হিংস্র প্রাণী ও জড় বস্তুর মানুষের সাথে কথা বলা
সংক্ষেপে
কিয়ামতের পূর্বে হিংস্র বন্য প্রাণী মানুষের সাথে কথা বলবে, এবং জড় বস্তু—যেমন মানুষের চাবুকের অগ্রভাগ ও জুতার ফিতা—এমনকি তার নিজ দেহের উরু তার সাথে কথা বলবে।
আবু সাঈদ খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: 'যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ! কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না হিংস্র প্রাণী মানুষের সাথে কথা বলবে, মানুষের চাবুকের অগ্রভাগ ও জুতার ফিতা তার সাথে কথা বলবে, এবং তার উরু তাকে জানিয়ে দেবে তার অনুপস্থিতিতে তার পরিবার কী করেছে' (জামে তিরমিযি ২১৮১, মুসনাদে আহমাদ ১১৭৯২, আল-মুসতাদরাক ৮৪৪২)।
এর প্রাথমিক নিদর্শন নবী ﷺ-এর যুগেই মদিনার অদূরে এক রাখালের সাথে নেকড়ের কথা বলার মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছিল; আর এর পূর্ণাঙ্গ প্রকাশ ঘটবে বড় আলামতসমূহের নিকটবর্তী সময়ে (যার মধ্যে ঈসা আ.-এর যুগে বৃক্ষ ও পাথরের কথা বলাও অন্তর্ভুক্ত)।
স্মরণ রাখুন যে কিয়ামতের দিন আমাদের নিজ জিহ্বা, হাত, পা ও দেহের চামড়া আমাদের কৃতকর্মের সাক্ষ্য দেবে (কুরআন ২৪:২৪, ৪১:২০-২১)।
খসড়া সারসংক্ষেপ, আলেম পর্ষদ এখনও যাচাই করেনি। পূর্ণ পাঠ উৎস ট্যাবে, আর আলেমদের মতামত তাহকীক ট্যাবে।
আলামতের ধারাবাহিকতায় অবস্থান
পর্ব ২ · সমাজে বিস্তার লাভকারী আলামতসমূহ
হাদীসসমূহে এগুলোর কোনো নির্দিষ্ট ধারাবাহিক ক্রম উল্লেখিত হয়নি; বরং বিভিন্ন সময়ে এর একাধিক আলামত যুগপৎভাবে প্রকাশ পেতে পারে। সহীহ বুখারীর ৭১২১ নম্বর হাদীসে এ ধরনের কয়েকটি আলামত একসাথে বর্ণিত হয়েছে।
মুহাদ্দিস ও আলেমদের মতামত
আলেমদের মতে এটি আংশিক প্রকাশ পেয়েছে, কিংবা এ নিয়ে মতভেদ রয়েছে
খসড়া পর্যালোচনা: চূড়ান্ত রূপ দেওয়ার আগে প্রতিটি উদ্ধৃতি মূল কিতাবের সাথে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।
ইবনে কাসিরমৃ. ৭৭৪ হি.
উল্লেখ করেছেন যে স্বয়ং নবী ﷺ-এর জীবদ্দশাতেই এক রাখালের সাথে নেকড়ে বাঘের কথা বলার ঘটনা ঘটেছিল (মুসনাদে আহমাদ ১১৭৯২), এবং কিয়ামতের পূর্বে জামে তিরমিযির ২১৮১ নং হাদিস অনুযায়ী হিংস্র প্রাণী, মানুষের চাবুকের অগ্রভাগ, জুতার ফিতা এবং নিজ উরু অলৌকিকভাবে মানুষের সাথে কথা বলবে।
আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া / আন-নিহায়া ফিল ফিতান ওয়াল মালাহিম
এই আলামত সম্পর্কে সমকালীন বা ঐতিহাসিক তথ্য এখনও যুক্ত করা হয়নি। প্রতিটি তথ্যের সাথে নির্ভরযোগ্য সূত্র ও তারিখ দেওয়া থাকবে।