মসজিদ সাজানো নিয়ে গর্ব
التباهي في المساجد
সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য হাদিসসমূহ
সংগ্রহশালার সব হাদিস পড়ুন →ট্যাগগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত, আলেমদের দ্বারা পর্যালোচনার কাজ চলছে।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْخُزَاعِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَنَسٍ، وَقَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يَتَبَاهَى النَّاسُ فِي الْمَسَاجِدِ " .
বাংলা অনুবাদটি আলেমদের দ্বারা চূড়ান্ত যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।
আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ লোকেরা মাসজিদ নিয়ে পরস্পর গৌরব ও অহঙ্কারে মেতে না উঠা পর্যন্ত ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) সংঘটিত হবে না।[1] সহীহ।
Narrated Anas ibn Malik: The Prophet (ﷺ) said: The Last Hour will not come until people vie with one another about mosques
أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ أَنْ يَتَبَاهَى النَّاسُ فِي الْمَسَاجِدِ " .
বাংলা অনুবাদটি আলেমদের দ্বারা চূড়ান্ত যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।
সুওয়ায়দ ইবনু নাসর (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- মসজিদের ব্যাপারে লোকের পরম্পরে গর্ব করা কিয়ামতের আলামতের অন্তর্ভুক্ত।
It was narrated from Anas that the Prophet (ﷺ) said:"One of the portents of the Hour will be that people will show off in building Masjids
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْجُمَحِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لاَ تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يَتَبَاهَى النَّاسُ فِي الْمَسَاجِدِ " .
বাংলা অনুবাদটি আলেমদের দ্বারা চূড়ান্ত যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যতক্ষণ পর্যন্ত লোকেরা মসজিদের সৌন্দর্য ও সুসজ্জিতকরণ নিয়ে পরস্পর গর্ব না করবে ততক্ষণ ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) সংঘটিত হবে না।
It was narrated that Anas bin Malik said:"The Messenger of Allah said: 'The Hour will not begin until the people compete in (building) mosques
এই আলামত সম্পর্কিত দুর্বল ও মান নির্ধারণহীন বর্ণনা
কেবলমাত্র গবেষণার সুবিধার্থে দেখানো হয়েছে, কোনো আমল বা আকিদার দলিল হিসেবে নয়। এর মধ্যে নুআইম ইবনে হাম্মাদের কিতাবুল ফিতানের বর্ণনাও রয়েছে, যা সার্বিকভাবে দুর্বল।
আমাদের নীতিমালায় মান নির্ধারিত নয়। সংকলিত মতামত নিচে দেওয়া হলো।
حدثنا عبد الصمد، حدثنا حماد يعني ابن سلمة، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " لا تقوم الساعة حتى يتباهى الناس في المساجد "
অনুবাদ প্রক্রিয়াধীন। আপাতত কেবল মূল আরবি পাঠ্য।
এটি একটি প্রাথমিক AI অনুবাদ, এখনও আলেম বা সম্পাদক কর্তৃক পরীক্ষিত নয়। নির্ভুল অর্থের জন্য মূল আরবি পাঠ্য দেখুন।
আমাদের নীতিমালায় মান নির্ধারিত নয়। সংকলিত মতামত নিচে দেওয়া হলো।
حدثنا عبد الصمد ، حدثنا حماد بن سلمة، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أنس بن مالك قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " لا تقوم الساعة حتى يتباهى الناس في المساجد "
অনুবাদ প্রক্রিয়াধীন। আপাতত কেবল মূল আরবি পাঠ্য।
এটি একটি প্রাথমিক AI অনুবাদ, এখনও আলেম বা সম্পাদক কর্তৃক পরীক্ষিত নয়। নির্ভুল অর্থের জন্য মূল আরবি পাঠ্য দেখুন।
আমাদের নীতিমালায় মান নির্ধারিত নয়। সংকলিত মতামত নিচে দেওয়া হলো।
حدثنا عبد الصمد، وعفان، قالا: حدثنا حماد، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " لا تقوم الساعة حتى يتباهى الناس في المساجد "
অনুবাদ প্রক্রিয়াধীন। আপাতত কেবল মূল আরবি পাঠ্য।
এটি একটি প্রাথমিক AI অনুবাদ, এখনও আলেম বা সম্পাদক কর্তৃক পরীক্ষিত নয়। নির্ভুল অর্থের জন্য মূল আরবি পাঠ্য দেখুন।
আমাদের নীতিমালায় মান নির্ধারিত নয়। সংকলিত মতামত নিচে দেওয়া হলো।
حدثنا يونس، وحسن بن موسى، قالا: حدثنا حماد بن سلمة، عن أيوب السختياني، عن أبي قلابة، عن أنس بن مالك، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " لا تقوم الساعة حتى يتباهى الناس في المساجد "
অনুবাদ প্রক্রিয়াধীন। আপাতত কেবল মূল আরবি পাঠ্য।
এটি একটি প্রাথমিক AI অনুবাদ, এখনও আলেম বা সম্পাদক কর্তৃক পরীক্ষিত নয়। নির্ভুল অর্থের জন্য মূল আরবি পাঠ্য দেখুন।
মুহাদ্দিস ও আলেমদের মতামত
মুহাদ্দিস ও উলামায়ে কেরামের মতে এটি ইতিমধ্যে সংঘটিত হয়েছে
মসজিদ নিয়ে মানুষের অহংকার ও বাহ্যিক প্রতিযোগিতাকে তিনি ইতিমধ্যে প্রকাশিত কিন্তু পূর্ণতা না পাওয়া আলামত হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
মুহাম্মাদ ইবনে আবদুর রাসুল আল-বারযানজি (মৃ. ১১০৩ হি.) · আল-ইশাআ লি-আশরাতিস সাআ, অধ্যায় ২: যে আলামত প্রকাশ পেয়েছে কিন্তু শেষ হয়নি
প্রকাশিত ও ক্রমবর্ধমান আলামতের মধ্যে উল্লেখ করেছেন।
শামসুদ্দিন আস-সাফফারিনি (মৃ. ১১৮৮ হি.) · আল-বুহুরুয যাখিরা, অধ্যায় ২: মধ্যবর্তী আলামত, যা প্রকাশ পেয়েছে কিন্তু শেষ হয়নি, বরং বাড়ছে
আনাস (রা.)-এর কথা 'তারা মসজিদ নিয়ে গর্ব করবে, তারপর খুব কমই সেগুলো আবাদ করবে' ব্যাখ্যা করে বলেছেন: আবাদ মানে নামাজ ও আল্লাহর জিকির দিয়ে, দালান দিয়ে নয়।
ইবনে হাজার আসকালানি (মৃ. ৮৫২ হি.) · ফাতহুল বারি, কিতাবুস সালাত, মসজিদ নির্মাণ অধ্যায়
খসড়া পর্যালোচনা: চূড়ান্ত রূপ দেওয়ার আগে প্রতিটি উদ্ধৃতি মূল কিতাবের সাথে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।
সমকালীন তথ্য ও বাস্তবতা
হাদিসের প্রাসঙ্গিকতায় সমকালীন বিশ্বের বাস্তব পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরা হয়েছে। কোনো আলামত বাস্তবায়িত হয়েছে কি না, তা এই পরিসংখ্যান দিয়ে নয়, বরং নির্ভরযোগ্য আলেমদের মতামতের আলোকেই বিবেচনা করতে হবে।
সুনানে আবু দাউদের ৪৪৯ নম্বর সহীহ হাদীসে রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন: 'কিয়ামত ততক্ষণ পর্যন্ত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না মানুষ মসজিদসমূহ নিয়ে পরস্পরের সাথে অহংকার ও জাঁকজমক প্রদর্শনে লিপ্ত হবে।' সাহাবী হযরত আনাস (রা.) বলেন: 'মানুষ মসজিদ নিয়ে গর্ব করবে ঠিকই, কিন্তু সেখানে মুখলিস ইবাদতকারী মুসল্লির সংখ্যা হবে নিতান্তই নগণ্য।' প্রাচীন ফকীহ ও মুহাদ্দিসগণ উল্লেখ করেছেন যে, মসজিদকে বাহ্যিক কারুকার্য ও কৃত্রিম চাকচিক্য দিয়ে সাজানো কিন্তু তার ভেতরকার আধ্যাত্মিক প্রাণ ও দ্বীনি শিক্ষা অবহেলা করাই হলো এই ভবিষ্যদ্বাণীর মর্মবাণী।
প্রাসঙ্গিক মূল হাদিসসমূহ: সুনানে আবু দাউদ ৪৪৯ · সুনানে নাসাঈ ৬৮৯ · সুনানে ইবনে মাজাহ ৭৩৯
বাস্তব দৃষ্টান্ত
হাসান দ্বিতীয় মসজিদ, কাসাব্লাঙ্কা (১৯৯৩)
২১০ মিটার উঁচু মিনার, ভেতরে ও চত্বরে প্রায় ১,০৫,০০০ মুসল্লির জায়গা, আর খোদাই করা সিডার কাঠ, মার্বেল ও জেলিজ টাইলে সাজানো হলঘর।
Wikipedia, Hassan II Mosque
২০২৬-১০-২৭ পর্যন্ত হালনাগাদ
শেখ জায়েদ গ্র্যান্ড মসজিদ, আবুধাবি (২০০৭)
২০০৭ সালের ডিসেম্বরে উদ্বোধন। নামাজঘরের কার্পেট ৫,৬২৭ বর্গমিটার, ওজন প্রায় ৩৫ টন; সাতটি ঝাড়বাতি ২৪ ক্যারেট সোনায় মোড়ানো।
Wikipedia, Sheikh Zayed Grand Mosque
২০২৬-১০-২৭ পর্যন্ত হালনাগাদ
জামা আল-জাযায়ের, আলজিয়ার্স (২০২৪)
২০২৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধন। এর ২৬৫ মিটার মিনার বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু, আর এতে প্রায় ১,২০,০০০ মুসল্লি নামাজ পড়তে পারেন।
Wikipedia, Djamaa el Djazaïr
২০২৬-১০-২৭ পর্যন্ত হালনাগাদ
সতর্ক পাঠ ও মূলনীতি
- সুন্দর মসজিদ বানানো নিজে হাদিসের সতর্কবার্তা নয়; আলেমগণ একে পড়েছেন অহংকার ও প্রতিযোগিতা হিসেবে, যখন মসজিদ নামাজশূন্য থাকে।
খসড়া: তথ্য ও ভাষা গবেষক দল এবং আলেম বোর্ডের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায়।