২০. ফজলুল্লাহ আস্তারাবাদী: হুরূফী মতবাদের প্রতিষ্ঠাতা (৭৯৬ হিজরী)। বর্ণ ও অক্ষরের বাতেনী দাবি তুলে শরিয়ত অবলুপ্তির ঘোষণা দেয়; মীরান শাহের হাতে নিহত হয়।
২১. মাহমুদ পাসীখানি: নুকতাভী মতবাদের প্রবক্তা যে ইসলাম রহিত হয়েছে দাবি করে।
২২. সৈয়দ মুহাম্মদ জৌনপুরী: ভারতের মেহদাবীয়া মতবাদের প্রতিষ্ঠাতা (মৃত্যু ৯১০ হি.)।
২৩. আলী মুহাম্মদ সিরাজী (আল-বাব): ইরানে বাবী মতবাদের প্রতিষ্ঠাতা (১৮১৯-১৮৫০ খ্রি.)। প্রথমে বাবে ইমাম, পরে মাহদী এবং পরিশেষে পূর্ণাঙ্গ নতুন নবী দাবি করে 'বায়ান' নামক কিতাব রচনা করে, যাতে কুরআন ও নামাজ বাতিল করা হয়। ১৮৫০ সালে তাবরিজে ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়।
২৪. বাহাউল্লাহ (হুসাইন আলী নূরী): বাবীদের নেতা ও বাহাই ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা (১৮১৭-১৮৯২ খ্রি.)। নিজেকে সকল ধর্মের প্রতিশ্রুত খোদার অবতার দাবি করে 'কিতাবুল আকদাস' রচনা করে কাবা পরিবর্তন করে ইসরায়েলের আক্কায় কিবলা স্থাপন করে।
২৫. মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী: ভারতের পাঞ্জাবের কাদিয়ানী মতবাদের প্রতিষ্ঠাতা (১৮৩৫-১৯০৮ খ্রি.)। প্রথমে বিতার্কিক, পরে মুজাদ্দিদ, এরপর ঈসা মসীহ ও মাহদী এবং সবশেষে নিজেকে সরাসরি 'যিল্লী ও বুরূযী নবী' দাবি করে ওহী পাওয়ার দাবি করে এবং তাকে অস্বীকারকারী সকল মুসলিমকে কাফের ফতোয়া দেয়। ১৯৭৪ সালে রাবেতায়ে আলমে ইসলামী এবং বিশ্বের সকল মুসলিম আলেমদের সর্বসম্মত ইজমা অনুযায়ী কাদিয়ানী সম্প্রদায়কে অমুসলিম ঘোষণা করা হয়।
২৬. রাশাদ খলিফা: যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় ১৯ কোডের আবিষ্কর্তা গবেষক। ১৯৮৮ সালে নিজেকে সূরা আলে ইমরানের ৮১ নং আয়াতে বর্ণিত 'রাসূলুল মীসাক' দাবি করে, সূরা তাওবার শেষ দুই আয়াত কুরআন থেকে ফেলে দেয় এবং সকল হাদীস অস্বীকার করে। ১৯৯০ সালে নিজ মসজিদে আততায়ীর হাতে নিহত হয়।
২৭. নোবেল ড্রু আলী ও এলিজাহ মুহাম্মদ: আমেরিকায় মুরিশ সায়েন্স ও নেশন অব ইসলামের প্রবক্তা যারা কৃষ্ণাঙ্গদের জন্য নতুন নবী ও রাসূলের দাবিদার ছিলেন।
২৮. মাহমুদ মুহাম্মদ তাহা (সুদান, মৃত্যু ১৯৮৫): 'ইসলামের দ্বিতীয় রিসালাত' দাবি করে মাদানী কুরআন অপ্রয়োজনীয় বলে দাবি করে; ধর্মত্যাগের অপরাধে খার্তুমে ফাঁসিতে ঝুলানো হয়।
২৯. লিয়া ইডেন (ইন্দোনেশিয়া, ১৯৪৭-২০২১): জিবরীলের মাধ্যমে ওহী দাবি করে নিজেকে পবিত্র আত্মা দাবিদার নারী। জাকার্তায় বারবার কারাদণ্ড ভোগ করে।
৩০. আহমদ আল-হাসান আল-ইয়ামানী (ইরাক): ২০০৩ পরবর্তী সময়ে বসরায় ১২তম ইমামের অভ্রান্ত দূত ও প্রেরিত বার্তাবাহক দাবি করে আনসারুল মাহদী গঠন করে ফিতনা ছড়ায়।