫১৮
🟢 মারফূ' (নবী ﷺ)মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا بقية، وعبد القدوس، عن أبي بكر بن أبي مريم، عن الوليد بن سفيان بن أبي مريم، عن يزيد بن قطيب السكوني، عن أبي بحرية عبد الله بن قيس السكوني، عن معاذ بن جبل، رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم

الملحمة العظمى، وفتح القسطنطينية، وخروج الدجال، في سبعة أشهر

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেনঃ মহা হত্যাকাণ্ড, কনস্টান্টিনোপল বিজয় এবং দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে সাত মাসের মধ্যে। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৪০৯২) আবূ ঈসা বলেন, এ অনুচ্ছেদে সা'ব ইবনু জাসসামা, আবদুল্লাহ ইবনু বুসর, আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ ও আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান গারীব। শুধুমাত্র উপরোক্ত সূত্রেই আমরা এ হাদীস জেনেছি।

কিতাবুল ফিতান #১,৪৭৬খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৫২৫
মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

قال أبو بكر: وأخبرني ضمرة بن حبيب، أن عبد الملك بن مروان، كتب إلى أبي بحرية، أنه بلغه أنك تحدث عن معاذ، في الملحمة، والقسطنطينية، وخروج الدجال، فكتب إليه أبو بحرية، أنه سمع معاذا يقول

الملحمة العظمى، وفتح القسطنطينية، وخروج الدجال في سبعة أشهر

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেনঃ মহা হত্যাকাণ্ড, কনস্টান্টিনোপল বিজয় এবং দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে সাত মাসের মধ্যে। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৪০৯২) আবূ ঈসা বলেন, এ অনুচ্ছেদে সা'ব ইবনু জাসসামা, আবদুল্লাহ ইবনু বুসর, আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ ও আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান গারীব। শুধুমাত্র উপরোক্ত সূত্রেই আমরা এ হাদীস জেনেছি।

কিতাবুল ফিতান #১,৪৮০খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৫২৫
🟢 মারফূ' (নবী ﷺ)📜 কা'ব আল-আহবারমান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا أبو المغيرة، عن صفوان، عن شريح بن عبيد، عن كعب، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال

لن يجمع الله على هذه الأمة سيف الدجال وسيف الملحمة

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

আওফ ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেছেনঃ এই উম্মাতের তরবারি ও এর শত্রুর তরবারি দু’টোকে আল্লাহ কখনো এ উম্মাতের উপর একত্র করবেন না।[1] সহীহ।

🔗সিহাহ সিত্তাহ সাদৃশ্য:abudawud:4301 (partial)
ID: nuaym-fitan-1480 · Ch 56
কিতাবুল ফিতান #১,৪৮৩খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৫২৫
🟢 মারফূ' (নবী ﷺ)মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا الوليد بن مسلم، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن عمير بن هانئ، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " إذا صار الناس في فسطاطين: فسطاط إيمان لا نفاق فيه، وفسطاط نفاق لا إيمان فيه، فإذا هما اجتمعا فأبصر الدجال اليوم أو غدا "

حدثنا الوليد بن مسلم، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن عمير بن هانئ، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " إذا صار الناس في فسطاطين: فسطاط إيمان لا نفاق فيه، وفسطاط نفاق لا إيمان فيه، فإذا هما اجتمعا فأبصر الدجال اليوم أو غدا "

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, একদা আমরা রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বসা ছিলাম। তিনি ফিতনা সম্পর্কে দীর্ঘ আলোচনা করলেন, এমন কি তিনি আহলাস ফিতনা সম্পর্কে বললেন। তখন একজন বললো, ‘আহলাস’ ফিতনা কি? তিনি বললেন, পলায়ন ও লুটতরাজ। অতঃপর আসবে একটি ফিতনা, যা হবে আনন্দদায়ক, এর অন্ধকারাচ্ছন্ন ধুয়া বের হবে, আমার পরিবারের জনৈক ব্যক্তির দু’ পায়ের নীচ থেকে। সে ধারণা করবে যে, সে আমার অন্তর্ভুক্ত, অথচ সে আমার অন্তর্ভুক্ত নয়। কারণ আমার বন্ধু হচ্ছে আল্লাহভীরু ব্যক্তিগণ। অতঃপর জনগণ এমন ব্যক্তির অধীনে একতাবদ্ধ হবে। সে যেন পাজরের উপর কোমরের হাড় সদৃশ। অতঃপর তিনি ‘দুহায়মা’ বা ঘন অন্ধকারময় ফিতনা প্রসঙ্গে বলেন, সেই ফিতনা এই উম্মাতের কোনো লোককেই একটি চপেটাঘাত না করে ছাড়বে না। অতঃপর যখন বলা হবে যে, তা শেষ হয়ে গেছে, তখনই তা আরো প্রসারিত হবে। এ সময়ে যে লোকটি সকালে মু‘মিন ছিলো সন্ধ্যায় সে কাফির হয়ে যাবে। অবশেষে সব মানুষ দু’টি শিবিরে বিভক্ত হবে। একটি হবে ঈমানের শিবির, যেখানে মুনাফিকী থাকবে না। আর একটি হবে মুনাফিকীর শিবির, যেখানে ঈমান থাকবে না। যখন তোমাদের এ অবস্থা হবে, তখন দাজ্জালের আত্মপ্রকাশের অপেক্ষা করবে ঐ দিন বা তার পরের দিন থেকে।[1] সহীহ।

🔗সিহাহ সিত্তাহ সাদৃশ্য:abudawud:4242 (partial)
ID: nuaym-fitan-1483 · Ch 56
কিতাবুল ফিতান #১,৪৮৪খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৫২৫
🟢 মারফূ' (নবী ﷺ)মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا نعيم ثنا الحكم بن نافع، عن سعيد بن سنان، عن أبي الزاهرية، عن كثير بن مرة ، عن ابن عمر، رضي الله عنهما، عن النبي صلى الله عليه وسلم، أنه تخوف الدجال، وذكر من علاماته وأماراته، ومقدمات أمره، حتى ظن الملأ أنه ثائر عليهم من بينهم من النخل، أو خارج من النخل عليهم، ثم قام لبعض شأنه، ثم عاد، وقد اشتد تخوف من حضره وبكاؤهم، فقال

مهيم؟ ما الذي أبكاكم؟ إن يخرج وأنا فيكم فأنا حجيجه، وإن يخرج ولست فيكم فامرؤ حجيج نفسه، والله خليفتي على كل مؤمن، إحدى عينيه مطموسة، والأخرى ممزوجة بالدم، كأنها الزهرة

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

আবু খাইসামাহ, যুহায়র ইবনু হারব, মুহাম্মাদ ইবনু মিহরান আর রাযী (রহঃ) ..... নাওওয়াস ইবনু সাম’আন (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা সকালে রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামদাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনা করলেন। আলোচনার সময় তিনি তার ব্যক্তিত্বকে তুচ্ছ করে তুলে ধরেন। পরে অনেক গুরুত্ব সহকারে উপস্থিত করেন যাতে তাকে আমরা ঐ বৃক্ষরাজির নির্দিষ্ট এলাকায় (আবাসস্থল সম্পর্কে) ধারণা করতে লাগলাম। এরপর আমরা সন্ধ্যায় আবার তার কাছে গেলাম। তিনি আমাদের মধ্যে এর প্রভাব দেখতে পেয়ে বললেন, তোমাদের ব্যাপার কি? আমরা বললাম, হে রাসূলুল্লাহ! আপনি সকালে দাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনা করেছেন এবং এতে আপনি কখনো ব্যক্তিত্বকে তুচ্ছ করে তুলে ধরেছেন, আবার কখনো তার ব্যক্তিত্বকে বড় করে তুলে ধরেছেন। ফলে আমরা মনে করেছি যে, দাজ্জাল বুঝি এ বাগার মধ্যেই বিদ্যমান। এ কথা শুনে তিনি বললেন, দাজ্জাল নয়, বরং তোমাদের ব্যাপারে অন্য কিছুর আমি অধিক ভয় করছি। তবে শোন, আমি তোমাদের) মধ্যে বিদ্যমান থাকা অবস্থায় যদি দাজ্জালের আত্মপ্রকাশ হয় তবে আমি নিজেই তাকে প্রতিহত করব। তোমাদের প্রয়োজন হবে না। আর যদি আমি তোমাদের মাঝে না থাকাবস্থায় দাজ্জালের আত্মপ্রকাশ হয়, তবে প্রত্যেক মুমিন লোক নিজের পক্ষ হতে তাকে প্রতিহত করবে। প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আল্লাহ তা’আলাই হলেন আমার পক্ষ হতে তত্ত্বাবধানকারী। দাজ্জাল যুবক এবং ঘন চুল বিশিষ্ট হবে, চোখ আঙ্গুরের ন্যায় হবে। আমি তাকে কাফির ‘আবদুল উয্যা ইবনু কাতান এর মতো মনে করছি। তোমাদের যে কেউ দাজ্জালের সময়কাল পাবে সে যেন সূরা আল-কাহফ-এর প্রথমোক্ত আয়াতসমূহ পাঠ করে। সে ইরাক ও সিরিয়ার মধ্যপথ হতে আবির্ভূত হবে। সে ডানে-বামে দুর্যোগ সৃষ্টি করবে। হে আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা অটল থাকবে। আমরা প্রশ্ন করলাম, হে রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! দুনিয়াতে দাজ্জালের অগ্রসরতা কি রকম বৃদ্ধি পাবে? তিনি বললেন, বাতাসের প্রবাহ মেঘমালাকে যে রকম হাকিয়ে নিয়ে যায়। সে এক কাওমের কাছে এসে তাদেরকে কুফুরীর দিকে ডাকবে। তারা তার উপর ঈমান আনবে এবং তার আহ্বানে সাড়া দিবে। অতঃপর সে আকাশমণ্ডলীকে আদেশ করবে। আকাশ বৃষ্টি বর্ষণ করবে এবং ভূমিকে নির্দেশ দিবে, ফলে ভূমি গাছ-পালা ও শস্য উৎপন্ন করবে। তারপর সন্ধ্যায় তাদের গবাদি পশুগুলো পূর্বের চেয়ে বেশি লম্বা কুজ, প্রশস্ত স্তন এবং পেটভর্তি অবস্থায় তাদের কাছে ফিরে আসবে। তারপর দাজ্জাল অপর এক কাওমেরর কাছে আসবে এবং তাদেরকে কুফুরীর প্রতি ডাকবে। তারা তার কথাকে উপেক্ষা করবে। ফলে সে তাদের নিকট হতে প্রত্যাবর্তন করবে। আমনি তাদের মধ্যে দুর্ভিক্ষ ও পানির অনটন দেখা দিবে এবং তাদের হাতে তাদের ধন-সম্পদ কিছুই থাকবে না। তখন দাজ্জাল এক পতিত স্থান অতিক্রমকালে সেটাকে সম্বোধন করে বলবে, তুমি তোমার গুপ্তধন বের করে দাও। তখন জমিনের ধন-ভাণ্ডার বের হয়ে তার চতুষ্পার্শে একত্রিত হতে থাকবে, যেমন মধু মক্ষিকা তাদের সর্দারের চারপাশে সমবেত হয়। অতঃপর দাজ্জাল এক যুবক ব্যক্তিকে ডেকে আনবে এবং তাকে তরবারি দ্বারা আঘাত করে তীরের লক্ষ্যস্থলের ন্যায় দুটুকরো করে ফেলবে। তারপর সে আবার তাকে আহবান করবে। যুবক আলোকময় হাস্যোজ্জল চেহারায় তার সম্মুখে এগিয়ে আসবে। এ সময় আল্লাহ রববুল আলামীন ঈসা ইবনু মারইয়াম (আঃ) কে প্রেরণ করবেন। তিনি দু' ফেরেশতার কাঁধের উপর ভর করে ওয়ারস ও জাফরান রং এর জোড়া কাপড় পরিহিত অবস্থায় দামেশক নগরীর পূর্ব দিকের উজ্জ্বল মিনারে অবতরণ করবেন। যখন তিনি তার মাথা ঝুঁকবেন তখন ফোটা ফোটা ঘাম তার শরীর থেকে গড়িয়ে পড়বে। তিনি যে কোন কফিরের কাছে যাবেন সে তার শ্বাসের বাতাসে ধ্বংস হয়ে যাবে। তার দৃষ্টি যতদূর পর্যন্ত যাবে তাঁর শ্বাসও ততদূর পর্যন্ত পৌছবে। তিনি দাজ্জালকে সন্ধান করতে থাকবেন। অবশেষে তাকে বাবে লুদ নামক স্থানে গিয়ে পাকড়াও করবেন এবং তাকে হত্যা করবেন। অতঃপর ঈসা (আঃ) ঐ সম্প্রদায়ের নিকট যাবেন, যাদেরকে আল্লাহ তা’আলা দাজ্জালের বিপর্যয় থেকে রক্ষা করেছেন। ঈসা (আঃ) তাদের কাছে গিয়ে তাদের চেহারায় হাত বুলিয়ে জান্নাতে তাদের স্থানসমূহের ব্যাপারে খবর দিবেন। এমন সময় আল্লাহ তা’আলা ঈসা (আঃ) এর প্রতি এ মর্মে ওয়াহী অবতীর্ণ করবেন যে, আমি আমার এমন বান্দাদের আবির্ভাব ঘটেয়েছি, যাদের সঙ্গে কারোই যুদ্ধ করার ক্ষমতা নেই। অতঃপর তুমি আমার মুমিন বান্দাদেরকে নিয়ে তুর পাহাড়ে চলে যাও। তখন আল্লাহ তা’আলা ইয়াজুজ-মাজুজ কাওমকে পাঠাবেন। তারা ছাড়া পেয়ে পৃথিবীর সব প্রান্তে দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে। তাদের প্রথম দলটি "বুহাইরায়ে তাবরিয়া"র (ভূমধ্যসাগর) উপকূলে এসে এর সমুদয় পানি পান করে নিঃশেষ করে দিবে। তারপর তাদের সর্বশেষ দলটি এ স্থান দিয়ে যাত্রাকালে বলবে, এ সমুদ্রে কোন সময় পানি ছিল কি? তারা আল্লাহর নবী ঈসা (আঃ) এবং তার সাথীদেরকে অবরোধ করে রাখবে। ফলে তাদের নিকট একটি বলদের মাথা বর্তমানে তোমাদের নিকট একশ দীনারের মূল্যের চেয়েও অধিক মূল্যবান প্রতিপন্ন হবে। তখন আল্লাহর নবী ঈসা (আঃ) এবং তার সঙ্গীগণ আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করবেন। ফলে আল্লাহ তা’আলা ইয়া'জুজ-মা'জুজ সম্প্রদায়ের প্রতি আযাব পাঠাবেন। তাদের ঘাড়ে এক প্রকার পোকা হবে। এতে একজন মানুষের মৃত্যুর মতো তারাও সবাই মরে নিঃশেষ হয়ে যাবে। তারপর ঈসা (আঃ) ও তাঁর সঙ্গীগণ পাহাড় হতে জমিনে বেরিয়ে আসবেন। কিন্তু তারা অর্ধ হাত জায়গাও এমন পাবেন না যথায় তাদের পচা লাশ ও লাশের দুর্গন্ধ নেই। অতঃপর ‘ঈসা (আঃ) এবং তার সঙ্গীগণ পুনরায় আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করবেন। তখন আল্লাহ তা’আলা উটের ঘাড়ের মতো লম্বা এক ধরনের পাখি পাঠাবেন। তারা তাদেরকে বহন করে আল্লাহর ইচ্ছানুসারে কোন স্থানে নিয়ে ফেলবে। এরপর আল্লাহ এমন মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন যার ফলে কাঁচা-পাকা কোন গৃহই আর অবশিষ্ট থাকবে না। এতে জমিন বিধৌত হয়ে উদ্ভিদ শূন্য মৃত্তিকায় পরিণত হবে। অতঃপর পুনরায় জমিনকে এ মর্মে নির্দেশ দেয়া হবে যে, হে জমিন! তুমি আবার শস্য উৎপন্ন করো এবং তোমার বারাকাত ফিরিয়ে দাও। সেদিন একদল মানুষ একটি ডালিম ভক্ষণ করবে এবং এর বাকলের নীচে লোকেরা ছায়া গ্রহণ করবে। দুধের মধ্যে বারাকাত হবে। ফলে দুগ্ধবতী একটি উটই একদল মানুষের জন্য যথেষ্ট হবে, দুগ্ধবতী একটি গাভী একগোত্রীয় মানুষের জন্য যথেষ্ট হবে এবং যথেষ্ট হবে দুগ্ধবতী একটি বকরী এক দাদার সন্তানদের (একটি ছোট গোত্রের) জন্য। এ সময় আল্লাহ তা’আলা অত্যন্ত আরামদায়ক একটি বায়ু প্রেরণ করবেন। এ বায়ু সকল মুমিন লোকদের বগলে গিয়ে লাগবে এবং সমস্ত মুমিন মুসলিমদের রূহ কবয করে নিয়ে যাবে। তখন একমাত্র মন্দ লোকেরাই এ পৃথিবীতে বাকী থাকবে। তারা গাধার ন্যায় পরস্পর একে অন্যের সাথে প্রকাশ্যে ব্যভিচারে লিপ্ত হবে। এদের উপরই কিয়ামত সংঘটিত হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১০৬. ইসলামিক সেন্টার)

কিতাবুল ফিতান #১,৫৩২খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৫৪৬
🟢 মারফূ' (নবী ﷺ)মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن حذيفة، رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال

الدجال أعور العين اليسرى، جفال الشعر، معه جنة ونار، فناره جنة وجنته نار

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, মুহাম্মাদ ইবনুল আলা ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেছেনঃ দাজ্জালের বামচোখ কানা হবে। তার দেহে ঘন পশম হবে। তার সাথে থাকবে জান্নাত ও জাহান্নামের চিত্র। প্রকৃতপক্ষে তার জাহান্নাম জান্নাত হবে এবং তার জান্নাত জাহান্নাম বলে গণ্য হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১০০, ইসলামিক সেন্টার)

কিতাবুল ফিতান #১,৫৯৬খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৫৭১
🟢 মারফূ' (নবী ﷺ)মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا ابن وهب، عن حنظلة، سمع سالما، يقول: سمعت ابن عمر، رضي الله عنه يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " أريت عند الكعبة مما يلي المقام رجلا آدم سبط الرأس، واضعا يديه على رجلين، يسكب رأسه، أو يقطر رأسه، ماء، فسألت: من هذا؟ فقال قائل: هذا عيسى ابن مريم "

حدثنا ابن وهب، عن حنظلة، سمع سالما، يقول: سمعت ابن عمر، رضي الله عنه يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " أريت عند الكعبة مما يلي المقام رجلا آدم سبط الرأس، واضعا يديه على رجلين، يسكب رأسه، أو يقطر رأسه، ماء، فسألت: من هذا؟ فقال قائل: هذا عيسى ابن مريم "

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেন, আমি (স্বপ্নযোগে) কা'বার নিকটে খাড়া চুল বিশিষ্ট বাদামী রঙের এক ব্যক্তিকে দু'জন লোকের (কাঁধের) উপর হাত রাখা অবস্থায় দেখেছি। তার মাথা থেকে পানি গড়িয়ে পড়ছিল অথবা বলেছেন, ফোটা ফোটা পানি পড়ছিল। আমি জানতে চাইলাম, ইনি কে? লোকেরা বললো, ঈসা ইবনু মারইয়াম (আঃ) অথবা বলেছেন, আল মাসীহ ইবনু মারইয়াম (আঃ)। সালিম বলেন, ইবনু উমর (রাযিঃ) সঠিকভাবে অবগত নন, রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকোনটি বলেছেন। তবে তিনি এ কথাও বলেছেন যে, তার পেছনে আমি এমন এক ব্যক্তিকেও দেখেছি, যে রক্তবর্ণের, স্থুলদেহী, মাথার চুল কোঁকড়ানো, ডান চোখ কানা, আকৃতিতে আমার দেখা (কাফির) ইবনু কাতানের সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ। আমি জানতে চাইলাম, এ লোকটি কে? তারা বললেন, এ হলো মাসীহে দাজ্জাল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)

🔗সিহাহ সিত্তাহ সাদৃশ্য:muslim:169c (partial)
ID: nuaym-fitan-1596 · Ch 61
কিতাবুল ফিতান #১,৬০৩খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৫৭৪
🟢 মারফূ' (নবী ﷺ)মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

قال الزهري: فأخبرني سالم، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " يقاتلكم اليهود فتسلطون عليهم حتى يقول الحجر: يا مسلم، هذا يهودي ورائي فاقتله "

قال الزهري: فأخبرني سالم، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " يقاتلكم اليهود فتسلطون عليهم حتى يقول الحجر: يا مسلم، هذا يهودي ورائي فاقتله "

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেছেনঃ ইয়াহুদীরা তোমাদের সাথে যুদ্ধ করবে। তাতে তোমরা তাদের বিরুদ্ধে জয় লাভ করবে। এমনকি পাথর পর্যন্ত বলবে, হে মুসলিম। এই যে আমার অন্তরালে এক ইয়াহুদী (লুকিয়ে) আছে, তাকে হত্যা কর। সহীহ, বুখারী, মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।

0
কিতাবুল ফিতান #১,৬০৪খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৫৭৪
🟢 মারফূ' (নবী ﷺ)মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

قال الزهري: عن ابن المسيب، سمع أبا هريرة، رضي الله عنه يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: والذي نفسي بيده

ليوشكن أن ينزل فيكم ابن مريم حكما عدلا، وإماما مقسطا، يكسر الصليب، ويقتل الخنزير، ويضع الجزية، ويفيض المال حتى لا يقبله أحد

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেছেন, শপথ সেই সত্তার, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, শীঘ্রই তোমাদের মধ্যে মারিয়ামের পুত্র ‘ঈসা (আঃ) শাসক ও ন্যায় বিচারক হিসেবে আগমন করবেন। তিনি ‘ক্রুশ’ ভেঙ্গে ফেলবেন, শূকর হত্যা করবেন এবং তিনি যুদ্ধের সমাপ্তি টানবেন। তখন সম্পদের ঢেউ বয়ে চলবে। এমনকি কেউ তা গ্রহণ করতে চাইবে না। তখন আল্লাহকে একটি সিজ্দা করা তামাম দুনিয়া এবং তার মধ্যকার সমস্ত সম্পদ হতে অধিক মূল্যবান বলে গণ্য হবে। অতঃপর আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) বলেন, তোমরা ইচ্ছা করলে এর সমর্থনে এ আয়াতটি পড়তে পারঃ ‘‘কিতাবীদের মধ্যে প্রত্যেকে তাঁর (ঈসা (আঃ)-এর) মৃত্যুর পূর্বে তাঁকে বিশ্বাস করবেই এবং কিয়ামতের দিন তিনি তাদের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিবেন।’’ (আন-নিসাঃ ১৫৯) (২২২২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)

কিতাবুল ফিতান #১,৬১১খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৫৭৪
🟢 মারফূ' (নবী ﷺ)মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا ابن عيينة، عن الزهري، عن ابن المسيب، عن أبي هريرة، رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال

يوشك أن ينزل فيكم ابن مريم حكما مقسطا، يكسر الصليب، ويقتل الخنزير، وتوضع الجزية، ويفيض المال حتى لا يقبله أحد

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেছেন, শপথ সেই সত্তার, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, শীঘ্রই তোমাদের মধ্যে মারিয়ামের পুত্র ‘ঈসা (আঃ) শাসক ও ন্যায় বিচারক হিসেবে আগমন করবেন। তিনি ‘ক্রুশ’ ভেঙ্গে ফেলবেন, শূকর হত্যা করবেন এবং তিনি যুদ্ধের সমাপ্তি টানবেন। তখন সম্পদের ঢেউ বয়ে চলবে। এমনকি কেউ তা গ্রহণ করতে চাইবে না। তখন আল্লাহকে একটি সিজ্দা করা তামাম দুনিয়া এবং তার মধ্যকার সমস্ত সম্পদ হতে অধিক মূল্যবান বলে গণ্য হবে। অতঃপর আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) বলেন, তোমরা ইচ্ছা করলে এর সমর্থনে এ আয়াতটি পড়তে পারঃ ‘‘কিতাবীদের মধ্যে প্রত্যেকে তাঁর (ঈসা (আঃ)-এর) মৃত্যুর পূর্বে তাঁকে বিশ্বাস করবেই এবং কিয়ামতের দিন তিনি তাদের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিবেন।’’ (আন-নিসাঃ ১৫৯) (২২২২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)

কিতাবুল ফিতান #১,৬২২খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৫৭৪
🟢 মারফূ' (নবী ﷺ)মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا عيسى بن يونس، عن هشام بن عروة، عن صاحب لأبي هريرة، عن أبي هريرة، رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال

ينزل عيسى ابن مريم فيمكث في الأرض أربعين سنة

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেনঃ আমার ও তাঁর অর্থাৎ ঈসা (আঃ)-এর মাঝে কোনো নবী নেই। আর তিনি তো অবতরণ করবেন। তোমরা তাঁকে দেখে এভাবে চিনতে পারবে যে, তিনি মাঝারি উচ্চতার, লাল-সাদা ও গেরুয়া রঙের মাঝামাঝি অর্থাৎ দুধে আলতা তাঁর দেহের রং হবে এবং তাঁর মাথার চুল ভিজা না থাকলেও মনে হবে চুল থেকে যেন বিন্দু বিন্দু পানি টপকাচ্ছে। তিনি ইসলামের জন্য মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন, ক্রুশ ভেঙ্গে ফেলবেন, শুকর নিধন করবেন ও জিযিয়া রহিত করবেন। তিনি তাঁর যুগে ইসলাম ছাড়া সকল ধর্ম বিলুপ্ত করবেন এবং মাসীহ দাজ্জালকে হত্যা করবেন। তিনি পৃথিবীতে চল্লিশ বছর অবস্থান করবেন, অতঃপর মৃত্যুবরণ করবেন এবং মুসলিমরা তাঁর জানাযা পড়বে।[1] সহীহ।

🔗সিহাহ সিত্তাহ সাদৃশ্য:abudawud:4324 (strong)
ID: nuaym-fitan-1622 · Ch 62
কিতাবুল ফিতান #১,৬৪৪খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৫৯০
মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا ابن عيينة، عن الزهري، عن عروة، عن زينب ابنة أبي سلمة، عن أم حبيبة، عن زينب ابنة جحش، رضي الله عنها قالت: استيقظ رسول الله صلى الله عليه وسلم من النوم وهو محمر وجهه، وهو يقول

لا إله إلا الله، ويل للعرب من شر قد اقترب، فتح اليوم من ردم يأجوج ومأجوج مثل هذه نعم، إذا كثر الخبث

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى قَالُوْا يَا ذَا الْقَرْنَيْنِ إِنَّ يَأْجُوْجَ وَمَأْجُوْجَ مُفْسِدُوْنَ فِي الأَرْضِ (الكهف : 94) قَوْلُ اللهِ تَعَالَى وَيَسْأَلُوْنَكَ عَنْ ذِي الْقَرْنَيْنِ قُلْ سَأَتْلُوْ عَلَيْكُمْ مِّنْهُ ذِكْرًا إِنَّا مَكَّنَّا لَه” فِي الأَرْضِ وَاٰتَيْنَاهُ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ سَبَبًا فَاتَّبَعَ سَبَبًا (الكهف : 83.84) إِلَى قَوْلِهِ ائْتُوْنِيْ زُبَرَ الْحَدِيْدِ (الكهف : 96) وَاحِدُهَا زُبْرَةٌ وَهِيَ الْقِطَعُ حَتَّى إِذَا سَاوَى بَيْنَ الصَّدَفَيْنِ يُقَالُ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ الْجَبَلَيْنِ وَ السُّدَّيْنِ الْجَبَلَيْنِ خَرْجًا أَجْرًا قَالَ انْفُخُوْا حَتّٰى إِذَا جَعَلَهُ نَارًا قَالَ اٰتُوْنِيْ أُفْرِغْ عَلَيْهِ قِطْرًا (الكهف : 96) أَصْبُبْ عَلَيْهِ رَصَاصًا وَيُقَالُ الْحَدِيْدُ وَيُقَالُ الصُّفْرُ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ النُّحَاسُ فَمَا اسْطَاعُوْا أَنْ يَّظْهَرُوْهُ (الكهف : 97) يَعْلُوْهُ اسْتَطَاعَ اسْتَفْعَلَ مِنْ أَطَعْتُ لَهُ فَلِذَلِكَ فُتِحَ أَسْطَاعَ يَسْطِيْعُ وَقَالَ بَعْضُهُمْ اسْتَطَاعَ يَسْتَطِيْعُ وَمَا اسْتَطَاعُوْا لَهُ نَقْبًا (الكهف : 97) قَالَ هٰذَا رَحْمَةٌ مِّنْ رَّبِّيْ فَإِذَا جَآءَ وَعْدُ رَبِّيْ جَعَلَهُ دَكًّا (الكهف : 98) أَلْزَقَهُ بِالأَرْضِ وَنَاقَةٌ دَكَّاءُ لَا سَنَامَ لَهَا وَالدَّكْدَاكُ مِنْ الأَرْضِ مِثْلُهُ حَتَّى صَلُبَ وَتَلَبَّدَ وَكَانَ وَعْدُ رَبِّيْ حَقًّا وَتَرَكْنَا بَعْضَهُمْ يَوْمَئِذٍ يَّمُوْجُ فِيْ بَعْضٍ (الكهف : 98-99) حَتّٰىٓ إِذَا فُتِحَتْ يَأْجُوْجُ وَمَأْجُوْجُ وَهُمْ مِّنْ كُلِّ حَدَبٍ يَّنْسِلُوْنَ (الأنبياء : 96) قَالَ قَتَادَةُ حَدَبٌ أَكَمَةٌ قَالَ رَجُلٌ لِلنَّبِيِّ رَأَيْتُ السَّدَّ مِثْلَ الْبُرْدِ الْمُحَبَّرِ قَالَ رَأَيْتَهُ মহান আল্লাহর বাণীঃ নিশ্চয়ই ইয়া’জূজ মা’জূজ পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টিকারী। (কাহফঃ ৯৪) অধ্যায় : মহান আল্লাহর বাণীঃ (হে নবী) তারা আপনাকে যুল-কারনাইন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছে. . .। আয়াতে سَبَبًا অর্থ চলাচলের পথ ও রাস্তা। তোমরা আমার নিকট লোহার খন্ড নিয়ে আস- (কাহফ ৮৩-৯৬)। এখানে زُبَرَ শব্দটি বহুবচন। একবচনে زُبْرَةٌ অর্থ খন্ড। অবশেষে মাঝের ফাঁকা জায়গা পূর্ণ হয়ে যখন লোহার স্তূপ দু’পর্বতের সমান হল- (কাহফ ৯৬)। তখন তিনি লোকদেরকে বললেন, এখন তাতে ফুঁক দিতে থাক। এ আয়াতে الصَّدَفَيْنِ শব্দের অর্থ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর বর্ণনা অনুযায়ী দু’টি পর্বতকে বুঝানো হয়েছে। আর السُّدَّيْنِ এর অর্থ দু’টি পাহাড়। خَرْجًا অর্থ পারিশ্রমিক। যুল-কারনাইন বলল, তোমরা হাপরে ফুঁক দিতে থাক। যখন তা আগুনের মত গরম হল, তখন তিনি বললেন, তোমরা গলিত তামা নিয়ে আস, আমি তা এর উপর ঢেলে দেই- (কাহফ ৯৬)। -قِطْرٌ অর্থ সীসা। আবার লৌহ গলিত পদার্থকেও বলা হয় এবং তামাকেও বলা হয়। আর ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর অর্থ তাম্রগলিত পদার্থ বলেছেন। (আল্লাহর বাণী) অতঃপর তারা (ইয়াজুজ ও মাজুজ) এ প্রাচীর অতিক্রম করতে পারল না- (কাহফ ৯৭)। অর্থাৎ তারা এর উপরে উঠতে সক্ষম হল না। اسْتَطَاعَ শব্দটি أَطَعْتُ لَهُ নিকট হতে باب استفعال আনা হয়েছে। একে أَسْطَاعَ I يَسْطِيْعُ যবরসহ পড়া হয়ে থাকে। আর কেউ কেউ একে اسْتَطَاعَ يَسْتَطِيْعُ রূপে পড়েন। (আল্লাহর বাণী) তারা তা ছিদ্রও করতে পারল না। তিনি বললেন, এটা আমার রবের অনুগ্রহ। যখন আমার রবের প্রতিশ্রুতি পূর্ণ হবে তখন তিনি এটিকে পূর্ণ বিচূর্ণ করে দিবেন- (কাহফ ৯৭-৯৮)। دَكَّاءُ অর্থ মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিবেন। وَنَاقَةٌ دَكَّاءُ বলে যে উটের কুঁজ নেই। الدَّكْدَاكُ مِنْ الأَرْضِ যমীনের সেই সমতল উপরিভাগকে বলা হয় যা শুকিয়ে যায় এবং উঁচু নিচু না থাকে। (আল্লাহর বাণী) আর আমার রবের প্রতিশ্রুতি সত্য, সে দিন আমি তাদেরকে ছেড়ে দিব, এ অবস্থায় যে, একদল অপর দলের উপর তরঙ্গের মত পতিত হবে- (কাহফ ৯৯)। (আল্লাহর বাণী) এমন কি যখন ইয়াজুজ ও মাজুজকে মুক্ত করা হবে এবং তারা প্রতি উচ্চ ভূমি হতে ছুটে আসবে- (আম্বিয়া ৯৬)। ক্বাতাদাহ (রহ.) বলেন, -حَدَبٌ অতি টিলা। এক সাহাবী নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবললেন, তুমি তা ঠিকই দেখেছ। ৩৩৪৬. যায়নাব বিনতে জাহাশ (রাঃ) হতে বর্ণিত। একবার নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামভীত সন্ত্রস্ত অবস্থায় তাঁর নিকট আসলেন এবং বলতে লাগলেন, লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ। আরবের লোকেদের জন্য সেই অনিষ্টের কারণে ধ্বংস অনিবার্য যা নিকটবর্তী হয়েছে। আজ ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রাচীর এ পরিমাণ খুলে গেছে। এ কথা বলার সময় তিনি তাঁর বৃদ্ধাঙ্গুলিল অগ্রভাগকে তার সঙ্গের শাহাদাত আঙ্গুলির অগ্রভাগের সঙ্গে মিলিয়ে গোলাকার করে ছিদ্রের পরিমাণ দেখান। যায়নাব বিনতে জাহাশ (রাঃ) বলেন, তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের মধ্যে পুণ্যবান লোকজন থাকা সত্ত্বেও কি আমরা ধ্বংস হয়ে যাব? তিনি বললেন, হাঁ যখন পাপকাজ অতি মাত্রায় বেড়ে যাবে। (৩৫৯৮, ৭০৫৯, ৭১৩৫) (মুসলিম ৫২ হাঃ ২৮৮০, আহমাদ ২৭৪৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)

কিতাবুল ফিতান #১,৬৭১খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৫৯৮
🟢 মারফূ' (নবী ﷺ)মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال

لا تقوم الساعة حتى تضطرب أليات نساء دوس على ذي الخلصة

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ ‘যুল্খালাসাহর’ পাশে দাওস গোত্রীয় মহিলাদের নিতম্ব দোলায়িত না হবে। ‘যুলখালাসাহ’ হলো দাওস গোত্রের একটি মূর্তি। জাহিলী যুগে তারা এর ইবাদাত করত। [মুসলিম ৫২/১৭, হাঃ ২৯০৬, আহমাদ ৭৬৮১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

কিতাবুল ফিতান #১,৬৭৭খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৫৯৮
🟢 মারফূ' (নবী ﷺ)মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا هشيم، وعبد الوهاب، عن داود بن أبي هند، عن أبي عثمان، عن سعد بن أبي وقاص، رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم

لا يزال أهل الغرب ظاهرين على الحق حتى تقوم الساعة

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেছেনঃ পশ্চিম দেশীয়রা বরাবর হকের উপর বিজয়ী থাকবে কিয়ামত পর্যন্ত।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৮০৫, ইসলামিক সেন্টার)

🔗সিহাহ সিত্তাহ সাদৃশ্য:muslim:1925 (strong)
ID: nuaym-fitan-1677 · Ch 63
কিতাবুল ফিতান #১,৬৮০খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৫৯৮
মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا محمد بن ثور، عن معمر، عن قتادة، عن أنس، رضي الله عنه قال: " سأل أهل مكة النبي صلى الله عليه وسلم آية، فانشق القمر بمكة مرتين، فقال: {اقتربت الساعة وانشق القمر وإن يروا آية يعرضوا ويقولوا سحر مستمر} [القمر: 2] يقولون: سحر ذاهب "

حدثنا محمد بن ثور، عن معمر، عن قتادة، عن أنس، رضي الله عنه قال: " سأل أهل مكة النبي صلى الله عليه وسلم آية، فانشق القمر بمكة مرتين، فقال: {اقتربت الساعة وانشق القمر وإن يروا آية يعرضوا ويقولوا سحر مستمر} [القمر: 2] يقولون: سحر ذاهب "

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

মুহাম্মাদ বিন সাওর আমাদেরকে মুয়াম্মারের সূত্রে, কাতাদার সূত্রে, আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: “মক্কাবাসীরা নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে একটি নিদর্শন চেয়েছিল এবং মক্কায় চাঁদ দুবার দ্বিখন্ডিত হয়েছিল, এবং তিনি বললেন: {আর তারা দেখতে পেল যে, তারা যদি চন্দ্র বিদীর্ণ হয়ে যায় এবং তারা একটি চিহ্ন দেখতে পায়। একটানা জাদু বল।

🔗সিহাহ সিত্তাহ সাদৃশ্য:tirmidhi:3286 (partial)
ID: nuaym-fitan-1680 · Ch 63
কিতাবুল ফিতান #১,৬৮১খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৫৯৮
🟢 মারফূ' (নবী ﷺ)মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا بقية بن الوليد، عن عتبة بن أبي حكيم، عن مكحول، عن معاوية، رضي الله عنه قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول

لا تزال طائفة من أمتي على الحق ظاهرين على الناس لا يبالون من خالفهم، حتى يأتي أمر الله وهم ظاهرون

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

সাওবান (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামআরো বলেছেনঃ আমার উম্মাতের এক দল লোক আল্লাহ তা'আলার হুকুম (কিয়ামত) আসার পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত সর্বদা বিজয়ীবেশে সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে। যারা তাদের অপমানিত করতে চাইবে তারা তাদের ক্ষতি করতে পারবে না। সহীহ, সহীহাহ (৪/১১০, ১৯৫৭), মুসলিম ২য় অংশ। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈলকে আমি বলতে শুনেছি, আমি রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উক্ত হাদীসটি আলী ইবনুল মাদীনীকে এভাবে বর্ণনা করতে শুনেছিঃ আমার উম্মাতের এক দল সর্বাবস্থায় সত্যের উপর বিজয়ী থাকবে। তাদের ব্যাপারে আলী (রাঃ) বলেন, এরা হলো আহলুল হাদীস।

কিতাবুল ফিতান #১,৬৮৮খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৫৯৮
মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن مسلم، عن مسروق، عن عبد الله، قال: " خمس قد مضين: الدخان، واللزام، والبطشة، والروم، والقمر "

حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن مسلم، عن مسروق، عن عبد الله، قال: " خمس قد مضين: الدخان، واللزام، والبطشة، والروم، والقمر "

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

(…) কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, পাঁচটি বিষয় অতীত হয়ে গেছেঃ ধোঁয়া, শাস্তি, রোম এর পরাজয়, পাকড়াও এবং চন্দ্রের নিদর্শন অর্থাৎ বিদীর্ণ হওয়া। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮১১, ইসলামিক সেন্টার)

🔗সিহাহ সিত্তাহ সাদৃশ্য:muslim:2798c (partial)
ID: nuaym-fitan-1688 · Ch 63