আল ফিতান

এগুলো দিয়ে শুরু করতে পারেন

হাদিস সংগ্রহশালা

কিয়ামতের সকল হাদিস ও আয়াত

সিহাহ সিত্তাহ ও মুয়াত্তা থেকে ১,৮৯৯টি হাদিস, আল-মুসতাদরাক, মুসনাদে আহমাদ ও সুনানে দারিমি থেকে আরও ১,৩৬৪টি, এবং কিতাবুল ফিতান থেকে ১,৯৮৮টি বর্ণনা। ডিফল্টভাবে কেবল সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হচ্ছে; দুর্বল বা অন্যান্য বর্ণনা দেখতে চাইলে ফিল্টার ব্যবহার করতে পারেন।

কোন বিষয়ে কোন কিতাবে হাদিস আছে

বিষয় ও হাদিসগ্রন্থ অনুযায়ী সহিহ ও হাসান হাদিসের সংখ্যা। হাদিসগুলো পড়তে যেকোনো ঘরে ক্লিক করুন। কিতাবুল ফিতানের বর্ণনা দেখতে 'দুর্বল বর্ণনা' ফিল্টার চালু করুন।

সহিহ বুখারিসহিহ মুসলিমসুনানে আবু দাউদজামে তিরমিযিসুনানে নাসাঈসুনানে ইবনে মাজাহমুয়াত্তা মালিকআল-মুসতাদরাক (হাকিম)মুসনাদে আহমাদসুনানে দারিমিকিতাবুল ফিতান (নুআইম ইবনে হাম্মাদ)
কিয়ামত
কিয়ামত৬১৪৫১৩১৬৭২৫১
নিকৃষ্ট লোকদের ওপর কিয়ামত১২১
শেষ সময়ে আসমান-জমিনের পরিবর্তন১১
বড় আলামত
দাজ্জাল৬২৭১২৫১৭৩০১৪৪
মাহদি১২৩৩২৩
ঈসা (আ.)১০১৫২৪১৩১
ইয়াজুজ-মাজুজ১১৭১৪৬
ধোঁয়া৯৫১২২
ভূমিধস৮৩৫১৯
পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয়৬১২৪৫৫
দাব্বাহ৫২১৩
ইয়েমেনের আগুন৩৩১২১
যুস-সুওয়াইকাতাইন কাবা ধ্বংস করবে২৩১১
মুমিনদের প্রাণ হরণকারী কোমল বাতাস১১১
এক রাতে মুসহাফ ও মানুষের অন্তর থেকে কুরআন উঠিয়ে নেওয়া১
ছোট আলামত
সুফিয়ানি
কালো পতাকা১
ফোরাত১৫১২২
কাহতানি২১
ইলম উঠিয়ে নেওয়া৯৬১২৩
হারজ: ব্যাপক হত্যা১১৫২২৬১
ভূমিকম্প বেড়ে যাওয়া৪২১
সময় সংকুচিত হওয়া৪২১১১
খালি পায়ের রাখালদের উঁচু দালান নিয়ে প্রতিযোগিতা২৩১১২২
দাসী তার মনিবকে জন্ম দেবে১২১১১৩
আমানত নষ্ট হওয়া; অযোগ্যের হাতে দায়িত্ব২১১২
প্রকাশ্য পাপ: ব্যভিচার ও বাদ্যযন্ত্র৬২২১২
পুরুষ কমে নারী বেড়ে যাওয়া৪১১১
সম্পদের প্রাচুর্য; সদকা নেওয়ার লোক থাকবে না৮৩১২
আরব ভূমি আবার তৃণভূমি ও নদীতে ভরে যাবে
নবুওয়াতের দাবিদার ত্রিশ মিথ্যাবাদী২১২২১
হিজাজে আগুন১১
অন্ধকার রাতের টুকরোর মতো ফিতনা৭৪৪৪৪
ইসলাম আবার অপরিচিত হবে; জ্বলন্ত অঙ্গার ধরে রাখার মতো দ্বীন ধরে রাখা২২৩
জাতিসমূহ একে অপরকে তোমাদের বিরুদ্ধে ডাকবে১
কিছু গোত্রের মূর্তিপূজায় ফিরে যাওয়া১২১১
জাহজাহ১
মদিনা দাজ্জাল থেকে সুরক্ষিত; মদিনা তার ময়লা দূর করে২২১
মসজিদ সাজানো নিয়ে গর্ব১১১
কবরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় সেখানে থাকার কামনা২১
নবী ﷺ-এর আগমন ও ইন্তেকাল: প্রথম আলামত২৩১১২
চন্দ্র দ্বিখণ্ডিত হওয়া (ইনশিকাকুল কামার)২৪৩
সুদের বিস্তার ও ভিন্ন নামে মাদক গ্রহণ১২১
আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন, মন্দ প্রতিবেশী ও মিথ্যা সাক্ষ্য৬২১৪১
বাজারসমূহ কাছাকাছি আসা, বাণিজ্যের প্রসার ও পরিচিতদের সালাম দেওয়া
প্রচুর বৃষ্টিপাত সত্ত্বেও জমিনে ফসল না ফলা১
ভূমিধস, আকৃতি বিকৃতি ও পাথর বর্ষণ (খাসফ, মাসখ ও কযফ)২২
হিংস্র প্রাণী ও জড় বস্তুর মানুষের সাথে কথা বলা১
ইরাক, শাম ও মিসরের অবরোধ (খাদ্য ও মুদ্রা রুদ্ধ হওয়া)১১
পৃথিবী তার গর্ভস্থ স্বর্ণ-রৌপ্যের স্তম্ভসমূহ উগরে দেবে১১
বায়তুল মাকদিসের সমৃদ্ধি ও ইয়াসরিবের বিরান হওয়া২
পোশাক পরিহিত অথচ উলঙ্গ নারী১
সামাজিক ও নৈতিক শৃঙ্খলার উল্টে যাওয়া
আকস্মিক মৃত্যুর বিস্তার
একই দাবিতে দুই বিশাল দলের যুদ্ধ৪
মহামারি: ছাগপালের মড়কের মতো গণমৃত্যু১
বায়দা প্রান্তরে সেনাবাহিনী ভূগর্ভে ধসে যাওয়া১১১
দ্বীন নিয়ে পাহাড়ে পলায়ন২১১
গরুর লেজের মতো চাবুকধারী নিপীড়ক১
রমজানে আকাশের ধ্বনি
পূর্ব দিক থেকে ফিতনা, যেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হয়৪৫২
রোমানরা হবে সর্বাধিক জনসংখ্যার জাতি২
যুদ্ধ ও মালাহিম
মালহামা১১৪২
রোমান (আর-রুম)৫৯২৩৫
রোমানদের সাথে সন্ধি১৩৩
কনস্টান্টিনোপল বিজয়১৩১
তুর্কি৯৫৪২১৫
গারকাদ গাছ২
গাযওয়াতুল হিন্দ১
রোম (রুমিয়া) বিজয়
ভবিষ্যদ্বাণীকৃত ঘটনা
উমাইয়া১
আব্বাসীয়
কিয়ামত পর্যন্ত সত্যের ওপর অটল একটি দল৪৬২২১৩
প্রতি শতাব্দীতে একজন সংস্কারক১
খারিজিদের ভবিষ্যদ্বাণী১৬১০৬২৩৮১
সাহাবিদের যুগের ফিতনা (উসমান, জামাল, সিফফিন)১০৩১৩
খিলাফত, তারপর রাজতন্ত্র২৫৪১
বিজয়ের ভবিষ্যদ্বাণী (পারস্য, রোম, ইয়ামান, শাম, ইরাক, মিসর, বায়তুল মাকদিস)১১৪২১১১
মৃত্যু, কিয়ামত দিবস ও আখিরাত
কিয়ামত দিবস৩২২৫৩২৩৩২৭১
শিঙ্গায় ফুঁক২১
পুনরুত্থান১
হাশর৪৫১২
হিসাব, আমলনামা ও মিজান৩২৩৩
শাফাআত৩৪৪
পুলসিরাত ও হাউজে কাওসার১৯১৬৬
মৃত্যু ও কবর (বারযাখ)৯১৩৪৩২৮৪১
জান্নাত৬৪৫৮১৫০৩৭১
জাহান্নাম১৬২২৫১৩১০১৫১

হাদিসের তালিকা

ফিল্টার১
রিসেট

১১টি হাদিস পাওয়া গেছে

সহিহ বুখারিহাদীস নং ১০৩৭সহিহবর্ণনাকারী: ইবনু ‘উমার (রাযি.)صحيح البخاريرقم ١٠٣٧

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ الْحَسَنِ، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي شَامِنَا وَفِي يَمَنِنَا‏.‏ قَالَ قَالُوا وَفِي نَجْدِنَا قَالَ قَالَ اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي شَامِنَا وَفِي يَمَنِنَا‏.‏ قَالَ قَالُوا وَفِي نَجْدِنَا قَالَ قَالَ هُنَاكَ الزَّلاَزِلُ وَالْفِتَنُ، وَبِهَا يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, হে আল্লাহ্! আমাদের শামে (সিরিয়া) ও ইয়ামনে বরকত দান করুন। লোকেরা বলল, আমাদের নজদেও। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আল্লাহ্! আমাদের শামদেশে ও ইয়ামনে বরকত দান করুন। লোকেরা তখন বলল, আমাদের নজদেও। রাবী বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেনঃ সেখানে তো রয়েছে ভূমিকম্প ও ফিতনা-ফাসাদ আর শয়তানের শিং সেখান হতেই বের হবে (তার উত্থান ঘটবে)। (৬০৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)

সহিহ বুখারিহাদীস নং ৭০৯২সহিহصحيح البخاريرقم ٧٠٩٢

حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَامَ إِلَى جَنْبِ الْمِنْبَرِ فَقَالَ ‏"‏ الْفِتْنَةُ هَا هُنَا الْفِتْنَةُ هَا هُنَا مِنْ حَيْثُ يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ ‏"‏‏.‏ أَوْ قَالَ ‏"‏ قَرْنُ الشَّمْسِ ‏"‏‏.‏

সালিমের পিতা ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, একবার তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিম্বারের পাশে দাঁড়িয়ে বলেছেনঃ ফিতনা এ দিকে, ফিতনা সে দিকে যেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হবে। কিংবা বলেছিলেনঃ সূর্যের মাথা উদিত হয়। [৩১০৪; মুসলিম ৫২/১৬, হাঃ ২৯০৫, আহমাদ ৪৯৮০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

সহিহ বুখারিহাদীস নং ৭০৯৩সহিহবর্ণনাকারী: ইবনু ‘উমার (রাঃ)صحيح البخاريرقم ٧٠٩٣

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهْوَ مُسْتَقْبِلٌ الْمَشْرِقَ يَقُولُ ‏ "‏ أَلاَ إِنَّ الْفِتْنَةَ هَا هُنَا مِنْ حَيْثُ يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ ‏"‏‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে পূর্ব দিকে মুখ করে বলতে শুনেছেন, সাবধান! ফিতনা সে দিকে যে দিক থেকে শয়তানের শিং উদিত হয়। [৩১০৪; মুসলিম ৫২/১৬, হাঃ ২৯০৫, আহমাদ ৫৪১০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

সহিহ বুখারিহাদীস নং ৭০৯৪সহিহবর্ণনাকারী: ইবনু ‘উমার (রাঃ)صحيح البخاريرقم ٧٠٩٤

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا أَزْهَرُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ ذَكَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي شَأْمِنَا، اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي يَمَنِنَا ‏"‏‏.‏ قَالُوا وَفِي نَجْدِنَا‏.‏ قَالَ ‏"‏ اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي شَأْمِنَا، اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي يَمَنِنَا ‏"‏‏.‏ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَفِي نَجْدِنَا فَأَظُنُّهُ قَالَ فِي الثَّالِثَةَ ‏"‏ هُنَاكَ الزَّلاَزِلُ وَالْفِتَنُ، وَبِهَا يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ ‏"‏‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলোচনা করছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ্! আমাদের জন্য আমাদের সিরিয়ায় বারকাত দাও। হে আল্লাহ্! আমাদের জন্য আমাদের ইয়ামানে বরকত দাও। লোকেরা বলল, আমাদের নজদেও। তিনি বললেন, হে আল্লাহ্! আমাদের জন্য আমাদের সিরিয়ায় বরকত দাও। হে আল্লাহ্! আমাদের জন্য বরকত দাও আমাদের ইয়ামানে। লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের নজদেও। (বর্ণনাকারী বলেন) আমার মনে হয়, তৃতীয়বারে তিনি বললেনঃ সেখানে তো কেবল ভূমিকম্প আর ফিতনা। আর তথা হতে শয়তানের শিং উদিত হবে।[1] [১০৩৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

সহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৯০৫aসহিহবর্ণনাকারী: ইবনু উমর (রাযিঃ)صحيح مسلمرقم ٢٩٠٥a

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، ح وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ مُسْتَقْبِلُ الْمَشْرِقِ يَقُولُ ‏ "‏ أَلاَ إِنَّ الْفِتْنَةَ هَا هُنَا أَلاَ إِنَّ الْفِتْنَةَ هَا هُنَا مِنْ حَيْثُ يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ ‏"‏ ‏.‏

কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ, মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পূর্বমুখী ছিলেন। এমতাবস্থায় তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন, ফিতনাহ এদিক থেকে, ফিতনাহ এদিক থেকে-যেখান থেকে শাইতানের (শয়তানের) শিং উদিত হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০২৮, ইসলামিক সেন্টার)

সহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৯০৫bসহিহবর্ণনাকারী: ইবনু উমারصحيح مسلمرقم ٢٩٠٥b

حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ، سَعِيدٍ كُلُّهُمْ عَنْ يَحْيَى الْقَطَّانِ، قَالَ الْقَوَارِيرِيُّ حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ، عُمَرَ حَدَّثَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَامَ عِنْدَ بَابِ حَفْصَةَ فَقَالَ بِيَدِهِ نَحْوَ الْمَشْرِقِ ‏ "‏ الْفِتْنَةُ هَا هُنَا مِنْ حَيْثُ يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَهَا مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاَثًا ‏.‏ وَقَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ فِي رِوَايَتِهِ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عِنْدَ بَابِ عَائِشَةَ ‏.‏

উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার আল কাওয়ারিরী, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... ইবনু উমার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাফসাহ (রাযিঃ) এর দরজার কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় তিনি তার আঙ্গুল দ্বারা পূর্বপ্রান্তের দিকে ইশারা করে বললেন, ফিতনাহ এদিক থেকে-যেদিক থেকে শাইতানের (শয়তানের) শিং উদিত হবে। এ কথাটি তিনি দু’ বা তিনবার বলেছেন। বর্ণনাকারী উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) তার বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়িশাহ (রাযিঃ) এর দরজার কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০২৯, ইসলামিক সেন্টার)

সহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৯০৫cসহিহবর্ণনাকারী: ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ)صحيح مسلمرقم ٢٩٠٥c

وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ وَهُوَ مُسْتَقْبِلُ الْمَشْرِقِ ‏ "‏ هَا إِنَّ الْفِتْنَةَ هَا هُنَا هَا إِنَّ الْفِتْنَةَ هَا هُنَا هَا إِنَّ الْفِتْنَةَ هَا هُنَا مِنْ حَيْثُ يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ ‏"‏ ‏.‏

হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। একদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পূর্বমুখী হয়ে বললেনঃ ফিতনাহ এদিক থেকে-ফিতনাহ এদিক থেকে-অবশ্যই ফিতনাহ এদিক থেকে-যেখান থেকে শাইতানের (শয়তানের) শিং উদিত হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৩০, ইসলামিক সেন্টার)

সহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৯০৫dসহিহবর্ণনাকারী: ইবনু উমর (রাযিঃ)صحيح مسلمرقم ٢٩٠٥d

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ عِكْرِمَةَ بْنِ عَمَّارٍ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ بَيْتِ عَائِشَةَ فَقَالَ ‏ "‏ رَأْسُ الْكُفْرِ مِنْ هَا هُنَا مِنْ حَيْثُ يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ ‏"‏ ‏.‏ يَعْنِي الْمَشْرِقَ ‏.‏

আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়িশাহ (রাযিঃ) এর ঘর থেকে বের হয়ে বললেনঃ কুফুরীর উৎস এদিক থেকে-যেদিক থেকে শাইতানের (শয়তানের) শিং উদিত হবে। অর্থাৎ- পূর্বদিক থেকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৩১, ইসলামিক সেন্টার)

সহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৯০৫eসহিহবর্ণনাকারী: ইবনু উমর (রাযিঃ)صحيح مسلمرقم ٢٩٠٥e

وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، - يَعْنِي ابْنَ سُلَيْمَانَ - أَخْبَرَنَا حَنْظَلَةُ، قَالَ سَمِعْتُ سَالِمًا، يَقُولُ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ، يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُشِيرُ بِيَدِهِ نَحْوَ الْمَشْرِقِ وَيَقُولُ ‏"‏ هَا إِنَّ الْفِتْنَةَ هَا هُنَا هَا إِنَّ الْفِتْنَةَ هَا هُنَا ‏"‏ ‏.‏ ثَلاَثًا ‏"‏ حَيْثُ يَطْلُعُ قَرْنَا الشَّيْطَانِ ‏"‏ ‏.‏

ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, পূর্বদিকে ইশারা করে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আমি এ কথা বলতে শুনেছি যে, সাবধান ফিতনাহ্ এদিক থেকে, সাবধান ফিতনাহ এদিক থেকে- এভাবে তিনবার উল্লেখ করে তিনি বললেন, যেদিক থেকে শাইতানের (শয়তানের) দুই শিং উদিত হবে। অর্থাৎ পূর্বদিক হতে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৩২, ইসলামিক সেন্টার)

জামে তিরমিযিহাদীস নং ২২৬৮সহিহবর্ণনাকারী: ইবনু উমার (রাঃ)جامع الترمذيرقم ٢٢٦٨

حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْمِنْبَرِ فَقَالَ ‏"‏ هَا هُنَا أَرْضُ الْفِتَنِ وَأَشَارَ إِلَى الْمَشْرِقِ حَيْثُ يَطْلُعُ جِذْلُ الشَّيْطَانِ ‏"‏ ‏.‏ أَوْ قَالَ ‏"‏ قَرْنُ الشَّيْطَانِ ‏"‏ ‏.‏ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, কোন একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে প্রাচ্যের দিকে ইশারা করে বললেনঃ এই দিকেই ফিতনার স্থান, যে প্রান্ত হতে শাইতানের শিং উদিত হয়। সহীহ, তাখরীজ ফাজা-ইলুশশাম (হাদীস নং ৮), বুখারী, মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।

জামে তিরমিযিহাদীস নং ৩৯৫৩সহিহবর্ণনাকারী: ইবনু উমর (রাযিঃ)جامع الترمذيرقم ٣٩٥٣

حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ آدَمَ ابْنُ بِنْتِ أَزْهَرَ السَّمَّانِ، قَالَ حَدَّثَنِي جَدِّي، أَزْهَرُ السَّمَّانُ عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي شَامِنَا اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي يَمَنِنَا ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا وَفِي نَجْدِنَا ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي شَامِنَا وَبَارِكْ لَنَا فِي يَمَنِنَا ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا وَفِي نَجْدِنَا ‏.‏ قَالَ ‏"‏ هُنَالِكَ الزَّلاَزِلُ وَالْفِتَنُ وَبِهَا أَوْ قَالَ مِنْهَا يَخْرُجُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ ‏"‏ ‏.‏ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عَوْنٍ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ أَيْضًا عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হে আল্লাহ! আমাদের শামদেশে বারাকাত দান করুন, হে আল্লাহ! আমাদের ইয়ামানদেশে বারাকাত দান করুন। লোকেরা বলল, আমাদের নাজদের জন্যও (দুআ করুন)। তিনি পুনরায় বলেনঃ হে আল্লাহ! আমাদের সিরিয়ায় বারাকাত দান করুন, আমাদের ইয়ামানদেশে বারাকাত দান করুন। এবারও লোকেরা বলল, আমাদের নাজদের জন্যও (দু’আ করুন)। তিনি বললেনঃ সেখানে ভূমিকম্প, বিশৃঙ্খলা বা বিপর্যয় রয়েছে অথবা তিনি বলেছেনঃ সেখান হতেই শাইতানের শিং আবির্ভাব হবে। সহীহ তাখরাজ ফাযায়িলিশ শাম (৮), সহীহাহ (২২৪৬)। আবূ ঈসা বলেন, উপর্যুক্ত সনদে এ হাদীসটি হাসান সহীহ এবং ইবনু ‘আওনের বর্ণনার পরিপ্রেক্ষিতে গারীব। হাদীসটি সালিম ইবনু আবদিল্লাহ ইবনু উমার-তার বাবা হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সনদেও বর্ণিত হয়েছে।

গ্রন্থভিত্তিক হাদিসের মান

সহিহ বুখারি৪৫১
সহিহ মুসলিম৪৬৪
সুনানে আবু দাউদ১৫১
জামে তিরমিযি৩৩৮
সুনানে নাসাঈ৫০
সুনানে ইবনে মাজাহ৪৩৭
মুয়াত্তা মালিক৮
আল-মুসতাদরাক (হাকিম)৬২৭
মুসনাদে আহমাদ৭১৬
সুনানে দারিমি২১
কিতাবুল ফিতান (নুআইম ইবনে হাম্মাদ)১,৯৮৮
সহিহহাসানযঈফ (দুর্বল)মান নির্ধারিত নয়

সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমের সকল হাদিস শর্তহীনভাবে সহিহ। অন্যান্য গ্রন্থের ক্ষেত্রে শায়খ আলবানীর তাহকীক এবং যেখানে তাঁর তাহকীক নেই সেখানে জুবায়ের আলী যাঈর তাহকীক অনুসরণ করা হয়েছে। প্রতিটি হাদিস কার্ডেই বিস্তারিত তাহকীক দেওয়া আছে।