বায়তুল মাকদিসের সমৃদ্ধি ও ইয়াসরিবের বিরান হওয়া
সংক্ষেপে
বায়তুল মাকদিসের (জেরুজালেম) সমৃদ্ধি এবং পবিত্র ভূমিতে খিলাফতের অবতরণ—যা মহাযুদ্ধ (আল-মালহামা) ও দাজ্জালের আবির্ভাবের দিকে নিয়ে যাওয়া ভবিষ্যদ্বাণীকৃত ধারাক্রমের প্রারম্ভিক মাইলফলক।
মুয়ায ইবনে জাবাল (রা.) বর্ণনা করেন যে নবী ﷺ বলেছেন: 'বায়তুল মাকদিসের সমৃদ্ধি হবে ইয়াসরিবের (মদিনা) বিরান হওয়ার সূচনা, ইয়াসরিবের বিরান হওয়া হবে মহাযুদ্ধের (আল-মালহামা) সূচনা, মহাযুদ্ধের সূচনা হবে কনস্টান্টিনোপল বিজয়, আর কনস্টান্টিনোপল বিজয় হবে দাজ্জালের আবির্ভাবের সময়' (সুনানে আবু দাউদ ৪২৯৪)। এবং ইবনে হাওয়ালা (রা.)-কে তিনি বলেন: 'যখন তুমি দেখবে খিলাফত পবিত্র ভূমিতে (বাইতুল মাকদিসে) অবতরণ করেছে, তখন জানবে ভূমিকম্প, দুর্ভোগ ও বিশাল ঘটনাবলি অতি সন্নিকটে' (সুনানে আবু দাউদ ২৫৩৫)।
সুনানে আবু দাউদ ৪২৯৪-এর বর্ণিত পাঁচ ধাপের ধারাক্রমে (দাজ্জালের পূর্ববর্তী পর্যায়) সুস্পষ্টভাবে প্রথম ধাপ হিসেবে নির্ধারিত।
বিশুদ্ধ ইলম, দোয়া ও ন্যায়নিষ্ঠার মাধ্যমে মসজিদুল আকসার পবিত্রতা রক্ষা করুন এবং সর্বদা সহিহ সুন্নাহর নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
খসড়া সারসংক্ষেপ, আলেম পর্ষদ এখনও যাচাই করেনি। পূর্ণ পাঠ উৎস ট্যাবে, আর আলেমদের মতামত তাহকীক ট্যাবে।
আলামতের ধারাবাহিকতায় অবস্থান
পর্ব ৩ · দাজ্জালের আবির্ভাবের পূর্ববর্তী ঘটনাবলী
মুয়ায ইবনে জাবাল (রা.)-এর বর্ণনায় এই ক্রম উল্লেখিত রয়েছে: বায়তুল মাকদিস সমৃদ্ধ হওয়া, ইয়াসরিব (মদিনা) বিরান হওয়া, ঐতিহাসিক মহাযুদ্ধ (আল-মালহামা আল-কুবরা), কনস্টান্টিনোপল বিজয়, এবং অতঃপর দাজ্জালের আত্মপ্রকাশ (সুনানে আবু দাউদ ৪২৯৪, শায়খ আলবানীর মতে হাসান)। সহীহ মুসলিম ২৮৯৭-এ এই যুদ্ধ আমাক বা দাবিক প্রান্তরে অনুষ্ঠিত হওয়া, তারপর কনস্টান্টিনোপল বিজয় এবং এরপর দাজ্জালের আবির্ভাবের কথা এসেছে। সুনানে আবু দাউদ ৪২৯২-এ মহাযুদ্ধের পূর্বে রোমানদের সাথে সন্ধির কথা বর্ণিত। মাহদী সম্পর্কিত বর্ণনাগুলোতে এই ধারাক্রমে তাঁর সুনির্দিষ্ট অবস্থান ক্রমানুসারে উল্লেখ করা হয়নি।
বাইবেল · পুরাতন নিয়ম
তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বের সতর্কতা: বাইবেলের এই উদ্ধৃতিসমূহ কেবল তুলনামূলক গবেষণা ও ঐতিহাসিক পর্যালোচনার উদ্দেশ্যে সংযোজিত হয়েছে। ইসলামী আকিদায় কুরআন ও সহীহ হাদিসকে মূল দলিল এবং ইসরাঈলিয়্যাত ও অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের বর্ণনাকে স্বতন্ত্র গবেষণামূলক প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করা হয়।
পবিত্র মন্দিরে সর্বনাশা অশুচি বস্তু, মহাক্লেশ ও কিয়ামতের শারীরিক পুনরুত্থান
জিব্রাইল (আ.) জেরুজালেম ও পবিত্র উপাসনালয়ের জন্য নির্ধারিত সত্তর সপ্তাহের ভবিষ্যৎবাণী প্রকাশ করেন। এক অত্যাচারী শাসক চুক্তি ভঙ্গ করবে, বলিদান ও নৈবেদ্য বন্ধ করবে এবং মন্দিরের চূড়ায় 'সর্বনাশা ঘৃণ্য অশুচি বস্তু' স্থাপন করবে। ১২ অধ্যায়ে এক অভূতপূর্ব মহাক্লেশের কাল, প্রধান ফেরেশতা মীখায়েলের ভূমিকা এবং সৎ ও অসৎদের শারীরিক পুনরুত্থানের দ্ব্যর্থহীন ঘোষণা রয়েছে।
9:27সে অনেকের সাথে এক সপ্তাহের জন্য এক দৃঢ় চুক্তি করবে; এবং সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে সে পশু ও নৈবেদ্য বলিদান বন্ধ করে দেবে। ধ্বংসকারী এক ঘৃণ্য অশুচি বস্তু নিয়ে আসবে, যতক্ষণ না নির্ধারিত পূর্ণ ধ্বংস নিঃশেষিত হয়।
12:1-2সেই সময় প্রধান রাজপুত্র মীখায়েল দাঁড়াবেন, যিনি আপনার জাতির সন্তানদের পক্ষে অবস্থান নেন; এবং এমন চরম দুর্দশার সময় আসবে যা কোনো জাতি সৃষ্টি হওয়ার পর থেকে কখনো ঘটেনি... আর যারা মাটির ধূলোয় ঘুমিয়ে আছে তাদের মধ্যে অনেকে জেগে উঠবে—কেউ অনন্ত জীবনের জন্য, কেউ বা চিরস্থায়ী লজ্জা ও ধিক্কারের জন্য।
ইসলামী আকিদায় সমান্তরাল আলামত জেরুজালেমের পবিত্র উপাসনালয় অপবিত্র করার ঘটনা সম্পর্কিত খ্রিস্টীয় ও ইহুদি বিশ্বাসের মূল ভিত্তি এই অধ্যায়গুলো। ইসলামী বর্ণনায় বায়তুল মোকাদ্দাসই হলো দাজ্জাল ও হযরত ঈসা (আ.)-এর মধ্যকার চরম সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু। দানিয়েল ১২:২ শ্লোকে শারীরিক পুনরুত্থানের (আল-বা'স বা কিয়ামত) স্পষ্ট ঘোষণা রয়েছে।
বিস্তারিত পড়ুন →পুনর্নির্মিত তৃতীয় বা সহস্রাব্দের মন্দির দর্শন এবং জীবননদীর প্রবাহ
যিহিষ্কেলকে দিব্যদর্শনে ইস্রায়েল দেশের এক অতি উচ্চ পর্বতে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে এক স্বর্গীয় স্থপতি একটি সুবিশাল নতুন মন্দির চত্বরের প্রতিটি পরিমাপ নিখুঁতভাবে গ্রহণ করেন। ৪৩ অধ্যায়ে বহু জলরাশির গর্জনের মতো শব্দে পূর্ব দিকের ফটক দিয়ে আল্লাহর মহিমা মন্দিরে প্রবেশ করে চিরতরে তথায় অধিষ্ঠানের জন্য। ৪৭ অধ্যায়ে মন্দিরের দ্বারপ্রান্তের নিচ থেকে প্রবাহিত সঞ্জীবনী পানির ধারা এক গভীর নদীতে রূপ নিয়ে মৃত সাগরের (লূত সাগর) লবণাক্ত পানিকে সুপেয় পানিতে রূপান্তর করে এবং তার তীরে রোগ নিরাময়কারী ফলের বাগান গড়ে ওঠে।
43:2আর দেখ, ইস্রায়েলের ঈশ্বরের মহিমা পূর্ব দিক থেকে আসছে; তাঁর কণ্ঠস্বর ছিল বিপুল জলরাশির গর্জনের মতো, এবং তাঁর মহিমায় সমগ্র পৃথিবী দীপ্তিময় হয়ে উঠল।
47:1তিনি আমাকে গৃহের প্রবেশদ্বারে ফিরিয়ে আনলেন; আর দেখ, গৃহের দ্বারপ্রান্তের নিচ থেকে পূর্ব দিকে পানি প্রবাহিত হচ্ছে; কারণ গৃহের সম্মুখভাগ ছিল পূর্বমুখী। আর সেই পানি বেদির দক্ষিণ দিকে গৃহের ডান পাশ দিয়ে নিচে নেমে যাচ্ছিল।
ইসলামী আকিদায় সমান্তরাল আলামত যিহিষ্কেলের ৪০ থেকে ৪৮ অধ্যায়ের এই সুবিস্তৃত বিবরণটি আধুনিককালে জেরুজালেমে 'তৃতীয় মন্দির' প্রতিষ্ঠার দাবিদারদের প্রধান ধর্মগ্রন্থীয় ভিত্তি। যদিও ইসলামী বিশ্বাসে এই স্থানটি হলো আল-মসজিদুল আকসা (সূরা বনী ইসরাঈল ১৭:১), তথাপি জেরুজালেম থেকে বরকতময় পানির ফোয়ারা ও শ্যামলিমার এই চিত্র হযরত ঈসা (আ.)-এর যুগের বরকত সম্পর্কিত হাদিসের সাথে তুলনীয়।
বিস্তারিত পড়ুন →পবিত্র সিয়োন পর্বতে মসীহ বাদশাহ এবং জেরুজালেমের শাশ্বত অঙ্গীকার
রাজকীয় গীতসমূহে ঘোষণা করা হয়েছে যে আল্লাহ তাঁর অভিষিক্ত মসীহ বাদশাহকে তাঁর পবিত্র পর্বত সিয়োনের ওপর স্থাপন করেছেন, যিনি বিদ্রোহী রাজাদের মাটির পাত্রের মতো চূর্ণ করবেন। ১১০ গীতে ঘোষণা করা হয়েছে যে মসীহ শত্রুবেষ্টিত জেরুজালেম থেকেই শাসন করবেন যতক্ষণ না শত্রুরা তাঁর পদানত হয়। ১৩২ গীতে প্রতিজ্ঞা করা হয়েছে: 'প্রভু সিয়োনকে মনোনীত করেছেন; তিনি একে নিজ নিবাস হিসেবে কামনা করেছেন: এটিই অনন্তকাল আমার বিশ্রামস্থান; এখানেই আমি বাস করব।'
2:6তবুও আমি আমার রাজাকে আমার পবিত্র পর্বত সিয়োনের ওপর স্থাপন করেছি।
110:1-2প্রভু আমার প্রভুকে বললেন, 'তুমি আমার ডান পাশে বসো, যতক্ষণ না আমি তোমার শত্রুদের তোমার পাদপীঠ করি।' প্রভু সিয়োন থেকে তোমার ক্ষমতার রাজদণ্ড পাঠাবেন। তোমার শত্রুদের মাঝখানে তুমি কর্তৃত্ব করো।
ইসলামী আকিদায় সমান্তরাল আলামত যদিও ইসলামে দাউদ (আ.)-এর ওপর নাজিলকৃত যাবুর কিতাবের প্রতি ঈমান আনা ফরজ, তথাপি ইসলাম জাতীয়তাবাদী শ্রেষ্ঠত্ব প্রত্যাখ্যান করে ঘোষণা করে যে ভূমির প্রকৃত উত্তরাধিকার কেবল সৎকর্মশীল মুমিনদের প্রাপ্য (সূরা আল-আম্বিয়া ২১:১০৫: 'আমার সৎকর্মশীল বান্দারাই জমিনের উত্তরাধিকারী হবে')। তবে তুলনামূলক গবেষণায় জেরুজালেমে ইহুদি মসীহের আধিপত্যের ধর্মীয় ভিত্তি বুঝতে এই গীতগুলো অপরিহার্য।
বিস্তারিত পড়ুন →বাইবেল · নতুন নিয়ম
তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বের সতর্কতা: বাইবেলের এই উদ্ধৃতিসমূহ কেবল তুলনামূলক গবেষণা ও ঐতিহাসিক পর্যালোচনার উদ্দেশ্যে সংযোজিত হয়েছে। ইসলামী আকিদায় কুরআন ও সহীহ হাদিসকে মূল দলিল এবং ইসরাঈলিয়্যাত ও অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের বর্ণনাকে স্বতন্ত্র গবেষণামূলক প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করা হয়।
পাপের পুরুষ: ঈশ্বরের মন্দিরে ভণ্ড মসীহের উপবেশন ও খোদায়ী দাবি
রাসূল পৌল সতর্ক করেন যে দুটি প্রধান ঘটনা না ঘটা পর্যন্ত কিয়ামত আসবে না: প্রথমত ব্যাপক ধর্মভ্রষ্টতা ঘটবে, এবং দ্বিতীয়ত 'পাপের পুরুষ' বা ধ্বংসের সন্তান (ভণ্ড মসীহ) প্রকাশিত হবে। এই ব্যক্তি সমস্ত সত্য উপাসনার বিরোধিতা করবে এবং নিজেকে সকল উপাস্যের ঊর্ধ্বে তুলে স্বয়ং আল্লাহর উপাসনালয়ে গিয়ে বসবে এবং নিজেকেই ঈশ্বর বলে দাবি করবে। সে শয়তানি শক্তিতে অলৌকিক মিথ্যা চিহ্ন ও প্রতারণা প্রদর্শন করবে। কিন্তু পরিশেষে প্রভু ঈসা এসে তাঁর মুখের শ্বাস দ্বারা তাকে নিধন করবেন এবং তাঁর আগমনের জ্যোতি দিয়ে তাকে সমূলে ধ্বংস করে দেবেন।
2:3-4কোনোভাবেই কেউ যেন তোমাদের বিভ্রান্ত করতে না পারে। কারণ সেই দিন আসবে না যে পর্যন্ত না প্রথমে এক মহা ধর্মদ্রোহিতা উপস্থিত হয় এবং সেই পাপের পুরুষ অর্থাৎ ধ্বংসের সন্তান প্রকাশিত হয়; যে সমস্ত উপাস্যের ও পূজনীয় বিষয়ের বিরোধিতা করে নিজেকে সবার উপরে তোলে, এমনকী সে ঈশ্বরের মন্দিরে বসে নিজেকে ঈশ্বর বলে প্রচার করে।
2:8তখন সেই অধার্মিক প্রকাশিত হবে, যাকে প্রভু তাঁর মুখের নিশ্বাস দিয়ে সংহার করবেন এবং তাঁর আগমনের প্রত্যক্ষ মহিমায় বিনাশ করবেন।
ইসলামী আকিদায় সমান্তরাল আলামত নতুন নিয়মের মধ্যে এটিই আল-মাসিহ আদ-দাজ্জালের সবচেয়ে সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট রূপরেখা। সহীহ হাদিসে রাসূলুল্লাহ ﷺ সতর্ক করেছেন যে দাজ্জাল নিজেকে প্রভু ও ঈশ্বর বলে দাবি করবে এবং অলৌকিক ভেল্কিবাজি দেখাবে। যখন হযরত ঈসা (আ.) বাবে লুদ্দে (লোদ ফটকে) দাজ্জালকে ধরবেন, তখন হাদিসে এসেছে: 'আল্লাহর শত্রু দাজ্জাল যখনই ঈসা (আ.)-কে দেখবে, তখন পানিতে লবণ গলে যাওয়ার মতো সে গলতে শুরু করবে... এবং ঈসা (আ.) নিজ বর্শা দিয়ে তাকে হত্যা করবেন' (সহীহ মুসলিম ২৮৯৭)।
বিস্তারিত পড়ুন →ঈশ্বরের মন্দির পরিমাপ এবং জেরুজালেমে দুই সাক্ষীর অলৌকিক সংগ্রাম
ইউহোন্নাকে একটি পরিমাপক দণ্ড দিয়ে বলা হয় ঈশ্বরের মন্দির ও উপাসকদের পরিমাপ করতে, কিন্তু বাইরের প্রাঙ্গণ ছেড়ে দিতে কারণ তা বিয়াল্লিশ মাস পদদলিত হবে। জেরুজালেমে দুই বিশ্বস্ত সাক্ষীকে ১,২৬০ দিন ভবিষ্যদ্বাণী করার ক্ষমতা দেওয়া হয়। পাতাল থেকে উঠে আসা 'পশু' (দাজ্জালীয় শক্তি) তাদের হত্যা করবে এবং তাদের লাশ সাড়ে তিন দিন জেরুজালেমের রাজপথে পড়ে থাকবে; অতঃপর আল্লাহর আদেশে তারা পুনরুত্থিত হয়ে স্বর্গে চলে যাবে।
11:1-2আমাকে লাঠির মতো একটি পরিমাপক নল দেওয়া হলো এবং বলা হলো, 'ওঠো, ঈশ্বরের মন্দির, বেদি ও তথাকার উপাসকদের পরিমাপ করো। কিন্তু মন্দিরের বাইরের প্রাঙ্গণ বাদ দাও... কারণ তা অন্য জাতিদের দেওয়া হয়েছে; তারা বিয়াল্লিশ মাস ধরে পবিত্র নগরীকে পদদলিত করবে।'
ইসলামী আকিদায় সমান্তরাল আলামত বায়তুল মোকাদ্দাসকে কেন্দ্র করে এই চূড়ান্ত সংঘাতের বিবরণ হাদিসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সহীহ মুসলিমের (২৯৩৭) এক বর্ণনায় এক ঈমানদার যুবক বীরদর্পে দাজ্জালকে চ্যালেঞ্জ করবে; দাজ্জাল তাকে করাত দিয়ে দ্বিখণ্ডিত করলেও আল্লাহ তাকে পুনরায় জীবিত করবেন।
বিস্তারিত পড়ুন →মুহাদ্দিস ও আলেমদের মতামত
আলেমদের মতে এটি আংশিক প্রকাশ পেয়েছে, কিংবা এ নিয়ে মতভেদ রয়েছে
খসড়া পর্যালোচনা: চূড়ান্ত রূপ দেওয়ার আগে প্রতিটি উদ্ধৃতি মূল কিতাবের সাথে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।
ইবনে কাসির ও আযীমাবাদী (আউনুল মাবুদ)
ব্যাখ্যা করেছেন যে মুয়ায ইবনে জাবাল (রা.)-এর হাদিস অনুযায়ী বায়তুল মাকদিসের (জেরুজালেম) রাজনৈতিক, জনসংখ্যাগত ও অবকাঠামোগত সমৃদ্ধি শেষ জামানার ধারাবাহিক ঘটনাবলির সূচনা নির্দেশ করে—যার পরপরই ইয়াসরিবের (মদিনা) জনশূন্যতা, আল-মালহামা মহাযুদ্ধ, কনস্টান্টিনোপল বিজয় এবং দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে।
আন-নিহায়া ফিল ফিতান; সুনানে আবু দাউদ ৪২৯৪ ও ২৫৩৫-এর ব্যাখ্যা
এই আলামত সম্পর্কে সমকালীন বা ঐতিহাসিক তথ্য এখনও যুক্ত করা হয়নি। প্রতিটি তথ্যের সাথে নির্ভরযোগ্য সূত্র ও তারিখ দেওয়া থাকবে।