পর্যালোচনা সংস্করণএটি আলেমদের পর্যালোচনাধীন একটি খসড়া সংস্করণ। এখনও চূড়ান্তভাবে প্রকাশের জন্য নয়।
আল ফিতান
সম্পূর্ণ ১,৯৮৮টি বর্ণনা · সকল ৭৩টি অধ্যায়نعيم بن حماد المروزي (ت ۲۲৮ هـ)

কিতাবুল ফিতান · ইমাম নুআইম ইবনে হাম্মাদ

ইমাম নুআইম ইবনে হাম্মাদ আল-মারওয়াযী (ওফাত ২২৮ হিজরী)-এর কিতাবুল ফিতানের সম্পূর্ণ ১,৯৮৮টি বর্ণনার সংগ্রহ। সকল ৭৩টি অধ্যায়ের মূল আরবি পাঠ্যের সাথে প্রাঞ্জল বাংলা ও ইংরেজি অনুবাদ, সিহাহ সিত্তাহর সাথে মিল এবং মুহাদ্দিসদের তাহকীকী বিশ্লেষণ যুক্ত করা হয়েছে।

১,৯৮৮মোট রেওয়ায়েত
৭৩মোট অধ্যায়
৪৬৫মারফূ' (নবী ﷺ)
১০১সিহাহ সিত্তাহ সাদৃশ্য
1

অনাগত ফিতনাসমূহ সম্পর্কে নবী ﷺ ও সাহাবীগণের পূর্ব সতর্কবার্তা

ما كان من رسول الله صلى الله عليه وسلم من التقدم ومن أصحابه بعده في الفتن التي هي كائنة

1 টি বর্ণনা
কিতাবুল ফিতান #৬৭খণ্ড ১ · পৃষ্ঠা ৪৭
মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا هشيم، عن سيار، عن أبي وائل شقيق بن سلمة، عن حذيفة، أن عمر، رضي الله عنه قال لأصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم: أيكم سمع قول رسول الله صلى الله عليه وسلم في الفتنة؟ فقال حذيفة: فقلت: أنا سمعته يقول

فتنة الرجل في أهله، وماله، وجاره، يكفر ذلك الصوم، والصلاة، والصدقة

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমাদের মধ্যে কে নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ফিতনা সম্বন্ধীয় হাদীস স্মরণ রেখেছ যেমনভাবে তিনি বর্ণনা করেছেন। হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, আমিই সর্বাধিক মনে রেখেছি। ‘উমার (রাঃ) বললেন, বর্ণনা কর, তুমি তো অত্যন্ত সাহসী ব্যক্তি। হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেছেন, মানুষের পরিবার-পরিজন, ধন-সম্পদ এবং প্রতিবেশি দ্বারা সৃষ্ট ফিতনা-ফাসাদের ক্ষতিপূরণ হয়ে যাবে সালাত, সাদ্কা এবং সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করার দ্বারা। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমি এ ধরনের ফিতনা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করিনি বরং উদ্বেলিত সমুদ্রের ঢেউয়ের মত ভীষণ আঘাত হানে ঐ ধরনের ফিতনা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি। হুযাইফাহ (রাঃ) বলেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! এ ধরনের ফিতনা সম্পর্কে আপনার শঙ্কিত হবার কোন কারণ নেই। আপনার এবং এ জাতীয় ফিতনার মধ্যে এশটি সুদৃঢ় কপাট বন্ধ অবস্থায় রয়েছে। ‘উমার (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, এ কপাটটি কি খোলা হবে, না ভেঙ্গে ফেলা হবে? হুযাইফাহ (রাঃ) বলেন, ভেঙ্গে ফেলা হবে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তা হলে এ কপাটটি আর সহজে বন্ধ করা যাবে না। আমরা হুযাইফাহ্কে জিজ্ঞেস করলাম, ‘উমার (রাঃ) কি জানতেন, ঐ কপাট দ্বারা কাকে বুঝানো হয়েছে? তিনি বললেন, অবশ্যই; যেমন নিশ্চিতভাবে জানতেন আগামী দিনের পূর্বে আজ রাতের আগমন অনিবার্য। আমি তাঁকে এমন একটি হাদীস শুনিয়েছি, যাতে ভুল-চুকের সুযোগ নেই। আমরা হুযাইফাহ্কে ভয়ে জিজ্ঞেস করতে সাহস পাইনি, তাই মাসরূককে বললাম, মাসরূক (রহ.) জিজ্ঞেস করলেন, এ বন্ধ কপাট কে? হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, ‘উমার (রাঃ) স্বয়ং। (৫২৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)