জাতিসমূহ একে অপরকে তোমাদের বিরুদ্ধে ডাকবে
تداعي الأمم
সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য হাদিসসমূহ
সংগ্রহশালার সব হাদিস পড়ুন →ট্যাগগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত, আলেমদের দ্বারা পর্যালোচনার কাজ চলছে।
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ بَكْرٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ جَابِرٍ، حَدَّثَنِي أَبُو عَبْدِ السَّلاَمِ، عَنْ ثَوْبَانَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يُوشِكُ الأُمَمُ أَنْ تَدَاعَى عَلَيْكُمْ كَمَا تَدَاعَى الأَكَلَةُ إِلَى قَصْعَتِهَا " . فَقَالَ قَائِلٌ وَمِنْ قِلَّةٍ نَحْنُ يَوْمَئِذٍ قَالَ " بَلْ أَنْتُمْ يَوْمَئِذٍ كَثِيرٌ وَلَكِنَّكُمْ غُثَاءٌ كَغُثَاءِ السَّيْلِ وَلَيَنْزِعَنَّ اللَّهُ مِنْ صُدُورِ عَدُوِّكُمُ الْمَهَابَةَ مِنْكُمْ وَلَيَقْذِفَنَّ اللَّهُ فِي قُلُوبِكُمُ الْوَهَنَ " . فَقَالَ قَائِلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَا الْوَهَنُ قَالَ " حُبُّ الدُّنْيَا وَكَرَاهِيَةُ الْمَوْتِ " .
বাংলা অনুবাদটি আলেমদের দ্বারা চূড়ান্ত যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।
সাওবান (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ খাদ্য গ্রহণকারীরা যেভাবে খাবারের পাত্রের চতুর্দিকে একত্র হয়, অচিরেই বিজাতিরা তোমাদের বিরুদ্ধে সেভাবেই একত্রিত হবে। এক ব্যক্তি বললো, সেদিন আমাদের সংখ্যা কম হওয়ার কারণ কি এরূপ হবে? তিনি বললেনঃ তোমরা বরং সেদিন সংখ্যাগরিষ্ঠ হবে; কিন্তু তোমরা হবে প্লাবনের স্রোতে ভেসে যাওয়া আবর্জনার মতো। আর আল্লাহ তোমাদের শত্রুদের অন্তর থেকে তোমাদের পক্ষ থেকে আতঙ্ক দূর করে দিবেন, তিনি তোমাদের অন্তরে ভীরুতা ভরে দিবেন। এক ব্যক্তি বললো, হে আল্লাহর রাসূল! ‘আল-ওয়াহন’ কি? তিনি বললেনঃ দুনিয়ার মোহ এবং মৃত্যুকে অপছন্দ করা।[1] সহীহ।
Narrated Thawban: The Prophet (ﷺ) said: The people will soon summon one another to attack you as people when eating invite others to share their dish. Someone asked: Will that be because of our small numbers at that time? He replied: No, you will be numerous at that time: but you will be scum and rubbish like that carried down by a torrent, and Allah will take fear of you from the breasts of your enemy and last enervation into your hearts. Someone asked: What is wahn (enervation). Messenger of Allah (ﷺ): He replied: Love of the world and dislike of death
এই আলামত সম্পর্কিত দুর্বল ও মান নির্ধারণহীন বর্ণনা
কেবলমাত্র গবেষণার সুবিধার্থে দেখানো হয়েছে, কোনো আমল বা আকিদার দলিল হিসেবে নয়। এর মধ্যে নুআইম ইবনে হাম্মাদের কিতাবুল ফিতানের বর্ণনাও রয়েছে, যা সার্বিকভাবে দুর্বল।
আমাদের নীতিমালায় মান নির্ধারিত নয়। সংকলিত মতামত নিচে দেওয়া হলো।
حدثنا أبو النضر، حدثنا المبارك ، حدثنا مرزوق أبو عبد الله الحمصي، أخبرنا أبو أسماء الرحبي، عن ثوبان مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " يوشك أن تداعى عليكم الأمم من كل أفق كما تداعى الأكلة على قصعتها ". 10 قال: قلنا: يا رسول الله، أمن قلة بنا يومئذ؟ قال: " أنتم يومئذ كثير، ولكن تكونون غثاء كغثاء السيل، تنتزع المهابة من قلوب عدوكم، ويجعل في قلوبكم الوهن ". قال: قلنا: وما الوهن؟ قال: " حب الحياة وكراهية الموت "
অনুবাদ প্রক্রিয়াধীন। আপাতত কেবল মূল আরবি পাঠ্য।
এটি একটি প্রাথমিক AI অনুবাদ, এখনও আলেম বা সম্পাদক কর্তৃক পরীক্ষিত নয়। নির্ভুল অর্থের জন্য মূল আরবি পাঠ্য দেখুন।
মুহাদ্দিস ও আলেমদের মতামত
মুহাদ্দিস ও উলামায়ে কেরামের মতে এটি ইতিমধ্যে সংঘটিত হয়েছে
'আরবদের জন্য দুর্ভোগ, এক অনিষ্ট কাছে এসে গেছে' ব্যাখ্যা করে বলেছেন: উসমান (রা.)-এর হত্যার পর একের পর এক ফিতনা এসেছে, 'শেষে আরবরা জাতিসমূহের মাঝে খাবারের পাত্রের মতো হয়ে গেছে', যেমন অন্য হাদিসে আছে: জাতিসমূহ একে অপরকে তোমাদের বিরুদ্ধে ডাকবে।
ইবনে হাজার আসকালানি (মৃ. ৮৫২ হি.) · ফাতহুল বারি, সহিহ বুখারি ৭১৩৫-এর ব্যাখ্যা
খসড়া পর্যালোচনা: চূড়ান্ত রূপ দেওয়ার আগে প্রতিটি উদ্ধৃতি মূল কিতাবের সাথে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।
সমকালীন তথ্য ও বাস্তবতা
হাদিসের প্রাসঙ্গিকতায় সমকালীন বিশ্বের বাস্তব পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরা হয়েছে। কোনো আলামত বাস্তবায়িত হয়েছে কি না, তা এই পরিসংখ্যান দিয়ে নয়, বরং নির্ভরযোগ্য আলেমদের মতামতের আলোকেই বিবেচনা করতে হবে।
সুনানে আবু দাউদের ৪২৯৭ নম্বর হাদীসে হযরত সাওবান (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ সতর্কবাণী উচ্চারণ করে বলেছেন: 'অতিসত্বর অমুসলিম জাতিসমূহ তোমাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য একে অপরকে এমনভাবে আহ্বান করবে, যেভাবে দস্তরখানে খাবারের পাত্রের চারপাশ থেকে ভোজনকারীরা একে অপরকে ডেকে নেয়।' সাহাবায়ে কেরাম বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন: 'ইয়া রাসূলাল্লাহ! সেদিন কি আমরা সংখ্যায় কম থাকব?' নবীজি ﷺ উত্তর দিলেন: 'না, সেদিন তোমরা সংখ্যায় হবে অগণিত; কিন্তু তোমাদের অবস্থা হবে সমুদ্রের ফেনা ও আবর্জনার মতো! আর আল্লাহ তোমাদের অন্তরে ওহান (দুনিয়ার মোহ ও মৃত্যুকে অপছন্দ করা) ঢেলে দেবেন এবং শত্রুর অন্তর থেকে তোমাদের ভয় তুলে নেবেন।' সমসাময়িক মুসলিম বিশ্বের রাজনৈতিক ও সামরিক বাস্তবতায় এই হাদীসের গভীর তাৎপর্য সুস্পষ্ট।
প্রাসঙ্গিক মূল হাদিসসমূহ: সুনানে আবু দাউদ ৪২৯৭ · সহিহ বুখারি ৭১৩৫
পরিসংখ্যান দেখুন
| সাল / যুগ | মিলিয়ন মানুষ |
|---|---|
| ২০০০ | ১৯.১ |
| ২০০১ | ১৮.২ |
| ২০০২ | ১৬.৩ |
| ২০০৩ | ১৪.৮ |
| ২০০৪ | ১৫.৯ |
| ২০০৫ | ১৬.১ |
| ২০০৬ | ২৩.৪ |
| ২০০৭ | ২৫.৯ |
| ২০০৮ | ২৫.৮ |
| ২০০৯ | ২৭.০ |
| ২০১০ | ২৬.১ |
| ২০১১ | ২৬.৮ |
| ২০১২ | ২৯.১ |
| ২০১৩ | ৩৬.৮ |
| ২০১৪ | ৪৮.৫ |
| ২০১৫ | ৫৬.৮ |
| ২০১৬ | ৫৬.৫ |
| ২০১৭ | ৬২.১ |
| ২০১৮ | ৬৫.৩ |
| ২০১৯ | ৬৮.১ |
| ২০২০ | ৭৩.৪ |
| ২০২১ | ৭৭.৩ |
| ২০২২ | ৯২.২ |
| ২০২৩ | ১০১.৭ |
| ২০২৪ | ১০৭.৪ |
| ২০২৫ | ১০১.৭ |
UNRWA-র আওতাধীন ফিলিস্তিনি শরণার্থী (প্রায় ৬০ লাখ) বাদ; ইউএনএইচসিআর-এর মূল হিসাবে তারা অন্তর্ভুক্ত।
মূল সূত্র: UNHCR Refugee Data Finder (refugees, asylum-seekers and IDPs under UNHCR's mandate) · সংগ্রহের তারিখ ২০২৬-১০-২৭
বাস্তব দৃষ্টান্ত
স্রেব্রেনিৎসা, জুলাই ১৯৯৫
প্রায় ৮,০০০ বসনীয় মুসলিম পুরুষ ও কিশোরকে হত্যা করা হয়। আন্তর্জাতিক বিচার আদালত ২০০৭ সালে রায় দেয় যে স্রেব্রেনিৎসায় গণহত্যা হয়েছে, যেমন জাতিসংঘের ট্রাইব্যুনাল (ICTY) ২০০৪ সালে ক্রিস্টিচ মামলায় পেয়েছিল।
ICJ, Bosnia and Herzegovina v. Serbia and Montenegro, judgment of 26 February 2007 · ICTY, Krstić case
২০২৬-১০-২৭ পর্যন্ত হালনাগাদ
মিয়ানমারের রোহিঙ্গা
গাম্বিয়া ২০১৯ সালে গণহত্যা সনদের অধীনে মামলা করে। আন্তর্জাতিক বিচার আদালত ২০২০ সালের জানুয়ারিতে অন্তর্বর্তী ব্যবস্থার আদেশ দেয়, ২০২৬ সালের ১২–২৯ জানুয়ারি মূল বিষয়ে শুনানি করে, এবং এখনও রায় দেয়নি।
UN Independent Investigative Mechanism for Myanmar, ICJ case page · Opinio Juris, May 2026
২০২৬-১০-২৭ পর্যন্ত হালনাগাদ · মাসিক পর্যালোচনা
গাজা
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার মামলায় আন্তর্জাতিক বিচার আদালত তিনবার (২০২৪) অন্তর্বর্তী ব্যবস্থার আদেশ দিয়েছে, তবে মূল বিষয়ে রায় দেয়নি; ২০২৬ সালের ২১ মে পরবর্তী লিখিত জমার সময়সীমা ২০২৭ সালের নভেম্বর ও ২০২৯ সালের মে নির্ধারণ করেছে। জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিশন ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে ইসরায়েল গাজায় গণহত্যা করেছে; এটি তদন্তের সিদ্ধান্ত, আদালতের রায় নয়।
Presidency of South Africa, on the ICJ order of 21 May 2026 · Al Jazeera, 14 Oct 2025
২০২৬-১০-২৭ পর্যন্ত হালনাগাদ · মাসিক পর্যালোচনা
সতর্ক পাঠ ও মূলনীতি
- এগুলো আদালত ও জাতিসংঘের সংস্থার সিদ্ধান্ত ও চলমান মামলা, তারিখসহ এবং মাসে একবার পর্যালোচিত; এগুলো এই সাইটের রায় নয়। হাদিসটি উম্মাহর ভেতরের দুর্বলতা (ওয়াহন) নিয়ে, আর যে আলেম একে প্রয়োগ করেছেন, ইবনে হাজার, তিনি উসমান (রা.)-এর পরের ফিতনার ক্ষেত্রে করেছেন।
খসড়া: তথ্য ও ভাষা গবেষক দল এবং আলেম বোর্ডের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায়।