নবুওয়াতের দাবিদার ত্রিশ মিথ্যাবাদী
الدجالون الكذابون
সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য হাদিসসমূহ
সংগ্রহশালার সব হাদিস পড়ুন →ট্যাগগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত, আলেমদের দ্বারা পর্যালোচনার কাজ চলছে।
حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يَقْتَتِلَ فِئَتَانِ، فَيَكُونَ بَيْنَهُمَا مَقْتَلَةٌ عَظِيمَةٌ، دَعْوَاهُمَا وَاحِدَةٌ، وَلاَ تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يُبْعَثَ دَجَّالُونَ كَذَّابُونَ قَرِيبًا مِنْ ثَلاَثِينَ، كُلُّهُمْ يَزْعُمُ أَنَّهُ رَسُولُ اللَّهِ ".
বাংলা অনুবাদটি আলেমদের দ্বারা চূড়ান্ত যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কিয়ামত সংঘটিত হবে না যে পর্যন্ত দু’টি দলের মধ্যে যুদ্ধ না হবে। তাদের মধ্যে হবে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। তাদের দাবী হবে এক। আর কিয়ামত কায়িম হবে না যে পর্যন্ত প্রায় ত্রিশজন মিথ্যাচারী দাজ্জালের আবির্ভাব না হবে। এরা সবাই নিজেকে আল্লাহর রাসূল বলে দাবী করবে। (৮৫, মুসলিম ৫২/৪ হাঃ ২৮৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
Narrated Abu Huraira:The Prophet (ﷺ) said, "The Hour will not be established till there is a war between two groups among whom there will be a great number of casualties, though the claims (or religion) of both of them will be one and the same. And the Hour will not be established till there appear about thirty liars, all of whom will be claiming to be the messengers of Allah
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى تَقْتَتِلَ فِئَتَانِ عَظِيمَتَانِ، يَكُونُ بَيْنَهُمَا مَقْتَلَةٌ عَظِيمَةٌ، دَعْوَتُهُمَا وَاحِدَةٌ، وَحَتَّى يُبْعَثَ دَجَّالُونَ كَذَّابُونَ، قَرِيبٌ مِنْ ثَلاَثِينَ، كُلُّهُمْ يَزْعُمُ أَنَّهُ رَسُولُ اللَّهِ، وَحَتَّى يُقْبَضَ الْعِلْمُ، وَتَكْثُرَ الزَّلاَزِلُ، وَيَتَقَارَبَ الزَّمَانُ، وَتَظْهَرَ الْفِتَنُ، وَيَكْثُرَ الْهَرْجُ وَهْوَ الْقَتْلُ، وَحَتَّى يَكْثُرَ فِيكُمُ الْمَالُ فَيَفِيضَ، حَتَّى يُهِمَّ رَبَّ الْمَالِ مَنْ يَقْبَلُ صَدَقَتَهُ، وَحَتَّى يَعْرِضَهُ فَيَقُولَ الَّذِي يَعْرِضُهُ عَلَيْهِ لاَ أَرَبَ لِي بِهِ. وَحَتَّى يَتَطَاوَلَ النَّاسُ فِي الْبُنْيَانِ، وَحَتَّى يَمُرَّ الرَّجُلُ بِقَبْرِ الرَّجُلِ فَيَقُولُ يَا لَيْتَنِي مَكَانَهُ. وَحَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ مِنْ مَغْرِبِهَا، فَإِذَا طَلَعَتْ وَرَآهَا النَّاسُ ـ يَعْنِي ـ آمَنُوا أَجْمَعُونَ، فَذَلِكَ حِينَ لاَ يَنْفَعُ نَفْسًا إِيمَانُهَا لَمْ تَكُنْ آمَنَتْ مِنْ قَبْلُ، أَوْ كَسَبَتْ فِي إِيمَانِهَا خَيْرًا، وَلَتَقُومَنَّ السَّاعَةُ وَقَدْ نَشَرَ الرَّجُلاَنِ ثَوْبَهُمَا بَيْنَهُمَا، فَلاَ يَتَبَايَعَانِهِ وَلاَ يَطْوِيَانِهِ، وَلَتَقُومَنَّ السَّاعَةُ وَقَدِ انْصَرَفَ الرَّجُلُ بِلَبَنِ لِقْحَتِهِ فَلاَ يَطْعَمُهُ، وَلَتَقُومَنَّ السَّاعَةُ وَهْوَ يُلِيطُ حَوْضَهُ فَلاَ يَسْقِي فِيهِ، وَلَتَقُومَنَّ السَّاعَةُ وَقَدْ رَفَعَ أُكْلَتَهُ إِلَى فِيهِ فَلاَ يَطْعَمُهَا ".
বাংলা অনুবাদটি আলেমদের দ্বারা চূড়ান্ত যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন ঃ ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) সংঘটিত হবে না যতক্ষণ দু’টি বড় দল পরস্পরে মহাযুদ্ধে লিপ্ত না হবে। উভয় দলের দাবি হবে অভিন্ন। আর যতক্ষণ ত্রিশের কাছাকাছি মিথ্যাচারী দাজ্জাল-এর প্রকাশ না পাবে। তারা প্রত্যেকেই নিজেকে আল্লাহর প্রেরিত রাসূল বলে দাবি করবে এবং যতক্ষণ ইল্ম উঠিয়ে নেয়া না হবে। আর ভূমিকম্প অধিক হারে না হবে। আর যামানা (কাল) সংক্ষিপ্ত না হবে এবং (ব্যাপক হারে) ফিতনা প্রকাশ না পাবে। আর হারজ ব্যপকতা লাভ করবে। হারজ হল হত্যা। আর যতক্ষণ তোমাদের মাঝে ধন-সম্পদ বৃদ্ধি না পাবে। তখন সম্পদের এমন সয়লাব শুরু হবে যে, সম্পদের মালিক তার সদাকাহ কে গ্রহণ করবে- এ নিয়ে চিন্তাযুক্ত হয়ে পড়বে। এমন কি যার নিকট সে সম্পদ আনা হবে সে বলবে আমার এ মালের কোনই প্রয়োজন নেই। আর যতক্ষণ মানুষ উঁচু উঁচু প্রাসাদ নির্মাণের জন্য পরস্পরে প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ না হবে। আর যতক্ষণ এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সময় বলবে হায়! আমি যদি এ কবরবাসীর স্থলে হতাম এবং যতক্ষণ সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত না হবে। যখন সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উঠবে এবং সকল লোক তা দেখবে এবং সেদিন সবাই ঈমান আনবে। কিন্তু সে দিন তার ঈমান কাজে আসবে না, যে এর আগে ঈমান আনেনি। কিংবা ইতোপূর্বে যারা ঈমান আনেনি কিংবা ঈমানের মাধ্যমে কল্যাণ অর্জন করেনি- (সূরাহ আন‘আম ৬/১৫৮)। আর অবশ্যই ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) এমন অবস্থায় কায়িম হবে যে, দু’ব্যক্তি (পরস্পরে বেচাকেনার উদ্দেশে) কাপড় খুলবে। কিন্তু তারা বেচাকেনা ও গুটিয়ে রাখা শেষ করতে পারবে না। অবশ্যই ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) এমন অবস্থায় কায়িম হবে যে, এক ব্যক্তি তার উটের দুধ দোহন করে নিয়ে ফিরেছে। কিন্তু সে তা পান করতে পারবে না। ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) এমন অবস্থায় কায়িম হবে যে, এক ব্যক্তি তার হাওয আস্তর করছে, কিন্তু সে পানি পান করাতে পারবে না। অবশ্যই ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) এমন (অতর্কিত) ভাবে কায়িম হবে যে, এক ব্যক্তি মুখের কাছে লোক্মা তুলবে কিন্তু সে তা আহার করতে পারবে না। [৮৫; মুসলিম ১/৭২, হাঃ ১৫৭, আহমাদ ৭১৬৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
Narrated Abu Huraira:Allah's Messenger (ﷺ) said, "The Hour will not be established (1) till two big groups fight each other whereupon there will be a great number of casualties on both sides and they will be following one and the same religious doctrine, (2) till about thirty Dajjals (liars) appear, and each one of them will claim that he is Allah's Messenger (ﷺ), (3) till the religious knowledge is taken away (by the death of Religious scholars) (4) earthquakes will increase in number (5) time will pass quickly, (6) afflictions will appear, (7) Al-Harj, (i.e., killing) will increase, (8) till wealth will be in abundance ---- so abundant that a wealthy person will worry lest nobody should accept his Zakat, and whenever he will present it to someone, that person (to whom it will be offered) will say, 'I am not in need of it, (9) till the people compete with one another in constructing high buildings, (10) till a man when passing by a grave of someone will say, 'Would that I were in his place (11) and till the sun rises from the West. So when the sun will rise and the people will see it (rising from the West) they will all believe (embrace Islam) but that will be the time when: (As Allah said,) 'No good will it do to a soul to believe then, if it believed not before, nor earned good (by deeds of righteousness) through its Faith.' (6.158) And the Hour will be established while two men spreading a garment in front of them but they will not be able to sell it, nor fold it up; and the Hour will be established when a man has milked his she-camel and has taken away the milk but he will not be able to drink it; and the Hour will be established before a man repairing a tank (for his livestock) is able to water (his animals) in it; and the Hour will be established when a person has raised a morsel (of food) to his mouth but will not be able to eat it
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، قَالَ حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو هَانِئٍ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، مُسْلِمِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " سَيَكُونُ فِي آخِرِ أُمَّتِي أُنَاسٌ يُحَدِّثُونَكُمْ مَا لَمْ تَسْمَعُوا أَنْتُمْ وَلاَ آبَاؤُكُمْ فَإِيَّاكُمْ وَإِيَّاهُمْ " .,وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَرْمَلَةَ بْنِ عِمْرَانَ التُّجِيبِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو شُرَيْحٍ، أَنَّهُ سَمِعَ شَرَاحِيلَ بْنَ يَزِيدَ، يَقُولُ أَخْبَرَنِي مُسْلِمُ بْنُ يَسَارٍ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يَكُونُ فِي آخِرِ الزَّمَانِ دَجَّالُونَ كَذَّابُونَ يَأْتُونَكُمْ مِنَ الأَحَادِيثِ بِمَا لَمْ تَسْمَعُوا أَنْتُمْ وَلاَ آبَاؤُكُمْ فَإِيَّاكُمْ وَإِيَّاهُمْ لاَ يُضِلُّونَكُمْ وَلاَ يَفْتِنُونَكُمْ " .
বাংলা অনুবাদ প্রক্রিয়াধীন; আপাতত ইংরেজি অনুবাদ দেখানো হচ্ছে।
Muhammad bin Abd Allah bin Numayr and Zuhayr bin Harb narrated to me, they said Abd Allah bin Yazīd narrated to us, he said Sa’īd bin Abī Ayyūb narrated to me, he said Abū Hāni’ narrated to me, on authority of Uthmān Muslim bin Yasār, on authority of Abī Hurayrah, on authority of the Messenger of Allah, peace and blessings of Allah upon him, he said:‘There will be in the last of my nation a people narrating to you what you nor your fathers heard, so beware of them’. ,Harmalah bin Yahyā bin Abd Allah bin Harmalah bin Imrān at-Tujībī narrated to me, he said Ibn Wahb narrated to us, he said Abū Shurayh narrated to me that he heard Sharāhīl bin Yazīd saying ‘Muslim bin Yasār informed me that he heard Abā Hurayrah saying, the Messenger of Allah, peace and blessings of Allah upon him, said:‘There will be in the end of time charlatan liars coming to you with narrations that you nor your fathers heard, so beware of them lest they misguide you and cause you tribulations’.’
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، قَالاَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَبِي أَسْمَاءَ، عَنْ ثَوْبَانَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ اللَّهَ زَوَى لِيَ الأَرْضَ " . أَوْ قَالَ " إِنَّ رَبِّي زَوَى لِيَ الأَرْضَ فَرَأَيْتُ مَشَارِقَهَا وَمَغَارِبَهَا وَإِنَّ مُلْكَ أُمَّتِي سَيَبْلُغُ مَا زُوِيَ لِي مِنْهَا وَأُعْطِيتُ الْكَنْزَيْنِ الأَحْمَرَ وَالأَبْيَضَ وَإِنِّي سَأَلْتُ رَبِّي لأُمَّتِي أَنْ لاَ يُهْلِكَهَا بِسَنَةٍ بِعَامَّةٍ وَلاَ يُسَلِّطَ عَلَيْهِمْ عَدُوًّا مِنْ سِوَى أَنْفُسِهِمْ فَيَسْتَبِيحَ بَيْضَتَهُمْ وَإِنَّ رَبِّي قَالَ لِي يَا مُحَمَّدُ إِنِّي إِذَا قَضَيْتُ قَضَاءً فَإِنَّهُ لاَ يُرَدُّ وَلاَ أُهْلِكُهُمْ بِسَنَةٍ بِعَامَّةٍ وَلاَ أُسَلِّطُ عَلَيْهِمْ عَدُوًّا مِنْ سِوَى أَنْفُسِهِمْ فَيَسْتَبِيحَ بَيْضَتَهُمْ وَلَوِ اجْتَمَعَ عَلَيْهِمْ مَنْ بَيْنَ أَقْطَارِهَا أَوْ قَالَ بِأَقْطَارِهَا حَتَّى يَكُونَ بَعْضُهُمْ يُهْلِكُ بَعْضًا وَحَتَّى يَكُونَ بَعْضُهُمْ يَسْبِي بَعْضًا وَإِنَّمَا أَخَافُ عَلَى أُمَّتِي الأَئِمَّةَ الْمُضِلِّينَ وَإِذَا وُضِعَ السَّيْفُ فِي أُمَّتِي لَمْ يُرْفَعْ عَنْهَا إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ وَلاَ تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى تَلْحَقَ قَبَائِلُ مِنْ أُمَّتِي بِالْمُشْرِكِينَ وَحَتَّى تَعْبُدَ قَبَائِلُ مِنْ أُمَّتِي الأَوْثَانَ وَإِنَّهُ سَيَكُونُ فِي أُمَّتِي كَذَّابُونَ ثَلاَثُونَ كُلُّهُمْ يَزْعُمُ أَنَّهُ نَبِيٌّ وَأَنَا خَاتَمُ النَّبِيِّينَ لاَ نَبِيَّ بَعْدِي وَلاَ تَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِي عَلَى الْحَقِّ " . قَالَ ابْنُ عِيسَى " ظَاهِرِينَ " . ثُمَّ اتَّفَقَا " لاَ يَضُرُّهُمْ مَنْ خَالَفَهُمْ حَتَّى يَأْتِيَ أَمْرُ اللَّهِ " .
বাংলা অনুবাদটি আলেমদের দ্বারা চূড়ান্ত যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।
সাওবান (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ (অথবা) আমার রব পৃথিবীকে আমার জন্য সংকুচিত করে দিয়েছেন এবং আমাকে এর পূর্ব ও পশ্চিম সীমানা দেখানো হয়েছে। আর যুতটুকু আমার জন্য সংকুচিত করা হয়েছে, ততটুকুতে অচিরেই আমার উম্মাতের রাজত্ব বিস্তার লাভ করবে। আমাকে লাল ও সাদা (স্বর্ণ ও রূপার) দু’টি ধনভান্ডার দেয়া হয়েছে। আর আমি আমার মহান প্রতিপালকের নিকট আমার উম্মাতের জন্য এই কথার আবেদন করছি যে, তিনি তাদের সবাইকে যেন দুর্ভিক্ষে ধ্বংস না করেন এবং তাদের নিজেদের ব্যতীত কোনো শত্রু যেন তাদের উপর কর্তৃত্ব করতে না পারে যারা তাদের ধ্বংস করে দিবে। নিশ্চয়ই আমার রব আমাকে বলেছেন, হে মুহাম্মাদ! আমি যা ফায়সালা করি, তা বাতিল হয় না। তবে আমি তাদের সবাইকে একসঙ্গে দুর্ভিক্ষে ধ্বংস করবো না এবং তাদের নিজেদের ছাড়া দিকবিদিক থেকে আগত তাদের সমূলে বিনাশকারী বিধর্মী শত্রুকে তাদের উপর কর্তৃত্ব করতে দিবো না, তবে তাদের কতক অপরদের ধ্বংস করবে এবং কতক অপরাধে বন্দী করবে। আর আমি আমার উম্মাতের পথভ্রষ্ট নেতাদের ব্যাপারে শঙ্কিত। আমার উম্মত যখন পরস্পর যুদ্ধে লিপ্ত হবে, তখন কিয়ামত সংঘটিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তারা বিরত হবে না। আর আমার উম্মাতের কিছু সংখ্যক মুশরিকদের সঙ্গে মিলিত না হওয়া পর্যন্ত এবং আমার উম্মাতের কতিপয় গোত্র মূর্তি পূজায় লিপ্ত না হওয়া পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না। অবিলম্বে আমার উম্মাতের মধ্যে ত্রিশজন মিথ্যাবাদীর আবির্ভাব ঘটবে, তাদের প্রত্যেকেই নিজেকে নবী বলে দাবী করবে। অথচ আমিই সর্বশেষ নবী এবং আমার পরে আর কোনো নবী আসবে না। তবে আমার উম্মাতের একটি দল সর্বদা সত্যের উপর অটল থাকবে। যারা তাদের বিরোধিতা করবে, তারা তাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না, এমন কি এ অবস্থায় আল্লাহর নির্দেশ (কিয়ামত) এসে যাবে।[1] সহীহ।
Narrated Thawban:The Messenger of Allah (ﷺ) as saying: Allah, the Exalted, folded for me the earth, or he said (the narrator is doubtful): My Lord folded for me the earth, so much so that I saw its easts and wests (i.e. the extremities). The kingdom of my community will reach as far as the earth was floded for me. The two treasures, the red and the white, were bestowed on me. I prayed to my Lord that He may not destroy my community by prevailing famine, and not give their control to an enemy who annihilates then en masse except from among themselves. My Lord said to me: Muhammad, If I make a decision, it is not withdrawn ; and I shall not destroy them by prevailing famine, and I shall not give their control to an enemy, except from among themselves, who exterminates them en masse, even if they are stormed from all sides of the earth ; only a section of them will destroy another section, and a section will captive another section. I am afraid about my community of those leaders who will lead astray. When the sword is used among my people, it will not be withdrawn from them till the Day of Resurrection, and the Last Hour will not come before the tribes of my people attach themselves to the polytheists and tribes of my people worship idols. There will be among my people thirty great liars each of them asserting that he is (Allah's) prophet, where as I am the seal of the Prophet s after whom (me) there will be no prophet ; and a section of my people will continue to hold to the truth - (according to the Ibn Isa's version: (will continue to dominate) - the agreed version goes: "and will not be injured by those who oppose them, till Allah's command comes
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يَنْبَعِثَ دَجَّالُونَ كَذَّابُونَ قَرِيبٌ مِنْ ثَلاَثِينَ كُلُّهُمْ يَزْعُمُ أَنَّهُ رَسُولُ اللَّهِ " . قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ وَابْنِ عُمَرَ . وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
বাংলা অনুবাদটি আলেমদের দ্বারা চূড়ান্ত যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রায় ত্রিশজন ডাহা মিথ্যাবাদী প্রতারকের আবির্ভাবের পূর্বে কিয়ামত সংঘটিত হবে না। তাদের সকলে দাবি করবে যে, সে আল্লাহ্ তা'আলার প্রেরিত রাসূল। সহীহ, সহীহাহ (১৬৮৩), বুখারী, মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, জাবির ইবনু সামুরা ও ইবনু উমর (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
Abu Hurairah narrated that the Messenger of Allah(s.a.w) said:"The Hour shall not be established until nearly thirty imposters, Dajjal appear, each of them claiming that he is the Messenger of Allah
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَبِي أَسْمَاءَ الرَّحَبِيِّ، عَنْ ثَوْبَانَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى تَلْحَقَ قَبَائِلُ مِنْ أُمَّتِي بِالْمُشْرِكِينَ وَحَتَّى يَعْبُدُوا الأَوْثَانَ وَإِنَّهُ سَيَكُونُ فِي أُمَّتِي ثَلاَثُونَ كَذَّابُونَ كُلُّهُمْ يَزْعُمُ أَنَّهُ نَبِيٌّ وَأَنَا خَاتَمُ النَّبِيِّينَ لاَ نَبِيَّ بَعْدِي " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
বাংলা অনুবাদটি আলেমদের দ্বারা চূড়ান্ত যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।
সাওবান (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুশরিকদের সাথে আমার উম্মাতের কতিপয় গোত্র না মিলিত হওয়া পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না, এমনকি তারা মূর্তিপূজাও করবে। আমার উম্মাতের মধ্যে খুব শীঘ্রই ত্রিশজন ডাহা মিথ্যাবাদীর আবির্ভাব হবে। এদের সকলেই দাবি করবে যে সে নবী। অথচ আমিই সর্বশেষ নবী, আমার পরে কোন নবী নেই। সহীহ, মিশকাত (৫৪০৬), সহীহাহ (১৬৮৩)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
Thawban narrated that the Messenger of Allah(s.a.w) said:"The Hour shall not be established until tribes of my Ummah unite with the idolaters, and until they worship idols. And indeed there shall be thirty imposters in my Ummah,each of them claiming that he is a Prophet. And I am the last of the Prophets, there is no Prophet after me
এই আলামত সম্পর্কিত দুর্বল ও মান নির্ধারণহীন বর্ণনা
কেবলমাত্র গবেষণার সুবিধার্থে দেখানো হয়েছে, কোনো আমল বা আকিদার দলিল হিসেবে নয়। এর মধ্যে নুআইম ইবনে হাম্মাদের কিতাবুল ফিতানের বর্ণনাও রয়েছে, যা সার্বিকভাবে দুর্বল।
আমাদের নীতিমালায় মান নির্ধারিত নয়। সংকলিত মতামত নিচে দেওয়া হলো।
حدثنا أبو العباس محمد بن يعقوب، ثنا الحسن بن مكرم، ثنا أبو النضر، ثنا زهير، وثنا علي بن حمشاذ العدل، ثنا علي بن عبد العزيز، ثنا أبو نعيم، ثنا زهير، عن الأسود بن قيس، حدثني ثعلبة بن عباد العبدي، من أهل البصرة، أنه شهد خطبة يوما لسمرة بن جندب، فذكر في خطبته قال سمرة: بينما أنا يوما وغلام من الأنصار نرمي غرضا لنا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى إذا كانت الشمس على قدر رمحين، أو ثلاثة في عين الناظر من الأفق اسودت حتى آضت كأنها تنومة، فقال: أحدنا لصاحبه انطلق بنا إلى المسجد فوالله ليحدثن شأن هذه الشمس لرسول الله صلى الله عليه وسلم في أمته حدثا، فدفعنا إلى المسجد، فإذا هو بارز، " فوافقنا رسول الله صلى الله عليه وسلم حين خرج إلى الناس. قال: فتقدم وصلى بنا كأطول ما قام بنا في صلاة قط لا نسمع له صوته، ثم ركع بنا كأطول ما ركع بنا في صلاة قط لا نسمع له صوته، ثم سجد بنا كأطول ما سجد بنا في صلاة قط لا نسمع له صوته، قال: ثم فعل في الركعة الثانية مثل ذلك، قال: فوافق تجلي الشمس جلوسه في الركعة الثانية، قال: ثم سلم فحمد الله وأثنى عليه، وشهد أن لا إله إلا الله، وشهد أنه عبده ورسوله "، ثم قال: «يا أيها الناس إنما أنا بشر ورسول الله، فأذكركم الله إن كنتم تعلمون أني قصرت عن شيء من تبليغ رسالات ربي لما أخبرتموني حتى أبلغ رسالات ربي كما ينبغي لها أن تبلغ، وإن كنتم تعلمون أني قد بلغت رسالات ربي لما أخبرتموني» . قال: فقام الناس فقالوا: نشهد أنك قد بلغت رسالات ربك، ونصحت لأمتك وقضيت الذي عليك، قال: ثم سكتوا، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " أما بعد فإن رجالا يزعمون أن كسوف هذه الشمس، وكسوف هذا القمر، وزوال هذه النجوم عن مطالعها لموت رجال عظماء من أهل الأرض، وإنهم كذبوا ولكن آيات من آيات الله يفتن بها عباده لينظر من يحدث منهم توبة، والله لقد رأيت منذ قمت أصلي ما أنتم لاقون في دنياكم وآخرتكم، وإنه والله لا تقوم الساعة حتى يخرج ثلاثون كذابا آخرهم الأعور الدجال: ممسوح العين اليسرى كأنها عين أبي يحيى لشيخ من الأنصار، وإنه متى خرج، فإنه يزعم أنه الله، فمن آمن به وصدقه واتبعه فليس ينفعه صالح من عمل سلف، ومن كفر به وكذبه فليس يعاقب بشيء من عمله سلف، وإنه سيظهر على الأرض كلها إلا الحرم، وبيت المقدس، وإنه يحصر المؤمنين في بيت المقدس فيتزلزلون زلزالا شديدا، فيصبح فيهم عيسى ابن مريم فيهزمه الله وجنوده حتى إن أجدم الحائط، وأصل الشجر لينادي بالمؤمن هذا كافر يستتر بي فتعال اقتله ". قال: " فلن يكون ذلك حتى ترون أمورا يتفاقم شأنها في أنفسكم تساءلون بينكم: هل كان نبيكم صلى الله عليه وسلم ذكر لكم منها ذكرا، وحتى تزول جبال عن مراسيها، ثم على أثر ذلك القبض "، وأشار بيده، قال: ثم شهد خطبة أخرى قال: فذكر هذا الحديث ما قدمها ولا أخرها. «هذا حديث صحيح على شرط الشيخين، ولم يخرجاه»
অনুবাদ প্রক্রিয়াধীন। আপাতত কেবল মূল আরবি পাঠ্য।
এটি একটি প্রাথমিক AI অনুবাদ, এখনও আলেম বা সম্পাদক কর্তৃক পরীক্ষিত নয়। নির্ভুল অর্থের জন্য মূল আরবি পাঠ্য দেখুন।
আমাদের নীতিমালায় মান নির্ধারিত নয়। সংকলিত মতামত নিচে দেওয়া হলো।
فحدثنا أبو العباس محمد بن يعقوب، ثنا محمد بن سنان القزاز، ثنا إسحاق بن إدريس، ثنا أبان بن يزيد، ثنا يحيى بن أبي كثير، ثنا أبو قلابة عبد الله بن زيد الجرمي، حدثني أبو أسماء الرحبي، أن ثوبان حدثه، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: " إن ربي زوى لي الأرض حتى رأيت مشارقها ومغاربها، وأعطاني الكنزين الأحمر والأبيض، وإن أمتي سيبلغ ملكها ما زوى لي منها، وإني سألت ربي لأمتي أن لا يهلكها بسنة عامة فأعطانيها، وسألته أن لا يسلط عليهم عدوا من غيرهم فأعطانيها، وسألته أن لا يذيق بعضهم بأس بعض فمنعنيها، وقال: يا محمد إني إذا قضيت قضاء لم يرد إني أعطيتك لأمتك أن لا أهلكها بسنة عامة، ولا أظهر عليهم عدوا من غيرهم فيستبيحهم بعامة، ولو اجتمع من بأقطارها حتى يكون بعضهم هو يهلك بعضا هو يسبي بعضا، وإني لا أخاف على أمتي إلا الأئمة المضلين، ولن تقوم الساعة حتى تلحق قبائل من أمتي بالمشركين، وحتى تعبد قبائل من أمتي الأوثان، وإذا وضع السيف في أمتي لم يرفع عنها إلى يوم القيامة "، وأنه قال: «كل ما يوجد في مائة سنة، وسيخرج في أمتي كذابون ثلاثون كلهم يزعم أنه نبي، وأنا خاتم الأنبياء، لا نبي بعدي، ولكن لا تزال في أمتي طائفة يقاتلون على الحق ظاهرين لا يضرهم من خذلهم حتى يأتي أمر الله» ، قال: وزعم «أنه لا ينزع رجل من أهل الجنة من ثمرها شيئا إلا أخلف الله مكانها مثلها» ، وأنه قال: «ليس دينار ينفقه رجل بأعظم أجرا من دينار ينفقه على عياله، ثم دينار ينفقه على فرسه في سبيل الله، ثم دينار ينفقه على أصحابه في سبيل الله» ، قال: وزعم " أن نبي الله صلى الله عليه وسلم عظم شأن المسألة، وأنه إذا كان يوم القيامة جاء أهل الجاهلية يحملون أوثانهم على ظهورهم، فيسألهم ربهم عز وجل: ما كنتم تعبدون؟ فيقولون: ربنا لم ترسل إلينا رسولا، ولم يأتنا أمر ولو أرسلت إلينا رسولا لكنا أطوع عبادك لك، فيقول لهم ربهم: أرأيتم إن أمرتكم بأمر أتطيعوني؟ قال: فيقولون: نعم. قال: فيأخذ مواثيقهم على ذلك، فيأمرهم أن يعمدوا لجهنم فيدخلونها، قال: فينطلقون حتى إذا جاءوها رأوا لها تغيظا وزفيرا، فهابوا فرجعوا إلى ربهم، فقالوا: ربنا فرقنا منها، فيقول: ألم تعطوني مواثيقكم لتطيعوني، اعمدوا لها فادخلوا، فينطلقون حتى إذا رأوها فرقوا فرجعوا، فقالوا: ربنا لا نستطيع أن ندخلها، قال: فيقول: ادخلوها داخرين " قال: فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم: «لو دخلوها أول مرة كانت عليهم بردا وسلاما» هذا حديث صحيح على شرط الشيخين، ولم يخرجاه بهذه السياقة، وإنما أخرج مسلم حديث معاذ بن هشام، عن قتادة، عن أبي قلابة، عن أبي أسماء الرحبي، عن ثوبان مختصرا "
অনুবাদ প্রক্রিয়াধীন। আপাতত কেবল মূল আরবি পাঠ্য।
এটি একটি প্রাথমিক AI অনুবাদ, এখনও আলেম বা সম্পাদক কর্তৃক পরীক্ষিত নয়। নির্ভুল অর্থের জন্য মূল আরবি পাঠ্য দেখুন।
আমাদের নীতিমালায় মান নির্ধারিত নয়। সংকলিত মতামত নিচে দেওয়া হলো।
حدثنا أبو الوليد، حدثنا عبيد الله بن إياد بن لقيط، حدثنا إياد، عن عبد الرحمن بن نعم أو نعيم الأعرجي - شك أبو الوليد - قال: سأل رجل ابن عمر عن المتعة؟ وأنا عنده متعة النساء، فقال: والله ما كنا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم زانين ولا مسافحين، ثم قال: والله لقد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: " ليكونن قبل يوم القيامة المسيح الدجال، وكذابون ثلاثون أو أكثر " . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . • 5695 - قال عبد الله بن أحمد، حدثنا جعفر بن حميد، حدثنا عبيد الله بن إياد بن لقيط، أخبرنا إياد، عن عبد الرحمن الأعرجي، عن ابن عمر، ولم يشك فيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله
অনুবাদ প্রক্রিয়াধীন। আপাতত কেবল মূল আরবি পাঠ্য।
এটি একটি প্রাথমিক AI অনুবাদ, এখনও আলেম বা সম্পাদক কর্তৃক পরীক্ষিত নয়। নির্ভুল অর্থের জন্য মূল আরবি পাঠ্য দেখুন।
আমাদের নীতিমালায় মান নির্ধারিত নয়। সংকলিত মতামত নিচে দেওয়া হলো।
حدثنا عفان، حدثنا عبيد الله بن إياد قال: حدثنا إياد يعني ابن لقيط، عن عبد الرحمن بن نعيم الأعرجي قال: سأل رجل ابن عمر وأنا عنده عن المتعة؟ - متعة النساء - فغضب وقال: والله ما كنا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم زنائين ولا مسافحين، ثم قال: والله لقد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: " ليكونن قبل المسيح الدجال كذابون ثلاثون، أو أكثر "، [قال عبد الله بن أحمد] : قال أبي: وقال أبو الوليد يعني الطيالسي: " قبل يوم القيامة "
অনুবাদ প্রক্রিয়াধীন। আপাতত কেবল মূল আরবি পাঠ্য।
এটি একটি প্রাথমিক AI অনুবাদ, এখনও আলেম বা সম্পাদক কর্তৃক পরীক্ষিত নয়। নির্ভুল অর্থের জন্য মূল আরবি পাঠ্য দেখুন।
মুহাদ্দিস ও আলেমদের মতামত
আলেমদের মতে এটি আংশিক প্রকাশ পেয়েছে, কিংবা এ নিয়ে মতভেদ রয়েছে
ব্যাখ্যা করেছেন যে ত্রিশজন মিথ্যাবাদী বলতে পাগলামির বশে দাবি করা সবাইকে বোঝায় না, বরং যাদের রাজনৈতিক/সামরিক প্রভাব (শাওকা), বিভ্রান্তিকর কূটতর্ক এবং বিশাল অনুসারী দল তৈরি হয়েছিল তাদের বোঝানো হয়েছে।
ইবনে হাজার আসকালানি · ফাতহুল বারি, সহিহ বুখারি ৩৬০৯ ও ৭১২১-এর ব্যাখ্যা
উল্লেখ করেছেন যে এই ত্রিশজন ক্ষুদ্র দাজ্জাল মূলত শেষ জমানার মহা-দাজ্জালের (আল-মাসীহ আদ-দাজ্জাল) পথ তৈরি করে, যে নবুওয়াতের গণ্ডি পেরিয়ে সরাসরি খোদায়ী (রুবূবিয়্যাত) দাবি করবে।
ইমাম কুরতুবি · আত-তাযকিরা ফি আহওয়ালিল মাওতা ওয়া উমুরিল আখিরাহ
বলেছেন যে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর যুগ থেকে শুরু করে উমাইয়া ও আব্বাসীয় যুগজুড়ে এদের একটি বড় অংশ আবির্ভূত হয়েছে এবং কিয়ামত পর্যন্ত অবশিষ্টরা ধারাবাহিকভাবে আসতে থাকবে।
ইমাম নববি · শরহে সহিহ মুসলিম, হাদিস ১৫৭ ও ২৯২৩
খসড়া পর্যালোচনা: চূড়ান্ত রূপ দেওয়ার আগে প্রতিটি উদ্ধৃতি মূল কিতাবের সাথে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য
ত্রিশজন ভণ্ড নবীর ভবিষ্যদ্বাণী সরাসরি ইসলামের মৌলিক আকিদা 'খাতামুন্নাবিয়্যীন' (সূরা আল-আহযাব ৩৩:৪০)-এর সত্যতাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে। রাসূলুল্লাহ ﷺ দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেছেন: 'আমিই শেষ নবী, আমার পরে কোনো নবী নেই' (তিরমিযী ২২১৯)। আরবী ব্যাকরণে 'লা নাবিয়্যা বা'দী' হলো লা-নাফিয়াহ লিল জিনস—যা নতুন শরীয়তধারী, ছায়া (বুরূযী) বা উম্মতী—যাবতীয় প্রকারের নবুওয়াতের সম্ভাবনাকে চিরতরে রুদ্ধ করে। বিস্তারিত জানতে পূর্ণাঙ্গ নিবন্ধটি দেখুন: /articles/thirty-false-prophets-dajjals।
সমকালীন তথ্য ও বাস্তবতা
হাদিসের প্রাসঙ্গিকতায় সমকালীন বিশ্বের বাস্তব পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরা হয়েছে। কোনো আলামত বাস্তবায়িত হয়েছে কি না, তা এই পরিসংখ্যান দিয়ে নয়, বরং নির্ভরযোগ্য আলেমদের মতামতের আলোকেই বিবেচনা করতে হবে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুস্পষ্টভাবে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে, কিয়ামতের পূর্বে প্রায় ত্রিশজন চরম মিথ্যুক কাজ্জাব ও দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে, যাদের প্রত্যেকেই নিজেকে নবী দাবি করবে। সাথে সাথেই তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেন: 'আমিই শেষ নবী, আমার পরে কোনো নবী নেই' (সহীহ বুখারী ৩৬০৯, জামে তিরমিযী ২২১৯)। হাফিয ইবনে হাজার আসকালানী, ইমাম কুরতুবী ও ইমাম নববী ব্যাখ্যা করেছেন যে, এই ত্রিশজন বলতে সেই সব প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বোঝানো হয়েছে যাদের রাষ্ট্রীয় বা সামরিক প্রভাব, বিভ্রান্তিকর কূটতর্ক এবং বিশাল অনুসারী দল ছিল।
প্রাসঙ্গিক মূল হাদিসসমূহ: সহিহ বুখারি ৩৬০৯ · সহিহ বুখারি ৭১২১ · জামে তিরমিযি ২২১৯
মুহাদ্দিস ও মুফাসসিরদের ব্যাখ্যা
- ১ম যুগ (১০-১২ হিজরী): রিদ্দার যুগের দাবিদার — মুসাইলামাহ, আল-আসওয়াদ আল-আনসী, তুলাইহা (পরে তাওবা করেন), সাজাহ (নারী, পরে তাওবা করেন) ও লাকীত।
- ২য় যুগ (৬৬-১২০ হিজরী): উমাইয়া যুগের চরমপন্থী দাবিদার — আল-মুখতার আস-সাকাফী (হাদীসে বর্ণিত সাকীফের কাজ্জাব), আল-হারিস কাজ্জাব, বায়ান ইবনে সামআন ও আল-মুগীরাহ।
- ৩য় যুগ (১২৭–৪১১ হিজরি): মধ্যযুগের দাবিদার — সালিহ ইবনে তারিফ (বারবার কুরআন), উস্তাদ সিস, আল-মুকান্না (মুখোশধারী), বাবাক, যানজ নেতা, গুমারার হা-মিম, আল-মুতানাব্বি (পরে দাবি প্রত্যাহার করে), শালমাগানি এবং আল-হাকিমের পক্ষে করা ঐশিত্বের দাবি।
- ৪র্থ যুগ (৮ম হিজরি শতক – বর্তমান): পরবর্তী দাবিদার — ফজলুল্লাহ আস্তারাবাদি, মাহমুদ পাসিখানি, সাইয়িদ মুহাম্মাদ জৌনপুরী (মাহদি দাবি), বাব, বাহাউল্লাহ, মির্জা গোলাম আহমদ, ইলাইজা মুহাম্মাদ, রাশাদ খলিফা ও লিয়া ইডেন। প্রত্যেকের সাথে সেই আলেম বা প্রতিষ্ঠানের নাম আছে যারা দাবিটি নিয়ে রায় দিয়েছেন; এই পরিচয় আজকের অনুসারীদের ওপর আরোপিত হয় না।
১০–১১ হি. · ৬৩২ খ্রি.আল-আসওয়াদ আল-আনসিالأسود العنسيইয়েমেন (নাজরান, সানা)রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনের শেষ বছরে নবুওয়াত দাবি করে; 'যুল-খিমার' (পর্দাবৃত) নামে পরিচিত।১১ হিজরিতে সানায় ফাইরুয আদ-দাইলামির হাতে নিহত
আনস গোত্রের এই গণক নাজরান থেকে বাহিনী নিয়ে সানা দখল করে এবং গভর্নর শাহর ইবনে বাযানকে হত্যা করে। প্রায় তিন-চার মাসের মধ্যে ফাইরুয আদ-দাইলামি ও তাঁর সঙ্গীরা তাকে তার প্রাসাদে হত্যা করেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর ইন্তেকালের অল্প আগে। সহিহ বুখারিতে আছে, রাসুলুল্লাহ ﷺ স্বপ্নে দুটি সোনার কাঁকন দেখে তার ব্যাখ্যা করেন দুই মিথ্যাবাদী হিসেবে, যারা তাঁর পরে বের হবে; বর্ণনাকারী উবাইদুল্লাহ বলেন, তারা হলো আনসি ও মুসাইলামা।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- সহিহ বুখারি ৪৩৭৯ (বর্ণনাকারীর শনাক্তকরণ)
- উৎস ও রেফারেন্স
- Sahih al-Bukhari 4379 · Wikipedia: al-Aswad al-Ansi
১০–১২ হি. · ৬৩২–৬৩৩ খ্রি.মুসাইলামা ইবনে হাবিবمسيلمة بن حبيبইয়ামামা, মধ্য আরবরাসুলুল্লাহ ﷺ-কে চিঠি লিখে নবুওয়াতের অংশীদারত্ব দাবি করে এবং কুরআনের অনুকরণে ছন্দোবদ্ধ বাক্য রচনা করে।১২ হিজরিতে ইয়ামামার (আকরাবা) যুদ্ধে নিহত
বনু হানিফা গোত্রের। তার চিঠি শুরু হয়েছিল 'আল্লাহর রাসুল মুসাইলামার পক্ষ থেকে' দিয়ে; রাসুলুল্লাহ ﷺ উত্তরে তাকে 'মুসাইলামাতুল কাযযাব' (মিথ্যাবাদী) সম্বোধন করেন, যে নাম তার সাথে থেকে যায়। রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর ইন্তেকালের পর সে রিদ্দার সবচেয়ে বড় বাহিনীর নেতৃত্ব দেয়। খালিদ ইবনুল ওয়ালিদের নেতৃত্বে আবু বকর (রা.)-এর বাহিনী আকরাবায় তার মুখোমুখি হয়; পরে 'মৃত্যুর বাগান' নামে পরিচিত প্রাচীরঘেরা বাগানে সে নিহত হয়। তাবারি তার হত্যাকারীদের মধ্যে ওয়াহশি ইবনে হারবের নাম উল্লেখ করেছেন।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- সহিহ বুখারি ৪৩৭৯; তাবারি, তারিখ, ১১–১২ হিজরির ঘটনা
- উৎস ও রেফারেন্স
- Sahih al-Bukhari 4379 · Wikipedia: Musaylimah
৯–১১ হি. · ৬৩১–৬৩২ খ্রি.তুলাইহা ইবনে খুওয়াইলিদ আল-আসাদিطليحة بن خويلد الأسديনজদ (বনু আসাদ), বুযাখাদাবি করে যে ফেরেশতা তার কাছে ওহি আনে; রিদ্দার সময় বনু আসাদ, গাতাফান ও তাইয়ের নেতৃত্ব দেয়।১১ হিজরিতে বুযাখায় পরাজিত; পরে ইসলামে ফিরে আসেন
রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর জীবদ্দশাতেই সে প্রথম দাবি করে। খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ বুযাখায় তার বাহিনী ভেঙে দিলে সে শামে পালিয়ে যায়। পরে তিনি ইসলামে ফিরে আসেন, উমর (রা.)-এর খিলাফতকালে হজ করেন এবং ইরাক ও পারস্যের অভিযানে অংশ নেন; ঐতিহাসিকরা লিখেছেন, ২১ হিজরিতে নাহাওয়ান্দে তিনি শহিদ হন।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- তাবারি, তারিখ, ১১ হিজরির ঘটনা; ইবনে হাজার, আল-ইসাবা
- উৎস ও রেফারেন্স
- Wikipedia: Tulayha ibn Khuwaylid
১১ হি. · ৬৩২ খ্রি.সাজাহ বিনতে আল-হারিসسجاح بنت الحارث التميميةউত্তর মেসোপটেমিয়া, পরে নজদ (বনু তামিম)এক গণক নারী, যে নবুওয়াত দাবি করে তাগলিব ও তামিম গোত্রের অনুসারীদের নিয়ে দক্ষিণে অগ্রসর হয়।মুসাইলামার সাথে জোট করে পরে ফিরে যায়; পরে ইসলাম গ্রহণ করে বসরায় মারা যান
বনু তামিমের নারী, আল-জাযিরার খ্রিস্টান তাগলিব গোত্রে বেড়ে ওঠেন। ইয়ামামায় এসে মুসাইলামার সাথে চুক্তি করেন; তাবারি বর্ণনা করেছেন, তিনি তাকে বিয়ে করেন এবং মুসাইলামা মোহর হিসেবে তার গোত্রের জন্য দুই ওয়াক্ত নামাজ বাদ দেয়। মুসাইলামা নিহত হলে তিনি গোত্রে ফিরে যান; ঐতিহাসিকরা লিখেছেন, পরে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং মুআবিয়া (রা.)-এর সময় পর্যন্ত বসরায় ছিলেন।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- তাবারি, তারিখ, ১১ হিজরির ঘটনা; ইবনে কাসির, আল-বিদায়া
- উৎস ও রেফারেন্স
- Wikipedia: Sajah · Ibn Kathir, al-Bidayah wa'l-Nihayah
১১ হি. · ৬৩২ খ্রি.লাকিত ইবনে মালিক আল-আযদিلقيط بن مالك الأزديওমান (দিব্বা)'যুত-তাজ' (মুকুটধারী) নামে পরিচিত; নবুওয়াত দাবি করে ওমানের মুসলিম শাসকদের তাড়িয়ে দেয়।১১ হিজরিতে দিব্বার যুদ্ধে নিহত
রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর ইন্তেকালের পর সে ওমানের আযদ গোত্রে বিদ্রোহ করে এবং সেখানকার মুসলিম শাসক জাইফার ও আবদকে তাড়িয়ে দেয়। আবু বকর (রা.) হুযাইফা ইবনে মিহসান ও আরফাজা আল-বারিকিকে পাঠান, পরে ইকরিমা ইবনে আবি জাহল তাঁদের সাথে যোগ দেন; তাবারির বর্ণনামতে দিব্বায় লাকিত নিহত হয়।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- তাবারি, তারিখ, ১১ হিজরির ঘটনা
- উৎস ও রেফারেন্স
- Wikipedia: Battle of Dibba
৬৬–৬৭ হি. · ৬৮৫–৬৮৭ খ্রি.আল-মুখতার ইবনে আবি উবাইদ আস-সাকাফিالمختار بن أبي عبيد الثقفيকুফা, ইরাকহুসাইন (রা.)-এর হত্যার প্রতিশোধের নামে বিদ্রোহ করে; ঐতিহাসিকদের বর্ণনামতে সে দাবি করত জিবরিল তার কাছে ওহি নিয়ে আসেন।৬৭ হিজরিতে কুফায় মুসআব ইবনুয যুবাইরের বাহিনীর হাতে নিহত
সে প্রায় আঠারো মাস কুফা শাসন করে এবং হুসাইন (রা.)-এর হত্যায় জড়িতদের খুঁজে বের করে। আসমা বিনতে আবি বকর (রা.) হাজ্জাজকে বলেছিলেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন সাকিফ গোত্র থেকে এক মিথ্যাবাদী ও এক ধ্বংসকারী আসবে (সহিহ মুসলিম ২৫৪৫); নববি ব্যাখ্যা করেছেন, আলেমগণ মিথ্যাবাদী বলতে মুখতারকে বুঝিয়েছেন, যে দাবি করত জিবরিল তার কাছে আসেন।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- নববি, শরহে সহিহ মুসলিম, ২৫৪৫-এর ব্যাখ্যা
- উৎস ও রেফারেন্স
- Sahih Muslim 2545 · Wikipedia: Mukhtar al-Thaqafi
আনু. ৭৯ হি. · ৬৯৮ খ্রি.আল-হারিস ইবনে সাঈদالحارث بن سعيد الكذابদামেস্ক, সিরিয়াদামেস্কের এক ইবাদতগুজার ব্যক্তি, যে নবুওয়াত দাবি করে অনুসারীদের অলৌকিক মনে হওয়া কাণ্ড দেখাত।খলিফা আবদুল মালিকের আমলে গ্রেপ্তার ও মৃত্যুদণ্ড
ইবনে কাসির লিখেছেন, দাবি করার আগে সে ইবাদতের জন্য পরিচিত ছিল এবং দামেস্কের লোকেরা তার বিষয়ে সতর্ক করেছিল। আবদুল মালিক ইবনে মারওয়ান তাকে গ্রেপ্তার করে মৃত্যুদণ্ড দেন। সে 'আল-হারিস আল-কাযযাব' (মিথ্যাবাদী) নামে পরিচিত।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- ইবনে কাসির, আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৭৯ হিজরির ঘটনা
- উৎস ও রেফারেন্স
- Ibn Kathir, al-Bidayah wa'l-Nihayah
১১৯ হি. · ৭৩৭ খ্রি.বায়ান ইবনে সামআনبيان بن سمعانকুফা, ইরাকদাবি করে যে 'এটি মানুষের জন্য বর্ণনা (বায়ান)' (আলে ইমরান ৩:১৩৮) আয়াতটি তাকে নিয়ে, এবং শেখাত যে ঐশী সত্তা তার মধ্যে প্রবেশ করেছে।১১৯ হিজরিতে গভর্নর খালিদ আল-কাসরির আদেশে আগুনে পুড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড
বায়ানিয়া দলের প্রতিষ্ঠাতা। ফিরকা-বিষয়ক লেখকরা বর্ণনা করেছেন, সে মুহাম্মাদ আল-বাকিরকে চিঠি লিখে তার দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানায়। ইরাকের গভর্নর খালিদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-কাসরি তাকে আল-মুগিরা ইবনে সাঈদের সাথে মৃত্যুদণ্ড দেন।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- আবদুল কাহির আল-বাগদাদি, আল-ফারক বাইনাল ফিরাক; তাবারি, ১১৯ হিজরির ঘটনা
- উৎস ও রেফারেন্স
- Wikipedia: Bayan ibn Sam'an al-Tamimi · al-Baghdadi, al-Farq bayn al-Firaq
১১৯ হি. · ৭৩৭ খ্রি.আল-মুগিরা ইবনে সাঈদ আল-ইজলিالمغيرة بن سعيد العجليকুফা, ইরাকআল্লাহর দেহধারী রূপের কথা শেখাত এবং ইসমে আজম জানার দাবি করত, যা দিয়ে সে মৃতকে জীবিত করতে পারে বলে দাবি করত।১১৯ হিজরিতে বায়ানের সাথে খালিদ আল-কাসরির আদেশে মৃত্যুদণ্ড
মুগিরিয়া দলের প্রতিষ্ঠাতা। বাগদাদি ও শাহরাস্তানি লিখেছেন, সে নবুওয়াত দাবি করেছিল। কুফার কাছে ছোট একটি দল নিয়ে বিদ্রোহ করলে তাকে বন্দি করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- বাগদাদি, আল-ফারক বাইনাল ফিরাক; শাহরাস্তানি, আল-মিলাল ওয়ান-নিহাল
- উৎস ও রেফারেন্স
- al-Baghdadi, al-Farq bayn al-Firaq · al-Shahrastani, al-Milal wa'l-Nihal
আনু. ১২০–১২৪ হি. · ৭৩৮–৭৪২ খ্রি.আবু মানসুর আল-ইজলিأبو منصور العجليকুফা, ইরাকদাবি করে যে তাকে আসমানে তোলা হয়েছিল এবং সে-ই 'আকাশের খণ্ড' (কিসফ, তুর ৫২:৪৪); শেখাত যে নবুওয়াত চলমান।গভর্নর ইউসুফ ইবনে উমর আস-সাকাফির আদেশে মৃত্যুদণ্ড
মানসুরিয়া দলের প্রতিষ্ঠাতা। ফিরকা-বিষয়ক লেখকরা লিখেছেন, তার অনুসারীরা বিরোধীদের শ্বাসরোধ করে হত্যা বৈধ মনে করত। ১২০ থেকে ১২৬ হিজরি পর্যন্ত ইরাকের গভর্নর ইউসুফ ইবনে উমর তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- বাগদাদি, আল-ফারক বাইনাল ফিরাক; শাহরাস্তানি, আল-মিলাল ওয়ান-নিহাল
- উৎস ও রেফারেন্স
- al-Baghdadi, al-Farq bayn al-Firaq · al-Shahrastani, al-Milal wa'l-Nihal
১২৭ হি. · ৭৪৪ খ্রি.সালিহ ইবনে তারিফصالح بن طريفতামাসনা, আটলান্টিক উপকূলের মরক্কো (বারগাওয়াতা)নবুওয়াত দাবি করে বারবার ভাষায় ৮০ সুরার 'কুরআন' রচনা করে; দৈনিক দশ ওয়াক্ত নামাজ ও রমজানের বদলে রজবে রোজা চালু করে।ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পূর্বে চলে যায়; বারগাওয়াতা রাষ্ট্র ৬ষ্ঠ হিজরি শতক পর্যন্ত টিকে ছিল
বাকরি তার বিধানগুলো বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন। তার বংশধররা প্রায় চার শতাব্দী বারগাওয়াতা শাসন করে। মুরাবিতুন আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াসিন ৪৫১ হিজরিতে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে শহিদ হন; ৬ষ্ঠ হিজরি শতকের মাঝামাঝি মুওয়াহহিদুনরা রাষ্ট্রটির অবসান ঘটায়।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- বাকরি, আল-মাসালিক ওয়াল-মামালিক; ইবনে খালদুন, কিতাবুল ইবার
- উৎস ও রেফারেন্স
- Wikipedia: Salih ibn Tarif · Wikipedia: Barghawata
১৫০–১৫১ হি. · ৭৬৭–৭৬৮ খ্রি.উস্তাদ সিসأستاذسيسবাদগিস ও হেরাত, খোরাসাননবুওয়াত দাবি করে খোরাসানে বড় বিদ্রোহ গড়ে তোলে; তাবারির হিসাবে তার বাহিনী প্রায় তিন লাখ।খাযিম ইবনে খুযাইমার কাছে পরাজিত; বন্দি করে বাগদাদে পাঠানো হয়
খলিফা মানসুরের আমলে, যুবরাজ মাহদি যখন খোরাসানে ছিলেন, তখন এই বিদ্রোহ হয়। শুরুতে আব্বাসি সেনাপতিদের হারালেও পাহাড়ে অবরুদ্ধ হয়ে সে খাযিম ইবনে খুযাইমার কাছে আত্মসমর্পণ করে।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- তাবারি, তারিখ, ১৫০ হিজরির ঘটনা
- উৎস ও রেফারেন্স
- Wikipedia: Ustadh Sis
১৫৯–১৬৩ হি. · ৭৭৬–৭৮০ খ্রি.আল-মুকান্না (হাশিম ইবনে হাকিম)المقنع الخراسانيমার্ভ ও কিশ, মা ওয়ারাআন্নাহর'মুখোশধারী'; দাবি করত ঐশী আত্মা নবীদের মধ্য দিয়ে এসে তার মধ্যে প্রবেশ করেছে।সানাম দুর্গে অবরুদ্ধ; দুর্গের পতনের সময় আগুনে মৃত্যু, আনু. ১৬৩ হি.
সে সবুজ রেশমের পর্দা বা সোনার মুখোশ পরত বলে বর্ণিত; সাদা পোশাকধারী 'মুবাইয়িদা' দল তাকে সমর্থন করত। নারশাখি লিখেছেন, সে কুয়া থেকে 'নাখশাবের চাঁদ' উঠিয়ে দেখাত। নারশাখির বর্ণনামতে আব্বাসি বাহিনী সানাম দখল করলে সে পরিবারকে বিষ দিয়ে নিজে আগুনে ঝাঁপ দেয়।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- নারশাখি, তারিখে বুখারা; তাবারি, ১৬১–১৬৩ হিজরির ঘটনা
- উৎস ও রেফারেন্স
- Wikipedia: al-Muqanna
২০১–২২৩ হি. · ৮১৬–৮৩৮ খ্রি.বাবাক খুররামদিনبابك الخرميআজারবাইজান (বায দুর্গ)খুররামিয়া দলের নেতা, যারা আত্মার পুনর্জন্মে বিশ্বাস করত; দাবি করত পূর্ববর্তী নেতা জাভিদানের আত্মা তার মধ্যে প্রবেশ করেছে।২২২ হিজরিতে বন্দি; ২২৩ হিজরিতে মুতাসিমের আদেশে সামাররায় মৃত্যুদণ্ড
তার বিদ্রোহ প্রায় বিশ বছর চলে এবং কয়েকটি আব্বাসি বাহিনীকে পরাজিত করে। ২২২ হিজরিতে সেনাপতি আফশিন বায দুর্গ দখল করেন; বাবাক পালালেও তাকে ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং সামাররায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- তাবারি, তারিখ, ২০১–২২৩ হিজরির ঘটনা; বাগদাদি, আল-ফারক বাইনাল ফিরাক
- উৎস ও রেফারেন্স
- Wikipedia: Babak Khorramdin
২৫৫–২৭০ হি. · ৮৬৯–৮৮৩ খ্রি.আলি ইবনে মুহাম্মাদ, যানজ বিদ্রোহের নেতাعلي بن محمد صاحب الزنجবসরা ও দক্ষিণ ইরাকআলি (রা.)-এর বংশধর হওয়ার দাবি করে; বলত তার কাছে আয়াত নাযিল হয় এবং সে গায়েব জানে।২৭০ হিজরিতে আব্বাসি রাজপ্রতিনিধি মুওয়াফফাকের বাহিনীর হাতে নিহত
দক্ষিণ ইরাকের জলাভূমিতে দাস হিসেবে খাটানো যানজ শ্রমিকদের বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয় এবং ২৫৭ হিজরিতে বসরা লুট করে। তাবারি তার ওহির দাবিগুলো বর্ণনা করেছেন। মুওয়াফফাক তার রাজধানী মুখতারা দখল করেন এবং ২৭০ হিজরিতে সে নিহত হয়।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- তাবারি, তারিখ, ২৫৫–২৭০ হিজরির ঘটনা
- উৎস ও রেফারেন্স
- Wikipedia: Zanj Rebellion
আনু. ৩১৩–৩১৫ হি. · ৯২৫–৯২৭ খ্রি.হা-মিম ইবনে মান্নাল্লাহحاميم بن من اللهগুমারা, উত্তর মরক্কো (তেতুয়ানের কাছে)নবুওয়াত ও বারবার ভাষায় ওহির দাবি করে; রমজান কমিয়ে দেয়, হজ বাদ দেয় এবং শূকরের মাংস হালাল করে।আনু. ৩১৫ হিজরিতে তানজিয়ারের কাছে মাসমুদা গোত্রের সাথে যুদ্ধে নিহত
ঐতিহাসিকরা তাকে 'আল-মুফতারি' (জালিয়াত) বলেছেন। ইবনে খালদুন তার বারবার 'ওহির' কিছু অংশ আরবিতে উদ্ধৃত করেছেন। তার পরে ছেলে ঈসা কিছুকাল ক্ষমতায় ছিল, তবে আন্দোলনটি মিলিয়ে যায়।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- ইবনে খালদুন, কিতাবুল ইবার; বাকরি, আল-মাসালিক ওয়াল-মামালিক
- উৎস ও রেফারেন্স
- Wikipedia: Ha-Mim
আনু. ৩২১–৩২২ হি. · ৯৩৩–৯৩৪ খ্রি.আবুত তাইয়িব আল-মুতানাব্বিأبو الطيب المتنبيসামাওয়া মরুভূমি, সিরিয়াতরুণ বয়সে বনু কালব গোত্রে নবুওয়াত দাবি করে ছন্দোবদ্ধ 'ওহি' শোনাত; তার নাম 'আল-মুতানাব্বি' (নবী হওয়ার দাবিদার) এখান থেকেই।হিমসে বন্দি হয়ে দাবি প্রত্যাহার করে; পরে আরবির সবচেয়ে বিখ্যাত কবি হয় (মৃ. ৩৫৪ হি.)
খতিব বাগদাদি ও ইবনে খাল্লিকান ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন। হিমসের গভর্নর লুলু তাকে বন্দি করেন এবং দাবি প্রত্যাহারের পর ছেড়ে দেন। বাকি জীবন সে দরবারি কবি হিসেবে কাটায় এবং ৩৫৪ হিজরিতে বাগদাদের পথে নিহত হয়।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- খতিব বাগদাদি, তারিখে বাগদাদ; ইবনে খাল্লিকান, ওয়াফায়াতুল আইয়ান
- উৎস ও রেফারেন্স
- Wikipedia: al-Mutanabbi
৩২২ হি. · ৯৩৪ খ্রি.মুহাম্মাদ ইবনে আলি আশ-শালমাগানিمحمد بن علي الشلمغانيবাগদাদ, ইরাকএক সময়ের ইমামি আলেম, যে শেখাত ঐশী সত্তা তার মধ্যে প্রবেশ করেছে।৩২২ হিজরিতে খলিফা রাদির আমলে বাগদাদে বিচার ও মৃত্যুদণ্ড
ইবনে আবিল আযাকির নামে পরিচিত। সে ইমামি প্রতিনিধিদের ঘনিষ্ঠ ছিল; তাদের শেষজন প্রকাশ্যে তাকে নিন্দা করেন। খলিফা রাদির আমলে ফকিহদের সামনে তার বিচার হয় এবং তাঁদের রায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- ইবনুল আসির, আল-কামিল ফিত-তারিখ, ৩২২ হিজরির ঘটনা
- উৎস ও রেফারেন্স
- Ibn al-Athir, al-Kamil fi'l-Tarikh
৪০৮–৪১১ হি. · ১০১৭–১০২১ খ্রি.আল-হাকিম বি-আমরিল্লাহ (তার পক্ষে করা দাবি)الحاكم بأمر اللهকায়রো, মিশরতার দরবারের প্রচারক দারাযি ও হামযা ইবনে আলি তাকে ঐশী সত্তার প্রকাশ বলে ঘোষণা করে; তিনি নিজে কতটা সমর্থন করেছিলেন, তা নিয়ে ঐতিহাসিকদের মতভেদ আছে।৪১১ হিজরিতে মুকাত্তাম পাহাড়ে নিখোঁজ
ফাতেমি বংশের ষষ্ঠ খলিফা। ইবনে কাসির লিখেছেন, তিনি ঐশিত্বের দাবির দিকে ঝুঁকেছিলেন; দারাযির প্রচারের পর কায়রোতে দাঙ্গা হয়। ৪১১ হিজরিতে রাতে ঘোরার সময় তিনি নিখোঁজ হন; তার গাধা ও রক্তমাখা পোশাক পাওয়া যায়।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- ইবনে কাসির, আল-বিদায়া, ৪১১ হিজরির ঘটনা; ইবনে খাল্লিকান, ওয়াফায়াতুল আইয়ান
- উৎস ও রেফারেন্স
- Wikipedia: al-Hakim bi-Amr Allah · Ibn Kathir, al-Bidayah wa'l-Nihayah
আনু. ৭৮৮–৭৯৬ হি. · ১৩৮৬–১৩৯৪ খ্রি.ফজলুল্লাহ আস্তারাবাদিفضل الله أسترآباديআস্তারাবাদ, তাবরিজ ও শিরওয়ানহুরুফি মতবাদের প্রতিষ্ঠাতা; দাবি করত আল্লাহ তার মধ্যে প্রকাশিত এবং বর্ণমালার অক্ষরেই ওহির অর্থ নিহিত।৭৯৬ হিজরিতে নাখচিভানের কাছে তিমুরের ছেলে মিরান শাহের আদেশে মৃত্যুদণ্ড
ফারসি গ্রন্থ 'জাভিদান-নামা'য় সে তার মতবাদ লেখে। তার মৃত্যুর পর অনুসারীরা হুরুফি মতবাদ আনাতোলিয়া ও বলকানে ছড়িয়ে দেয়।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- এনসাইক্লোপিডিয়া ইরানিকা, 'আস্তারাবাদি, ফজলুল্লাহ'
- উৎস ও রেফারেন্স
- Wikipedia: Fazlallah Astarabadi
আনু. ৮০০–৮৩১ হি. · ১৩৯৭–১৪২৮ খ্রি.মাহমুদ পাসিখানিمحمود پسیخانیগিলান, ইরাননুকতাভি দলের প্রতিষ্ঠাতা; শেখাত যে আরব নবুওয়াতের যুগ শেষ হয়ে তার মাধ্যমে নতুন যুগ শুরু হয়েছে।৮৩১ হিজরিতে আরাস নদীতে ডুবে মৃত্যু
নিজের দল গড়ার আগে সে ফজলুল্লাহ আস্তারাবাদির অনুসারী ছিল। পরে শাহ আব্বাসের আমলে নুকতাভিরা নিপীড়নের শিকার হয় এবং কেউ কেউ মুঘল ভারতে আশ্রয় নেয়।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- এনসাইক্লোপিডিয়া ইরানিকা, 'নুকতাভিয়া'
- উৎস ও রেফারেন্স
- Wikipedia: Mahmoud Pasikhani · Wikipedia: Nuqtavi
৯০১–৯১০ হি. · ১৪৯৬–১৫০৫ খ্রি.সাইয়িদ মুহাম্মাদ জৌনপুরীسيد محمد جونپوریজৌনপুর ও গুজরাট, ভারত; ফারাহ, আফগানিস্তাননিজেকে প্রতিশ্রুত মাহদি ঘোষণা করে; তার অনুসারীরা তাকে মানা বাধ্যতামূলক মনে করত।একাধিক শহর থেকে বহিষ্কৃত; ৯১০ হিজরিতে ফারাহে মৃত্যু
৮৪৭ হিজরিতে জৌনপুরে জন্ম। মক্কায় সে দাবি ঘোষণা করে এবং গুজরাটে আবার করে, যেখানে আলেমগণ তার বিরোধিতা করেন। পরের প্রজন্মে আলি আল-মুত্তাকি আল-হিন্দি এই দাবির জবাবে মাহদির আলামত বিস্তারিত লেখেন।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- আলি আল-মুত্তাকি আল-হিন্দি (মৃ. ৯৭৫ হি.), আল-বুরহান ফি আলামাতি মাহদি আখিরিয যামান
- উৎস ও রেফারেন্স
- Wikipedia: Muhammad Jaunpuri
১২৬০–১২৬৬ হি. · ১৮৪৪–১৮৫০ খ্রি.সাইয়িদ আলি মুহাম্মাদ শিরাজি, 'আল-বাব'علي محمد الشيرازي (الباب)শিরাজ ও তাবরিজ, ইরান১৮৪৪ সালে নিজেকে 'বাব' (দরজা), পরে 'কায়িম' ঘোষণা করে এবং কুরআনের বিধানের বদলে নতুন গ্রন্থ 'বায়ান' প্রকাশ করে।১৮৫০ সালে তাবরিজে গুলি করে মৃত্যুদণ্ড
১৮৪৮ সালে তাবরিজে যুবরাজ নাসিরুদ্দিনের উপস্থিতিতে আলেমগণ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন; এরপর তাকে বন্দি রাখা হয়। তার অনুসারীদের বিদ্রোহের পর ১৮৫০ সালের জুলাইয়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- তাবরিজে আলেমদের বিচারসভা (১৮৪৮); ইহসান ইলাহি যহির, আল-বাবিয়্যা: আরদ ওয়া নাকদ
- উৎস ও রেফারেন্স
- Wikipedia: the Bab
১৮৬৩–১৮৯২ খ্রি. · ১২৭৯–১৩০৯ হি.মির্জা হুসাইন আলি নুরি, 'বাহাউল্লাহ'ميرزا حسين علي النوري (بهاء الله)তেহরান, বাগদাদ, এদির্নে ও আক্কা১৮৬৩ সালে ঘোষণা করে যে বাব যার আগমনের কথা বলেছিল সে-ই তিনি; নতুন বিধান হিসেবে 'কিতাবে আকদাস' লেখে।উসমানীয়দের হাতে নির্বাসিত; ১৮৯২ সালে আক্কার কাছে বাহজিতে মৃত্যু
বাবের অনুসারী ছিল; ইরান থেকে বাগদাদে, পরে ইস্তাম্বুল, এদির্নে ও শেষে আক্কায় নির্বাসিত হয়। ১৯২৫ সালে মিশরের বেবার শরিয়া আদালত রায় দেয় যে তার শিক্ষা ইসলাম থেকে আলাদা একটি ধর্ম।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- বেবার শরিয়া আদালত, মিশর (১৯২৫)
- উৎস ও রেফারেন্স
- Wikipedia: Baha'u'llah
১৮৯১–১৯০৮ খ্রি. · ১৩০৮–১৩২৬ হি.মির্জা গোলাম আহমদميرزا غلام أحمد القاديانيকাদিয়ান, পাঞ্জাব১৮৯১ সালে নিজেকে প্রতিশ্রুত মসিহ ও মাহদি দাবি করে; ১৯০১ সাল থেকে নিজেকে নতুন শরিয়তবিহীন নবী বলে বর্ণনা করে।১৯০৮ সালে লাহোরে মৃত্যু
তার মৃত্যুর পর অনুসারীরা ভাগ হয়ে যায়: একটি দল তাকে নবী মনে করে, লাহোরি দল তাকে মুজাদ্দিদ (সংস্কারক) বলে। ওআইসির আন্তর্জাতিক ইসলামি ফিকহ একাডেমি (জেদ্দা, ডিসেম্বর ১৯৮৫) রায় দেয় যে তার নবুওয়াত ও ওহির দাবি খতমে নবুওয়াত অস্বীকারের শামিল।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- আন্তর্জাতিক ইসলামি ফিকহ একাডেমি, প্রস্তাব ৪ (৪/২), জেদ্দা ১৯৮৫
- উৎস ও রেফারেন্স
- IIFA Resolution 4 (4/2) · Wikipedia: Mirza Ghulam Ahmad
১৯৩৪–১৯৭৫ খ্রি.ইলাইজা মুহাম্মাদإيلايجا محمدডেট্রয়েট ও শিকাগো, যুক্তরাষ্ট্রশেখাত যে প্রতিষ্ঠাতা ডব্লিউ. ফার্ড মুহাম্মাদ স্বয়ং আল্লাহ এবং সে নিজে আল্লাহর রাসুল।১৯৭৫ সালে শিকাগোতে মৃত্যু
৪১ বছর সে 'নেশন অব ইসলাম'-এর নেতৃত্ব দেয়। তার মৃত্যুর পর ছেলে ও উত্তরসূরি ওয়ারিস দীন মুহাম্মাদ এই শিক্ষা প্রত্যাখ্যান করেন এবং অধিকাংশ সদস্যকে সুন্নি ইসলামে নিয়ে আসেন।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- ওয়ারিস দীন মুহাম্মাদ, তার ছেলে ও উত্তরসূরি (১৯৭৫ থেকে)
- উৎস ও রেফারেন্স
- Wikipedia: Elijah Muhammad
১৯৮৮–১৯৯০ খ্রি.রাশাদ খলিফাرشاد خليفةটুসন, অ্যারিজোনা, যুক্তরাষ্ট্রকুরআনে ১৯ সংখ্যার কোড প্রস্তাব করে, নিজেকে 'চুক্তির রাসুল' বলে এবং সুরা তাওবার ১২৮–১২৯ আয়াতকে পরবর্তী সংযোজন বলে প্রত্যাখ্যান করে।১৯৯০ সালে টুসনে নিহত
মিশরীয়-আমেরিকান রসায়নবিদ। হাদিস ও কুরআনের দুটি আয়াত প্রত্যাখ্যান করার পর ১৯৮৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত এক ইসলামি পরিষদ তাকে মুরতাদ ঘোষণা করে। ১৯৯০ সালের জানুয়ারিতে তার মসজিদে তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ইসলামি পরিষদ, ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯
- উৎস ও রেফারেন্স
- Wikipedia: Rashad Khalifa
১৯৯৭–২০২১ খ্রি.লিয়া আমিনুদ্দিন, 'লিয়া ইডেন'ليا أمين الدينজাকার্তা, ইন্দোনেশিয়াদাবি করে যে জিবরিল ফেরেশতা তার সাথে কথা বলেন, পরে নিজেকে তাঁর বার্তাবাহক বলে।ধর্ম অবমাননার দায়ে কারাদণ্ড (২০০৬, ২০০৯); ২০২১ সালে মৃত্যু
সে 'সালামুল্লাহ' দল গড়ে, পরে যার নাম হয় 'ইডেন কমিউনিটি'। ইন্দোনেশিয়ার উলামা পরিষদ (এমইউআই) ১৯৯৭ সালের ২২ ডিসেম্বর তার শিক্ষাকে বিভ্রান্ত ঘোষণা করে; তাদের যুক্তি ছিল, ওহি আনার দায়িত্ব শেষ নবীর সাথেই শেষ হয়েছে।
- যাঁদের তাহকীকের ভিত্তিতে ভণ্ড সাব্যস্ত হয়েছে
- মজলিসে উলামা ইন্দোনেশিয়া (এমইউআই), ফতোয়া, ২২ ডিসেম্বর ১৯৯৭
- উৎস ও রেফারেন্স
- Wikipedia: Eden Community
হাদিসে ত্রিশজনের নাম বলা হয়নি, আর কারা এর অন্তর্ভুক্ত তা নিয়ে আলেমদের মতভেদ আছে। প্রতিটি সারিতে উল্লেখ আছে কে দাবিটিকে মিথ্যা বলে চিহ্নিত করেছেন। এই পরিচয় কেবল দাবিদারের, আজকের কোনো অনুসারী বা সম্প্রদায়ের নয়।
বাস্তব দৃষ্টান্ত
ইয়ামামার ভণ্ড নবী মুসাইলামাহ কাজ্জাব (১২ হিজরী)
মুসাইলামাহ রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে চিঠি লিখে পৃথিবীর অর্ধেক নবুওয়াত দাবি করে। সে কুরআনের হাস্যকর অনুকরণে ব্যাঙ ও হাতির পদ্য রচনা করে, মদ হালাল করে এবং নামাজ রহিত করে। ১২ হিজরীতে আবু বকর (রা.)-এর খেলাফতকালে 'ইয়ামামার রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে' ওয়াহশী (রা.)-এর বর্শা ও আবু দুজানা (রা.)-এর তরবারিতে সে নিহত হয়।
Sahih al-Bukhari 3609 & 7121 · Ibn Kathir, Al-Bidayah wa-al-Nihayah
২০২৬-১০-২৮ পর্যন্ত হালনাগাদ
সাজাহ বিনতে আল-হারিস: খাঁটি তাওবাকারী নারী দাবিদার (১১ হিজরী)
বনু তামীমের নারী ভবিষ্যদ্বক্তা যে নবুওয়াত দাবি করে বিশাল সৈন্যদল গড়ে তোলে। মুসাইলামাহ তাকে বিয়ে করে এবং মোহরানা হিসেবে এশা ও ফজরের নামাজ মাফ করে দেয়! মুসাইলামাহর পতনের পর সাজাহ খাঁটি অন্তরে তাওবা করে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং মুয়াবিয়া (রা.)-এর আমলে বসরার দ্বীনদার ঈমানদার হিসেবে ইন্তেকাল করেন।
Musnad Ahmad 23447 (Four Women Foretold) · Al-Dhahabi, Siyar A'lam al-Nubala
২০২৬-১০-২৮ পর্যন্ত হালনাগাদ
আল-মুখতার আস-সাকাফী: সহীহ মুসলিমে ভবিষ্যদ্বাণীকৃত মিথ্যুক (৬৭ হিজরী)
রাসূলুল্লাহ ﷺ ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন: 'সাকীফ গোত্রে একজন চরম মিথ্যাবাদী এবং একজন ধ্বংসকারী আসবে' (সহীহ মুসলিম ২৫৪৫)। আসমা বিনতে আবু বকর (রা.) আল-হাজ্জাজকে স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে হাদীসের সেই চরম মিথ্যাবাদী হলো আল-মুখতার। মুখতার দাবি করত যে ঢাকা চেয়ারে জিবরীল (আ.) তার কাছে ওহী আনেন। ৬৭ হিজরীতে মুসআব ইবনুয যুবাইরের হাতে সে নিহত হয়।
Sahih Muslim 2545
২০২৬-১০-২৮ পর্যন্ত হালনাগাদ
আল-মুকান্না আল-খোরাসানী: স্বর্ণের মুখোশধারী ভণ্ড নবী (১৬৩ হিজরী)
হাশিম বিন হাকিম স্বর্ণের মুখোশ পরে দাবি করত যে তার মুখের খোদায়ী নূর সাধারণ মানুষ সহ্য করতে পারবে না। নকশাবের কুয়ায় পারদ ও রাসায়নিক দিয়ে কৃত্রিম চাঁদ আকাশে ভাসিয়ে চমক দেখাত। ১৬৩ হিজরীতে আব্বাসীয় খলিফা আল-মাহদীর বাহিনী সানাম দুর্গ ঘিরে ফেললে সে ফুটন্ত রাসায়নিক অ্যাসিড ও আগুনের কুণ্ডে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে।
Tarikh al-Rusul wa-al-Muluk (Al-Tabari)
২০২৬-১০-২৮ পর্যন্ত হালনাগাদ
মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী: ঔপনিবেশিক যুগের ভণ্ড নবী (১৯০৮ খ্রি.)
ভারতের পাঞ্জাবে ব্রিটিশ আমলে প্রথমে বিতার্কিক, পরে মুজাদ্দিদ, এরপর ঈসা মসীহ ও মাহদী এবং পরিশেষে নিজেকে সরাসরি ওহীপ্রাপ্ত 'যিল্লী ও বুরূযী নবী' দাবি করে এবং তাকে অস্বীকারকারী সকল মুসলিমকে কাফের ফতোয়া দেয়। ১৯৭৪ সালে রাবেতায়ে আলমে ইসলামীর মক্কা সম্মেলনে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সর্বসম্মত ইজমায় কাদিয়ানী সম্প্রদায়কে অমুসলিম ঘোষণা করা হয়।
Muslim World League Resolution (Makkah, 1974) · Fatwas of the Islamic Fiqh Academy
২০২৬-১০-২৮ পর্যন্ত হালনাগাদ
রাশাদ খলিফা: '১৯ কোড'-এর তথাকথিত অঙ্গীকারের রাসূল (১৯৯০ খ্রি.)
আমেরিকায় বসবাসকারী মিশরীয় গবেষক যিনি কুরআনের '১৯ কোড'-এর তত্ত্ব প্রচার করেন। ১৯৮৮ সালে নিজেকে সূরা আলে ইমরানের ৮১ নং আয়াতে বর্ণিত 'রাসূলুল মীসাক' দাবি করে বসেন। নিজের তৈরি ১৯-এর সংখ্যাতত্ত্ব মেলাতে গিয়ে সূরা তাওবার শেষ দুই আয়াত কুরআন থেকে ফেলে দেন এবং সকল হাদীস অস্বীকার করেন। ১৯৯০ সালে নিজ মসজিদে নিহত হন।
Al-Azhar Fatwa Committee Ruling (Cairo)
২০২৬-১০-২৮ পর্যন্ত হালনাগাদ
লিয়া ইডেন: ইন্দোনেশিয়ার আধুনিক নারী দাবিদার (২০২১ খ্রি.)
ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার নারী যিনি ১৯৯৭ সালে জিবরীল (আ.)-এর মাধ্যমে ওহী পাওয়ার দাবি করেন এবং নিজেকে পবিত্র আত্মা ও মরিয়মের অবতার ঘোষণা করেন। ইন্দোনেশিয়ার ধর্ম অবমাননা আইনে দুইবার কারাদণ্ড ভোগ করেন এবং ২০২১ সালে মারা যান। এটি মুসনাদে আহমাদের ২৩৪৪৭ নং হাদীসে বর্ণিত নারী নবুওয়াত দাবিদারদের স্পষ্ট বাস্তব প্রতিফলন।
Majelis Ulama Indonesia (MUI) Fatwa
২০২৬-১০-২৮ পর্যন্ত হালনাগাদ
খসড়া: তথ্য ও ভাষা গবেষক দল এবং আলেম বোর্ডের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায়।