পূর্ব দিক থেকে ফিতনা, যেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হয়
সংক্ষেপে
নবী ﷺ পূর্ব দিকে ইশারা করে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে সেখান থেকে ফিতনা উঠবে, 'যেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হয়'।
ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী ﷺ মিম্বারের পাশে দাঁড়িয়ে পূর্ব দিকে ইশারা করে বললেন: 'ফিতনা এখানে! ফিতনা এখানে, যেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হয়' (সহিহ বুখারি ৭০৯২)। অন্য বর্ণনায়, লোকেরা যখন নজদের জন্য বরকত চাইল, তিনি বললেন: 'সেখানে ভূমিকম্প ও ফিতনা হবে, এবং সেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হবে' (সহিহ বুখারি ৭০৯৪)।
ইতিহাসজুড়ে উন্মোচিত ফিতনা; এটি একটি দিকের নাম নেয়, কোনো তারিখের নয়।
আলেমরা 'পূর্ব' ও 'শয়তানের শিং'-কে ভিন্নভাবে পড়েন: কেউ পূর্বাঞ্চলে সংঘটিত প্রাথমিক বড় গৃহযুদ্ধের অর্থে, কেউ সেই দিক থেকে বিভ্রান্ত ফিরকা ও বিশৃঙ্খলার উত্থানের অর্থে। সকলে সতর্ক করেন যে হাদিসটি একটি দিক ও এক প্রকার ফিতনার নাম নেয়, কোনো নির্দিষ্ট আধুনিক দেশ বা জাতির নয়, এবং একে কখনো কোনো জীবন্ত জনগোষ্ঠীকে দোষারোপে ব্যবহার করা যাবে না।
প্রকাশ্য ও গোপন ফিতনা থেকে আল্লাহর আশ্রয় চান, এবং যে হাদিস একটি দিকের নাম নেয়, কোনো জাতির নয়—তা দিয়ে কোনো অঞ্চল বা জাতিকে বিচার করবেন না।
খসড়া বিবরণী, আলেম পর্ষদের চূড়ান্ত যাচাই প্রক্রিয়াধীন। পূর্ণ পাঠ ‘উৎস’ ট্যাবে এবং আলেমদের পর্যালোচনা ‘তাহকীক’ ট্যাবে দেখুন।
আলামতের ধারাবাহিকতায় অবস্থান
হাদীসসমূহে এগুলোর কোনো নির্দিষ্ট ধারাবাহিক ক্রম উল্লেখিত হয়নি; বরং বিভিন্ন সময়ে এর একাধিক আলামত যুগপৎভাবে প্রকাশ পেতে পারে। সহীহ বুখারীর ৭১২১ নম্বর হাদীসে এ ধরনের কয়েকটি আলামত একসাথে বর্ণিত হয়েছে।
সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য হাদিসসমূহ
সংগ্রহশালার সব হাদিস পড়ুন →ট্যাগগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত, আলেমদের দ্বারা পর্যালোচনার কাজ চলছে।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ الْحَسَنِ، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي شَامِنَا وَفِي يَمَنِنَا. قَالَ قَالُوا وَفِي نَجْدِنَا قَالَ قَالَ اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي شَامِنَا وَفِي يَمَنِنَا. قَالَ قَالُوا وَفِي نَجْدِنَا قَالَ قَالَ هُنَاكَ الزَّلاَزِلُ وَالْفِتَنُ، وَبِهَا يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ.
ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, হে আল্লাহ্! আমাদের শামে (সিরিয়া) ও ইয়ামনে বরকত দান করুন। লোকেরা বলল, আমাদের নজদেও। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আল্লাহ্! আমাদের শামদেশে ও ইয়ামনে বরকত দান করুন। লোকেরা তখন বলল, আমাদের নজদেও। রাবী বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেনঃ সেখানে তো রয়েছে ভূমিকম্প ও ফিতনা-ফাসাদ আর শয়তানের শিং সেখান হতেই বের হবে (তার উত্থান ঘটবে)। (৬০৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَامَ إِلَى جَنْبِ الْمِنْبَرِ فَقَالَ " الْفِتْنَةُ هَا هُنَا الْفِتْنَةُ هَا هُنَا مِنْ حَيْثُ يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ ". أَوْ قَالَ " قَرْنُ الشَّمْسِ ".
সালিমের পিতা ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, একবার তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিম্বারের পাশে দাঁড়িয়ে বলেছেনঃ ফিতনা এ দিকে, ফিতনা সে দিকে যেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হবে। কিংবা বলেছিলেনঃ সূর্যের মাথা উদিত হয়। [৩১০৪; মুসলিম ৫২/১৬, হাঃ ২৯০৫, আহমাদ ৪৯৮০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهْوَ مُسْتَقْبِلٌ الْمَشْرِقَ يَقُولُ " أَلاَ إِنَّ الْفِتْنَةَ هَا هُنَا مِنْ حَيْثُ يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ ".
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে পূর্ব দিকে মুখ করে বলতে শুনেছেন, সাবধান! ফিতনা সে দিকে যে দিক থেকে শয়তানের শিং উদিত হয়। [৩১০৪; মুসলিম ৫২/১৬, হাঃ ২৯০৫, আহমাদ ৫৪১০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا أَزْهَرُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ ذَكَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي شَأْمِنَا، اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي يَمَنِنَا ". قَالُوا وَفِي نَجْدِنَا. قَالَ " اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي شَأْمِنَا، اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي يَمَنِنَا ". قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَفِي نَجْدِنَا فَأَظُنُّهُ قَالَ فِي الثَّالِثَةَ " هُنَاكَ الزَّلاَزِلُ وَالْفِتَنُ، وَبِهَا يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ ".
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলোচনা করছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ্! আমাদের জন্য আমাদের সিরিয়ায় বারকাত দাও। হে আল্লাহ্! আমাদের জন্য আমাদের ইয়ামানে বরকত দাও। লোকেরা বলল, আমাদের নজদেও। তিনি বললেন, হে আল্লাহ্! আমাদের জন্য আমাদের সিরিয়ায় বরকত দাও। হে আল্লাহ্! আমাদের জন্য বরকত দাও আমাদের ইয়ামানে। লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের নজদেও। (বর্ণনাকারী বলেন) আমার মনে হয়, তৃতীয়বারে তিনি বললেনঃ সেখানে তো কেবল ভূমিকম্প আর ফিতনা। আর তথা হতে শয়তানের শিং উদিত হবে।[1] [১০৩৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، ح وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ مُسْتَقْبِلُ الْمَشْرِقِ يَقُولُ " أَلاَ إِنَّ الْفِتْنَةَ هَا هُنَا أَلاَ إِنَّ الْفِتْنَةَ هَا هُنَا مِنْ حَيْثُ يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ " .
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ, মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পূর্বমুখী ছিলেন। এমতাবস্থায় তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন, ফিতনাহ এদিক থেকে, ফিতনাহ এদিক থেকে-যেখান থেকে শাইতানের (শয়তানের) শিং উদিত হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০২৮, ইসলামিক সেন্টার)
حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ، سَعِيدٍ كُلُّهُمْ عَنْ يَحْيَى الْقَطَّانِ، قَالَ الْقَوَارِيرِيُّ حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ، عُمَرَ حَدَّثَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَامَ عِنْدَ بَابِ حَفْصَةَ فَقَالَ بِيَدِهِ نَحْوَ الْمَشْرِقِ " الْفِتْنَةُ هَا هُنَا مِنْ حَيْثُ يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ " . قَالَهَا مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاَثًا . وَقَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ فِي رِوَايَتِهِ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عِنْدَ بَابِ عَائِشَةَ .
উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার আল কাওয়ারিরী, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... ইবনু উমার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাফসাহ (রাযিঃ) এর দরজার কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় তিনি তার আঙ্গুল দ্বারা পূর্বপ্রান্তের দিকে ইশারা করে বললেন, ফিতনাহ এদিক থেকে-যেদিক থেকে শাইতানের (শয়তানের) শিং উদিত হবে। এ কথাটি তিনি দু’ বা তিনবার বলেছেন। বর্ণনাকারী উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) তার বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়িশাহ (রাযিঃ) এর দরজার কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০২৯, ইসলামিক সেন্টার)
এই আলামত সম্পর্কিত দুর্বল ও মান নির্ধারণহীন বর্ণনা
২
কেবলমাত্র গবেষণার সুবিধার্থে দেখানো হয়েছে, কোনো আমল বা আকিদার দলিল হিসেবে নয়। এর মধ্যে নুআইম ইবনে হাম্মাদের কিতাবুল ফিতানের বর্ণনাও রয়েছে, যা সার্বিকভাবে দুর্বল।
আমাদের নীতিমালায় মান নির্ধারিত নয়। সংকলিত মতামত নিচে দেওয়া হলো।
حدثنا أزهر بن سعد أبو بكر السمان، أخبرنا ابن عون، عن نافع، عن ابن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " اللهم بارك لنا في شامنا، اللهم بارك لنا في يمننا "، قالوا: وفي نجدنا ! قال: " اللهم بارك لنا في شامنا، اللهم بارك لنا في يمننا "، قالوا: وفي نجدنا قال: " هنالك الزلازل، والفتن منها أو قال: بها يطلع قرن الشيطان "
অনুবাদ প্রক্রিয়াধীন। আপাতত কেবল মূল আরবি পাঠ্য।
এটি একটি প্রাথমিক AI অনুবাদ, এখনও আলেম বা সম্পাদক কর্তৃক পরীক্ষিত নয়। নির্ভুল অর্থের জন্য মূল আরবি পাঠ্য দেখুন।
আমাদের নীতিমালায় মান নির্ধারিত নয়। সংকলিত মতামত নিচে দেওয়া হলো।
حدثنا يونس، حدثنا حماد بن سلمة، عن بشر بن حرب، سمعت ابن عمر يقول: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: " اللهم بارك لنا في مدينتنا، وفي صاعنا ، ومدنا، ويمننا، وشامنا، ثم استقبل مطلع الشمس " فقال: " من هاهنا يطلع قرن الشيطان، من هاهنا الزلازل والفتن "
অনুবাদ প্রক্রিয়াধীন। আপাতত কেবল মূল আরবি পাঠ্য।
এটি একটি প্রাথমিক AI অনুবাদ, এখনও আলেম বা সম্পাদক কর্তৃক পরীক্ষিত নয়। নির্ভুল অর্থের জন্য মূল আরবি পাঠ্য দেখুন।
মুহাদ্দিস ও আলেমদের মতামত
আলেমদের মতে এটি আংশিক প্রকাশ পেয়েছে, কিংবা এ নিয়ে মতভেদ রয়েছে
খসড়া পর্যালোচনা: চূড়ান্ত রূপ দেওয়ার আগে প্রতিটি উদ্ধৃতি মূল কিতাবের সাথে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।
ইমাম নববী ও ইবনে হাজার (মৃ. ৮৫২ হি.)মৃ. ৬৭৬ হি.
উল্লেখ করেছেন যে নবী ﷺ পূর্ব দিকে ইশারা করে বলেছেন ফিতনা উঠবে 'যেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হয়'। পূর্ব বলতে কী বোঝানো হয়েছে তা নিয়ে আলেমদের মতভেদ রয়েছে—কেউ একে পূর্বাঞ্চলে সংঘটিত প্রাথমিক বড় ফিতনাগুলোর অর্থে পড়েন, কেউ সেই দিকের অর্থে যেখান থেকে বিশৃঙ্খলা ও ভ্রান্ত মতবাদ বারবার ফিরে আসে—এবং তাঁরা একে কোনো একটি নির্দিষ্ট দেশ বা জাতির ওপর নির্ধারণ করা থেকে সতর্ক করেন।
শরহে সহিহ মুসলিম; ফাতহুল বারি, সহিহ বুখারি ৭০৯২-৭০৯৪-এর ব্যাখ্যা
অর্থ ও প্রেক্ষাপট
নবী ﷺ পূর্ব দিকে ইশারা করে বলেছেন সেখান থেকে ফিতনা উঠবে, 'যেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হয়'। আলেমরা দিকটিকে একাধিকভাবে পড়েন এবং একে কোনো দেশের ওপর নির্ধারণ থেকে সতর্ক করেন; গণনার কিছু নেই।
প্রাসঙ্গিক মূল হাদিসসমূহ: সহিহ বুখারি ৭০৯২ · সহিহ বুখারি ৭০৯৪
মুহাদ্দিস ও মুফাসসিরদের ব্যাখ্যা
- কেউ 'পূর্ব'-কে পূর্বাঞ্চলে সংঘটিত প্রাথমিক বড় গৃহযুদ্ধের অর্থে পড়েন: নববী, ইবনে হাজার।
- কেউ একে সেই দিকের অর্থে পড়েন যেখান থেকে বিভ্রান্ত ফিরকা ও বিশৃঙ্খলা বারবার ফিরে আসে; হাদিসটি একটি দিক ও এক প্রকার ফিতনার নাম নেয়, কোনো আধুনিক জাতির নয়।
সতর্ক পাঠ ও মূলনীতি
- হাদিসটি একটি দিকের নাম নেয়, কোনো জাতির নয়; এটি কোনো জীবন্ত অঞ্চল বা জনগোষ্ঠীকে দোষারোপের ভিত্তি নয়।
খসড়া: তথ্য ও ভাষা গবেষক দল এবং আলেম বোর্ডের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায়।