পর্যালোচনা সংস্করণএটি আলেমদের পর্যালোচনাধীন একটি খসড়া সংস্করণ। এখনও চূড়ান্তভাবে প্রকাশের জন্য নয়।
আল ফিতান

এগুলো দিয়ে শুরু করতে পারেন

সম্পূর্ণ ১,৯৮৮টি বর্ণনা · সকল ৭৩টি অধ্যায়نعيم بن حماد المروزي (ت ۲۲৮ هـ)

কিতাবুল ফিতান · ইমাম নুআইম ইবনে হাম্মাদ

ইমাম নুআইম ইবনে হাম্মাদ আল-মারওয়াযী (ওফাত ২২৮ হিজরী)-এর কিতাবুল ফিতানের সম্পূর্ণ ১,৯৮৮টি বর্ণনার সংগ্রহ। সকল ৭৩টি অধ্যায়ের মূল আরবি পাঠ্যের সাথে প্রাঞ্জল বাংলা ও ইংরেজি অনুবাদ, সিহাহ সিত্তাহর সাথে মিল এবং মুহাদ্দিসদের তাহকীকী বিশ্লেষণ যুক্ত করা হয়েছে।

১,৯৮৮মোট রেওয়ায়েত
৭৩মোট অধ্যায়
৪৬৫মারফূ' (নবী ﷺ)
১০১সিহাহ সিত্তাহ সাদৃশ্য
61

হযরত ঈসা ইবনে মারইয়াম (আ.)-এর অবতরণ ও তাঁর পবিত্র ভূমিকা

نزول عيسى ابن مريم عليه السلام وسيرته

3 টি বর্ণনা
কিতাবুল ফিতান #১,৫৯৬খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৫৭১
🟢 মারফূ' (নবী ﷺ)মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا ابن وهب، عن حنظلة، سمع سالما، يقول: سمعت ابن عمر، رضي الله عنه يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " أريت عند الكعبة مما يلي المقام رجلا آدم سبط الرأس، واضعا يديه على رجلين، يسكب رأسه، أو يقطر رأسه، ماء، فسألت: من هذا؟ فقال قائل: هذا عيسى ابن مريم "

حدثنا ابن وهب، عن حنظلة، سمع سالما، يقول: سمعت ابن عمر، رضي الله عنه يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " أريت عند الكعبة مما يلي المقام رجلا آدم سبط الرأس، واضعا يديه على رجلين، يسكب رأسه، أو يقطر رأسه، ماء، فسألت: من هذا؟ فقال قائل: هذا عيسى ابن مريم "

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেন, আমি (স্বপ্নযোগে) কা'বার নিকটে খাড়া চুল বিশিষ্ট বাদামী রঙের এক ব্যক্তিকে দু'জন লোকের (কাঁধের) উপর হাত রাখা অবস্থায় দেখেছি। তার মাথা থেকে পানি গড়িয়ে পড়ছিল অথবা বলেছেন, ফোটা ফোটা পানি পড়ছিল। আমি জানতে চাইলাম, ইনি কে? লোকেরা বললো, ঈসা ইবনু মারইয়াম (আঃ) অথবা বলেছেন, আল মাসীহ ইবনু মারইয়াম (আঃ)। সালিম বলেন, ইবনু উমর (রাযিঃ) সঠিকভাবে অবগত নন, রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকোনটি বলেছেন। তবে তিনি এ কথাও বলেছেন যে, তার পেছনে আমি এমন এক ব্যক্তিকেও দেখেছি, যে রক্তবর্ণের, স্থুলদেহী, মাথার চুল কোঁকড়ানো, ডান চোখ কানা, আকৃতিতে আমার দেখা (কাফির) ইবনু কাতানের সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ। আমি জানতে চাইলাম, এ লোকটি কে? তারা বললেন, এ হলো মাসীহে দাজ্জাল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)

🔗সিহাহ সিত্তাহ সাদৃশ্য:muslim:169c (partial)
ID: nuaym-fitan-1596 · Ch 61
কিতাবুল ফিতান #১,৬০৪খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৫৭৪
🟢 মারফূ' (নবী ﷺ)মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

قال الزهري: عن ابن المسيب، سمع أبا هريرة، رضي الله عنه يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: والذي نفسي بيده

ليوشكن أن ينزل فيكم ابن مريم حكما عدلا، وإماما مقسطا، يكسر الصليب، ويقتل الخنزير، ويضع الجزية، ويفيض المال حتى لا يقبله أحد

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেছেন, শপথ সেই সত্তার, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, শীঘ্রই তোমাদের মধ্যে মারিয়ামের পুত্র ‘ঈসা (আঃ) শাসক ও ন্যায় বিচারক হিসেবে আগমন করবেন। তিনি ‘ক্রুশ’ ভেঙ্গে ফেলবেন, শূকর হত্যা করবেন এবং তিনি যুদ্ধের সমাপ্তি টানবেন। তখন সম্পদের ঢেউ বয়ে চলবে। এমনকি কেউ তা গ্রহণ করতে চাইবে না। তখন আল্লাহকে একটি সিজ্দা করা তামাম দুনিয়া এবং তার মধ্যকার সমস্ত সম্পদ হতে অধিক মূল্যবান বলে গণ্য হবে। অতঃপর আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) বলেন, তোমরা ইচ্ছা করলে এর সমর্থনে এ আয়াতটি পড়তে পারঃ ‘‘কিতাবীদের মধ্যে প্রত্যেকে তাঁর (ঈসা (আঃ)-এর) মৃত্যুর পূর্বে তাঁকে বিশ্বাস করবেই এবং কিয়ামতের দিন তিনি তাদের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিবেন।’’ (আন-নিসাঃ ১৫৯) (২২২২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)

কিতাবুল ফিতান #১,৬১১খণ্ড ২ · পৃষ্ঠা ৫৭৪
🟢 মারফূ' (নবী ﷺ)মান: নির্ধারিত নয় (দুর্বল)
সনদ দেখুন (হাদীসের সূত্রপরম্পরা)▼

حدثنا ابن عيينة، عن الزهري، عن ابن المسيب، عن أبي هريرة، رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال

يوشك أن ينزل فيكم ابن مريم حكما مقسطا، يكسر الصليب، ويقتل الخنزير، وتوضع الجزية، ويفيض المال حتى لا يقبله أحد

বাংলা✓ সিহাহ সিত্তাহর সমর্থিত পাঠ

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেছেন, শপথ সেই সত্তার, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, শীঘ্রই তোমাদের মধ্যে মারিয়ামের পুত্র ‘ঈসা (আঃ) শাসক ও ন্যায় বিচারক হিসেবে আগমন করবেন। তিনি ‘ক্রুশ’ ভেঙ্গে ফেলবেন, শূকর হত্যা করবেন এবং তিনি যুদ্ধের সমাপ্তি টানবেন। তখন সম্পদের ঢেউ বয়ে চলবে। এমনকি কেউ তা গ্রহণ করতে চাইবে না। তখন আল্লাহকে একটি সিজ্দা করা তামাম দুনিয়া এবং তার মধ্যকার সমস্ত সম্পদ হতে অধিক মূল্যবান বলে গণ্য হবে। অতঃপর আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) বলেন, তোমরা ইচ্ছা করলে এর সমর্থনে এ আয়াতটি পড়তে পারঃ ‘‘কিতাবীদের মধ্যে প্রত্যেকে তাঁর (ঈসা (আঃ)-এর) মৃত্যুর পূর্বে তাঁকে বিশ্বাস করবেই এবং কিয়ামতের দিন তিনি তাদের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিবেন।’’ (আন-নিসাঃ ১৫৯) (২২২২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)