ইলম উঠিয়ে নেওয়া
رفع العلم
সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য হাদিসসমূহ
সংগ্রহশালার সব হাদিস পড়ুন →ট্যাগগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত, আলেমদের দ্বারা পর্যালোচনার কাজ চলছে।
حَدَّثَنَا عِمْرَانُ بْنُ مَيْسَرَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ أَبِي التَّيَّاحِ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ أَنْ يُرْفَعَ الْعِلْمُ، وَيَثْبُتَ الْجَهْلُ، وَيُشْرَبَ الْخَمْرُ، وَيَظْهَرَ الزِّنَا ".
বাংলা অনুবাদটি আলেমদের দ্বারা চূড়ান্ত যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।
রাবী‘আহ (রহ.) বলেন, ‘যার নিকট সামান্য জ্ঞান আছে, তার উচিত নয় নিজেকে অপমানিত করা ৮০. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, কিয়ামতের কিছু ‘আলামত হলঃ ‘ইল্ম হ্রাস পাবে, অজ্ঞতা প্রসারতা লাভ করবে, মদপানের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে এবং যেনা ব্যভিচার বিস্তার লাভ করবে। (৮১, ৫২৩১, ৫৫৭৭, ৬৮০৮; মুসলিম ৪৭/৪ হাঃ ২৬৭১, আহমাদ ১৩০৯৩, ১৪০৮০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
Narrated Anas:Allah's Messenger (ﷺ) said, "From among the portents of the Hour are (the following): -1. Religious knowledge will be taken away (by the death of Religious learned men). -2. (Religious) ignorance will prevail. -3. Drinking of Alcoholic drinks (will be very common). -4. There will be prevalence of open illegal sexual intercourse
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ لأُحَدِّثَنَّكُمْ حَدِيثًا لاَ يُحَدِّثُكُمْ أَحَدٌ بَعْدِي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ أَنْ يَقِلَّ الْعِلْمُ، وَيَظْهَرَ الْجَهْلُ، وَيَظْهَرَ الزِّنَا، وَتَكْثُرَ النِّسَاءُ وَيَقِلَّ الرِّجَالُ، حَتَّى يَكُونَ لِخَمْسِينَ امْرَأَةً الْقَيِّمُ الْوَاحِدُ ".
বাংলা অনুবাদটি আলেমদের দ্বারা চূড়ান্ত যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।
আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কি তোমাদের এমন একটি হাদীস বর্ণনা করব যা আমার পর তোমাদের নিকট আর কেউ বর্ণনা করবে না। আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি যে, কিয়ামতের কিছু আলামাত হলঃ ‘ইল্ম হ্রাস পাবে, অজ্ঞতার প্রসার ঘটবে, ব্যভিচার ছড়িয়ে পড়বে, স্ত্রীলোকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং পুরুষের সংখ্যা কমে যাবে, এমনকি প্রতি পঞ্চাশজন স্ত্রীলোকের জন্য মাত্র একজন পুরুষ হবে পরিচালক। (৮০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
Narrated Anas:I will narrate to you a Hadith and none other than I will tell you about after it. I heard Allah's Messenger (ﷺ) saying: From among the portents of the Hour are (the following): -1. Religious knowledge will decrease (by the death of religious learned men). -2. Religious ignorance will prevail. -3. There will be prevalence of open illegal sexual intercourse. -4. Women will increase in number and men will decrease in number so much so that fifty women will be looked after by one man
حَدَّثَنَا الْمَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ أَخْبَرَنَا حَنْظَلَةُ بْنُ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ سَالِمٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " يُقْبَضُ الْعِلْمُ، وَيَظْهَرُ الْجَهْلُ وَالْفِتَنُ، وَيَكْثُرُ الْهَرْجُ ". قِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَا الْهَرْجُ فَقَالَ هَكَذَا بِيَدِهِ، فَحَرَّفَهَا، كَأَنَّهُ يُرِيدُ الْقَتْلَ.
বাংলা অনুবাদটি আলেমদের দ্বারা চূড়ান্ত যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।
আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ (শেষ যামানায়) ‘ইল্ম উঠিয়ে নেয়া হবে, অজ্ঞতা ও ফিতনা ছড়িয়ে পড়বে এবং ‘হার্জ’ বেড়ে যাবে। জিজ্ঞেস করা হল, হে আল্লাহর রাসূল! ‘হার্জ’ কী? তিনি হাত দ্বারা ইঙ্গিত করে বললেনঃ ‘এ রকম’। যেন তিনি এর দ্বারা ‘হত্যা বুঝিয়েছিলেন। (১০৩৬, ১৪১২, ৩৬০৮, ৪৬৩৫, ৬০৩৭, ৬৫০৬, ৬৯৩৫, ৭০৬১, ৭১১৫, ৭১২১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
Narrated Abu Huraira:The Prophet (ﷺ) said, "(Religious) knowledge will be taken away (by the death of religious scholars) ignorance (in religion) and afflictions will appear; and Harj will increase." It was asked, "What is Harj, O Allah's Messenger (ﷺ)?" He replied by beckoning with his hand indicating "killing." (Fath-al-Bari Page 192, Vol)
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ، قَالَ حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " إِنَّ اللَّهَ لاَ يَقْبِضُ الْعِلْمَ انْتِزَاعًا، يَنْتَزِعُهُ مِنَ الْعِبَادِ، وَلَكِنْ يَقْبِضُ الْعِلْمَ بِقَبْضِ الْعُلَمَاءِ، حَتَّى إِذَا لَمْ يُبْقِ عَالِمًا، اتَّخَذَ النَّاسُ رُءُوسًا جُهَّالاً فَسُئِلُوا، فَأَفْتَوْا بِغَيْرِ عِلْمٍ، فَضَلُّوا وَأَضَلُّوا ". قَالَ الْفِرَبْرِيُّ حَدَّثَنَا عَبَّاسٌ قَالَ حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ هِشَامٍ نَحْوَهُ.
বাংলা অনুবাদটি আলেমদের দ্বারা চূড়ান্ত যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।
وَكَتَبَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ إِلَى أَبِي بَكْرِ بْنِ حَزْمٍ انْظُرْ مَا كَانَ مِنْ حَدِيثِ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَاكْتُبْهُ فَإِنِّي خِفْتُ دُرُوسَ الْعِلْمِ وَذَهَابَ الْعُلَمَاءِ وَلاَ تَقْبَلْ إِلاَّ حَدِيثَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَلْتُفْشُوا الْعِلْمَ وَلْتَجْلِسُوا حَتَّى يُعَلَّمَ مَنْ لاَ يَعْلَمُ فَإِنَّ الْعِلْمَ لاَ يَهْلِكُ حَتَّى يَكُونَ سِرًّا حَدَّثَنَا الْعَلاَءُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُسْلِمٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ دِينَارٍ بِذَلِكَ يَعْنِي حَدِيثَ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ إِلَى قَوْلِهِ ذَهَابَ الْعُلَمَاءِ ‘উমার ইবনু আবদুল ‘আযীয (রহ.) আবূ বাকর ইবনু হাযম (রহ.)-এর নিকট এক চিঠিতে লিখেনঃ অনুসন্ধান কর, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যে হাদীস পাও তা লিপিবদ্ধ করে নাও। আমি ধর্মীয় জ্ঞান লোপ পাওয়ার এবং আলিমদের বিদায় নেয়ার ভয় করছি এবং জেনে রাখ, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর হাদীস ব্যতীত অন্য কিছুই গ্রহণ করা হবে না এবং প্রত্যেকের উচিত ধর্মীয় জ্ঞানের প্রচার-প্রসার ঘটানো আর তারা যেন একসাথে বসে (ধর্মীয় জ্ঞানের চর্চা করে), যাতে যে না জানে সে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। কারণ জ্ঞান গোপন না হওয়া পর্যন্ত বিলুপ্ত হবে না। ‘আলা’ ইবনু ‘আবদুল জাববার (রহ.).... ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু দ্বীনার (রহ.)-এর সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াতে ‘উমার ইবনু ‘আবদুল-‘আযীয এর উপরোক্ত হাদীসে ‘বিজ্ঞ ব্যক্তিদের বিদায় নেয়া’ পর্যন্ত বর্ণিত আছে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ অনুচ্ছেদ পৃঃ ৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১০০) ১০০. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাযি.) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি, আল্লাহ তাঁর বান্দাদের অন্তর থেকে ‘‘ইল্ম উঠিয়ে নেন না, কিন্তু দ্বীনের আলিমদের উঠিয়ে নেয়ার ভয় করি। যখন কোন আলিম অবশিষ্ট থাকবে না তখন লোকেরা মূর্খদেরকেই নেতা বানিয়ে নিবে। তাদের জিজ্ঞেস করা হলে না জানলেও ফাতাওয়া প্রদান করবে। ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে, এবং অন্যকেও পথভ্রষ্ট করবে। ফিরাবরী বলেন, ........ জরীর হিশামের নিকট হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (৭৩০৭; মুসলিম ৪৭/৪, হাঃ ২৬৭৩, আহমাদ ৬৫২১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
Narrated `Abdullah bin `Amr bin Al-`As:I heard Allah's Messenger (ﷺ) saying, "Allah does not take away the knowledge, by taking it away from (the hearts of) the people, but takes it away by the death of the religious learned men till when none of the (religious learned men) remains, people will take as their leaders ignorant persons who when consulted will give their verdict without knowledge. So they will go astray and will lead the people astray
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، قَالَ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الزِّنَادِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يُقْبَضَ الْعِلْمُ، وَتَكْثُرَ الزَّلاَزِلُ، وَيَتَقَارَبَ الزَّمَانُ، وَتَظْهَرَ الْفِتَنُ، وَيَكْثُرَ الْهَرْجُ ـ وَهْوَ الْقَتْلُ الْقَتْلُ ـ حَتَّى يَكْثُرَ فِيكُمُ الْمَالُ فَيَفِيضُ ".
বাংলা অনুবাদটি আলেমদের দ্বারা চূড়ান্ত যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) কায়িম হবে না, যে পর্যন্ত না ইল্ম উঠিয়ে নেয়া হবে, অধিক পরিমাণে ভূমিকম্প হবে, সময় সংকুচিত হয়ে আসবে, ফিতনা প্রকাশ পাবে এবং হারজ বৃদ্ধি পাবে। হারজ খুন-খারাবী। তোমাদের ধন-সম্পদ এত বৃদ্ধি পাবে যে, উপচে পড়বে। (৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
Narrated Abu Huraira:The Prophet (ﷺ) said, "The Hour (Last Day) will not be established until (religious) knowledge will be taken away (by the death of religious learned men), earthquakes will be very frequent, time will pass quickly, afflictions will appear, murders will increase and money will overflow amongst you." (See Hadith No. 85 Vol)
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ الْحَوْضِيُّ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ لأُحَدِّثَنَّكُمْ حَدِيثًا سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لاَ يُحَدِّثُكُمْ بِهِ أَحَدٌ غَيْرِي، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " إِنَّ مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ أَنْ يُرْفَعَ الْعِلْمُ، وَيَكْثُرَ الْجَهْلُ وَيَكْثُرَ الزِّنَا، وَيَكْثُرَ شُرْبُ الْخَمْرِ، وَيَقِلَّ الرِّجَالُ، وَيَكْثُرَ النِّسَاءُ حَتَّى يَكُونَ لِخَمْسِينَ امْرَأَةً الْقَيِّمُ الْوَاحِدُ ".
বাংলা অনুবাদটি আলেমদের দ্বারা চূড়ান্ত যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।
وَقَالَ أَبُو مُوسٰى عَنْ النَّبِيِّ صَلّٰى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَتَرَى الرَّجُلَ الْوَاحِدَ يَتْبَعُه“ أَرْبَعُونَ امْرَأَةً يَلُذْنَ بِه„ مِنْ قِلَّةِ الرِّجَالِ وَكَثْرَةِ النِّسَاءِ. আবূ মূসা (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, (এমন একটা সময় আসবে যখন) একজন পুরুষকে দেখতে পাবে তার পেছনে চল্লিশজন নারী অনুসরণ করছে আশ্রয়ের জন্য। কেননা, তখন পুরুষের সংখ্যা অনেক কমে যাবে আর নারীর সংখ্যা বর্ধিত হবে। ৫২৩১. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি তোমাদের কাছে একটি হাদীস বর্ণনা করব, যা আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে শুনেছি এবং আমি ব্যতীত আর কেউ সে হাদীস বলতে পারবে না। আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, কিয়ামতের আলামতের মধ্যে রয়েছে ইল্ম ওঠে যাবে, অজ্ঞতা বেড়ে যাবে, ব্যভিচার বৃদ্ধি পাবে, মদ্য পানের মাত্রা বেড়ে যাবে, পুরুষের সংখ্যা কমে যাবে এবং নারীদের সংখ্যা বেড়ে যাবে যে, একজন পুরুষকে পঞ্চাশজন নারীর দেখাশুনা করতে হবে। [৮০](আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
Narrated Anas:I will narrate to you a Habith I heard from Allah's Messenger (ﷺ) and none other than I will tell you of it. I heard Allah's Messenger (ﷺ) saying, "From among the portents of the Hour are the following: Religious knowledge will be taken away; General ignorance (in religious matters) will increase; illegal Sexual intercourse will prevail: Drinking of alcoholic drinks will prevail. Men will decrease in number, and women will increase in number, so much so that fifty women will be looked after by one man
এই আলামত সম্পর্কিত দুর্বল ও মান নির্ধারণহীন বর্ণনা
কেবলমাত্র গবেষণার সুবিধার্থে দেখানো হয়েছে, কোনো আমল বা আকিদার দলিল হিসেবে নয়। এর মধ্যে নুআইম ইবনে হাম্মাদের কিতাবুল ফিতানের বর্ণনাও রয়েছে, যা সার্বিকভাবে দুর্বল।
আমাদের নীতিমালায় মান নির্ধারিত নয়। সংকলিত মতামত নিচে দেওয়া হলো।
حدثنا أبو بكر بن إسحاق الفقيه، ثنا عبيد بن شريك البزار، ثنا يحيى بن عبد الله بن بكر، حدثني الليث بن سعد، عن إبراهيم بن أبي عبلة، عن الوليد بن عبد الرحمن، عن جبير بن نفير، أنه قال: قال عوف بن مالك الأشجعي: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم نظر إلى السماء يوما، فقال: «هذا أوان يرفع العلم» فقال له رجل من الأنصار يقال له ابن لبيد: يا رسول الله كيف يرفع العلم وقد أثبت في الكتاب ووعته القلوب؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن كنت لأحسبك من أفقه أهل المدينة» ثم ذكر ضلالة اليهود والنصارى على ما في أيديهم من كتاب الله، قال: فلقيت شداد بن أوس فحدثته بحديث عوف بن مالك، فقال: صدق عوف ألا أخبرك بأول ذلك يرفع؟ قلت: بلى، قال: الخشوع حتى لا ترى خاشعا. «هذا صحيح وقد احتج الشيخان بجميع رواته، والشاهد لذلك فيه شداد بن أوس فقد سمع جبير بن نفير الحديث منهما جميعا» ، ومن ثالث من الصحابة وهو أبو الدرداء
অনুবাদ প্রক্রিয়াধীন। আপাতত কেবল মূল আরবি পাঠ্য।
এটি একটি প্রাথমিক AI অনুবাদ, এখনও আলেম বা সম্পাদক কর্তৃক পরীক্ষিত নয়। নির্ভুল অর্থের জন্য মূল আরবি পাঠ্য দেখুন।
আমাদের নীতিমালায় মান নির্ধারিত নয়। সংকলিত মতামত নিচে দেওয়া হলো।
حدثنا أبو العباس محمد بن يعقوب، ثنا بحر بن نصر، ثنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن دراج، عن ابن حجيرة، عن أبي هريرة رضي الله عنه، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «سيأتي على أمتي زمان تكثر فيه القراء، وتقل الفقهاء ويقبض العلم، ويكثر الهرج» قالوا: وما الهرج يا رسول الله؟ قال: «القتل بينكم، ثم يأتي بعد ذلك زمان يقرأ القرآن رجال لا يجاوز تراقيهم، ثم يأتي من بعد ذلك زمان يجادل المنافق الكافر المشرك بالله المؤمن بمثل ما يقول» هذا حديث صحيح الإسناد، ولم يخرجاه "
অনুবাদ প্রক্রিয়াধীন। আপাতত কেবল মূল আরবি পাঠ্য।
এটি একটি প্রাথমিক AI অনুবাদ, এখনও আলেম বা সম্পাদক কর্তৃক পরীক্ষিত নয়। নির্ভুল অর্থের জন্য মূল আরবি পাঠ্য দেখুন।
আমাদের নীতিমালায় মান নির্ধারিত নয়। সংকলিত মতামত নিচে দেওয়া হলো।
حدثني يحيى، عن هشام، أملاه علينا حدثني أبي، سمعت عبد الله بن عمرو، من فيه إلى في يقول: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: " إن الله لا يقبض العلم انتزاعا ينتزعه من الناس، ولكن يقبض العلم بقبض العلماء، حتى إذا لم يترك عالما، اتخذ الناس رؤساء جهالا، فسئلوا، فأفتوا بغير علم، فضلوا، وأضلوا "
অনুবাদ প্রক্রিয়াধীন। আপাতত কেবল মূল আরবি পাঠ্য।
এটি একটি প্রাথমিক AI অনুবাদ, এখনও আলেম বা সম্পাদক কর্তৃক পরীক্ষিত নয়। নির্ভুল অর্থের জন্য মূল আরবি পাঠ্য দেখুন।
আমাদের নীতিমালায় মান নির্ধারিত নয়। সংকলিত মতামত নিচে দেওয়া হলো।
حدثنا وكيع، أخبرنا هشام، عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " إن الله لا يقبض العلم انتزاعا ينزعه من الناس، ولكن يقبض العلم بقبض العلماء، حتى إذا لم يبق عالما اتخذ الناس رؤساء جهالا، فسئلوا، فأفتوا بغير علم، فضلوا وأضلوا "
অনুবাদ প্রক্রিয়াধীন। আপাতত কেবল মূল আরবি পাঠ্য।
এটি একটি প্রাথমিক AI অনুবাদ, এখনও আলেম বা সম্পাদক কর্তৃক পরীক্ষিত নয়। নির্ভুল অর্থের জন্য মূল আরবি পাঠ্য দেখুন।
মুহাদ্দিস ও আলেমদের মতামত
আলেমদের মতে এটি আংশিক প্রকাশ পেয়েছে, কিংবা এ নিয়ে মতভেদ রয়েছে
ইলম মানুষের অন্তর থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হবে না; আলেমদের তুলে নেওয়ার মাধ্যমে ইলম তুলে নেওয়া হবে, শেষে অজ্ঞ নেতারা থাকবে যারা না জেনে ফতোয়া দেবে। উমর (রা.): 'ইলম তুলে নেওয়া মানে আলেমদের চলে যাওয়া'।
আবদুল্লাহ ইবনে আমর ও উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) · সহিহ বুখারি ১০০; ফাতহুল বারি, সহিহ বুখারি ৭৩০৭-এর ব্যাখ্যা
ইবনে বাত্তাল বলেছেন, তাঁর যুগে ইলম কমে গেছে। ইবনে হাজার: তা ছিল শুরু; হাদিসের উদ্দেশ্য এমন অবস্থা, যখন কেবল নিছক অজ্ঞতা থাকবে, আর অল্প কিছু আলেম মানুষের ভিড়ে হারিয়ে থাকবেন।
ইবনে বাত্তাল (মৃ. ৪৪৯ হি.), ইবনে হাজারের মন্তব্যসহ · ফাতহুল বারি, সহিহ বুখারি ৭০৬১-এর ব্যাখ্যা
'ইলম তুলে নেওয়া হবে' (ইবনে আবি শাইবায় ইবনে মাসউদ (রা.)-এর বর্ণনা থেকে) তিনি এই আলামতগুলোর অন্তর্ভুক্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পরিচ্ছেদের শেষে তিনি বলেন: এই আলামতগুলো 'সবই বিদ্যমান, এবং দিন দিন বাড়ছে'।
মুহাম্মাদ ইবনে আবদুর রাসুল আল-বারযানজি (মৃ. ১১০৩ হি.) · আল-ইশাআ লি-আশরাতিস সাআ, অধ্যায় ২: যে আলামত প্রকাশ পেয়েছে কিন্তু শেষ হয়নি
খসড়া পর্যালোচনা: চূড়ান্ত রূপ দেওয়ার আগে প্রতিটি উদ্ধৃতি মূল কিতাবের সাথে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।
সমকালীন তথ্য ও বাস্তবতা
হাদিসের প্রাসঙ্গিকতায় সমকালীন বিশ্বের বাস্তব পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরা হয়েছে। কোনো আলামত বাস্তবায়িত হয়েছে কি না, তা এই পরিসংখ্যান দিয়ে নয়, বরং নির্ভরযোগ্য আলেমদের মতামতের আলোকেই বিবেচনা করতে হবে।
সহীহ বুখারীর ১০০ নম্বর হাদীসে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন: 'আল্লাহ তা'আলা বান্দাদের অন্তর থেকে সরাসরি ইলম ছিনিয়ে নিয়ে উঠিয়ে নেবেন না; বরং খাঁটি আলেম ও গবেষকদের মৃত্যুর মাধ্যমে তিনি ইলম উঠিয়ে নেবেন। পরিশেষে যখন কোনো প্রজ্ঞাবান আলেম অবশিষ্ট থাকবেন না, তখন মানুষ অজ্ঞ ও জাহিল ব্যক্তিদের নিজেদের নেতা ও পথপ্রদর্শক বানিয়ে নেবে। তাদের কাছে দ্বীনের বিধান জানতে চাওয়া হলে তারা না জেনেই ফতোয়া প্রদান করবে; ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে এবং অন্যদেরও পথভ্রষ্ট করবে।' হাফিয ইবনে হাজার আসকালানী (রহ.) ব্যাখ্যা করেছেন যে, তথ্যের বাহ্যিক সহজলভ্যতা থাকলেও শারয়ী প্রজ্ঞা ও মুখলিস আলেমের অভাবই হলো ইলম বিলুপ্তির মূল রূপ।
প্রাসঙ্গিক মূল হাদিসসমূহ: সহিহ বুখারি ১০০ · সহিহ বুখারি ৮০ · সহিহ বুখারি ৭০৬১
মুহাদ্দিস ও মুফাসসিরদের ব্যাখ্যা
- আলেমরা মারা গেলে এবং তাঁদের মতো কেউ স্থলাভিষিক্ত না হলে ইলম চলে যায়: আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (সহিহ বুখারি ১০০), উমর ইবনুল খাত্তাব।
- এর শুরু অনেক আগেই দেখা গেছে; আলামত পূর্ণ হবে যখন কেবল নিছক অজ্ঞতা থাকবে আর অল্প কিছু আলেম মানুষের ভিড়ে হারিয়ে থাকবেন: ইবনে বাত্তাল, ইবনে হাজার।
- একেবারে শেষে এক রাতে কুরআন নিজেই পাতা ও অন্তর থেকে তুলে নেওয়া হবে: সুনানে ইবনে মাজাহয় হুযাইফা (রা.)-এর বর্ণনা, যাকে ইবনে হাজার শক্তিশালী বলেছেন।
পরিসংখ্যান দেখুন
| সাল / যুগ | সাক্ষরতা |
|---|---|
| ১৮২০ | ১২.০ |
| ১৮৭০ | ১৮.৭ |
| ১৮৮০ | ১৯.৬ |
| ১৮৯০ | ২০.৫ |
| ১৯০০ | ২১.৪ |
| ১৯১০ | ২৬.৪ |
| ১৯২০ | ৩১.৬ |
| ১৯৩০ | ৩২.৫ |
| ১৯৪০ | ৪১.৯ |
| ১৯৫০ | ৩৬.০ |
| ১৯৬০ | ৪১.৬ |
| ১৯৭৫ | ৬৫.৪ |
| ১৯৭৬ | ৬৫.৬ |
| ১৯৭৭ | ৬৫.৯ |
| ১৯৭৮ | ৬৬.৫ |
| ১৯৭৯ | ৬৭.২ |
| ১৯৮০ | ৬৭.৮ |
| ১৯৮১ | ৬৮.৩ |
| ১৯৮২ | ৬৮.৯ |
| ১৯৮৩ | ৬৯.৫ |
| ১৯৮৪ | ৭০.২ |
| ১৯৮৫ | ৭০.৭ |
| ১৯৮৬ | ৭১.৩ |
| ১৯৮৭ | ৭১.৯ |
| ১৯৮৮ | ৭৩.৫ |
| ১৯৮৯ | ৭৪.১ |
| ১৯৯০ | ৭৪.৬ |
| ১৯৯১ | ৭৫.১ |
| ১৯৯২ | ৭৫.৫ |
| ১৯৯৩ | ৭৬.০ |
| ১৯৯৪ | ৭৬.৪ |
| ১৯৯৫ | ৭৬.৯ |
| ১৯৯৬ | ৭৭.৩ |
| ১৯৯৭ | ৭৯.৩ |
| ১৯৯৮ | ৮০.৫ |
| ১৯৯৯ | ৮০.৯ |
| ২০০০ | ৮১.১ |
| ২০০১ | ৮১.৪ |
| ২০০২ | ৮১.৭ |
| ২০০৩ | ৮২.২ |
| ২০০৪ | ৮২.৬ |
| ২০০৫ | ৮২.৬ |
| ২০০৬ | ৮২.৫ |
| ২০০৭ | ৮৩.১ |
| ২০০৮ | ৮৩.৫ |
| ২০০৯ | ৮৩.৮ |
| ২০১০ | ৮৪.৪ |
| ২০১১ | ৮৪.৭ |
| ২০১২ | ৮৪.৯ |
| ২০১৩ | ৮৫.২ |
| ২০১৪ | ৮৫.৬ |
| ২০১৫ | ৮৬.০ |
| ২০১৬ | ৮৬.৩ |
| ২০১৭ | ৮৬.৫ |
| ২০১৮ | ৮৬.৮ |
| ২০১৯ | ৮৬.৮ |
| ২০২০ | ৮৭.০ |
| ২০২১ | ৮৭.২ |
| ২০২২ | ৮৭.৪ |
| ২০২৩ | ৮৭.৬ |
| ২০২৪ | ৮৭.৭ |
সাক্ষরতা মানে সাধারণ পড়ালেখা, দ্বীনের জ্ঞান নয়; হাদিস দ্বীনের জ্ঞানের কথা বলেছে।
মূল সূত্র: Our World in Data, literacy rate (van Zanden et al. 2014; UNESCO) · সংগ্রহের তারিখ ২০২৬-১০-২৭
সতর্ক পাঠ ও মূলনীতি
- আলেমের সংখ্যা গোনা বা দ্বীনের জ্ঞান মাপার কোনো ডেটাসেট নেই, তাই আলামতটির নিজের কোনো চার্ট এখানে নেই।
খসড়া: তথ্য ও ভাষা গবেষক দল এবং আলেম বোর্ডের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায়।