পর্যালোচনা সংস্করণএটি আলেমদের পর্যালোচনাধীন একটি খসড়া সংস্করণ। এখনও চূড়ান্তভাবে প্রকাশের জন্য নয়।
আল ফিতান
হাদিস সংগ্রহশালা

কিয়ামতের সকল হাদিস ও আয়াত

সিহাহ সিত্তাহ ও মুয়াত্তা থেকে ১,৮৭০টি হাদিস, আল-মুসতাদরাক, মুসনাদে আহমাদ ও সুনানে দারিমি থেকে আরও ১,৩৬৪টি, এবং কিতাবুল ফিতান থেকে ১,৯৮৮টি বর্ণনা। স্বাভাবিক অবস্থায় কেবল সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়; দুর্বল ও অন্যান্য বর্ণনা দেখতে চাইলে ফিল্টার চালু করতে পারেন।

কোন বিষয়ে কোন কিতাবে হাদিস আছে

বিষয় ও হাদিসগ্রন্থ অনুযায়ী মোট হাদিসের সংখ্যা। হাদিস পড়তে যেকোনো ঘরে ক্লিক করুন।

সহিহ বুখারিসহিহ মুসলিমসুনানে আবু দাউদজামে তিরমিযিসুনানে নাসাঈসুনানে ইবনে মাজাহমুয়াত্তা মালিকআল-মুসতাদরাক (হাকিম)মুসনাদে আহমাদসুনানে দারিমিকিতাবুল ফিতান (নুআইম ইবনে হাম্মাদ)
কিয়ামত
কিয়ামত৬১৪৫১৬১৯৭২৭১৫৯২২২৫৭৮
নিকৃষ্ট লোকদের ওপর কিয়ামত১২১১৮২৫
শেষ সময়ে আসমান-জমিনের পরিবর্তন১১১
বড় আলামত
দাজ্জাল৬২৭১৩১২২৩১১৮৪৭৪২৩১৩১৯৭
মাহদি১২৩৩২৮১৯২২২১৭৮
ঈসা (আ.)১০১৫২৪৬১১৬৩২৮৪
ইয়াজুজ-মাজুজ১১৭১৪৭২৪২১৪৭
ধোঁয়া৯৫১২২৪২
ভূমিধস৮৪৫১৯১৩৭৬৪
পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয়৬১২৪৫৫৮২৭১১৭
দাব্বাহ৫২২৫৫১০১৫
ইয়েমেনের আগুন৩৩১২১৪১৩৭
যুস-সুওয়াইকাতাইন কাবা ধ্বংস করবে২৩১১১৪৩
মুমিনদের প্রাণ হরণকারী কোমল বাতাস১১১২৩
ছোট আলামত
সুফিয়ানি৩১০৩
কালো পতাকা২২৩৩৫৭
ফোরাত১৫১২২৫২৪১
কাহতানি২১১১৭
ইলম উঠিয়ে নেওয়া৯৬১২৩২২৪৪
হারজ: ব্যাপক হত্যা১১৫৩২৭১৬৩৪১৫
ভূমিকম্প বেড়ে যাওয়া৪২১৩৭১৯
সময় সংকুচিত হওয়া৪২১১১৫১
খালি পায়ের রাখালদের উঁচু দালান নিয়ে প্রতিযোগিতা২৩১১২২৪২
দাসী তার মনিবকে জন্ম দেবে১২১১১৩৩১
আমানত নষ্ট হওয়া; অযোগ্যের হাতে দায়িত্ব২১১২৩৫১
প্রকাশ্য পাপ: ব্যভিচার ও বাদ্যযন্ত্র৬২৪১২১৮৩
পুরুষ কমে নারী বেড়ে যাওয়া৪১১১২৯১
সম্পদের প্রাচুর্য; সদকা নেওয়ার লোক থাকবে না৮৩১২২১১৪
আরব ভূমি আবার তৃণভূমি ও নদীতে ভরে যাবে১২
নবুওয়াতের দাবিদার ত্রিশ মিথ্যাবাদী২১২২১২১১
হিজাজে আগুন১১২২
অন্ধকার রাতের টুকরোর মতো ফিতনা৭৪৬৫৫২০২৬৩২৬
ইসলাম আবার অপরিচিত হবে; জ্বলন্ত অঙ্গার ধরে রাখার মতো দ্বীন ধরে রাখা২২৩১১২
জাতিসমূহ একে অপরকে তোমাদের বিরুদ্ধে ডাকবে১১
কিছু গোত্রের মূর্তিপূজায় ফিরে যাওয়া১২১১৩৩২
জাহজাহ১
মদিনা দাজ্জাল থেকে সুরক্ষিত; মদিনা তার ময়লা দূর করে২২১১৬২
মসজিদ সাজানো নিয়ে গর্ব১১১৫১
কবরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় সেখানে থাকার কামনা২১২১
যুদ্ধ ও মালাহিম
মালহামা১১৬১৫১২১৫৮২
রোমান (আর-রুম)৫৯২৩৫২১২১১৪২
রোমানদের সাথে সন্ধি১৩৩৪৫১৩
কনস্টান্টিনোপল বিজয়১৪২২১৬১১১৬০
তুর্কি৯৫৫২১৫১০১৯৪৫
গারকাদ গাছ২১৩১
গাযওয়াতুল হিন্দ৩১২৪
ভবিষ্যদ্বাণীকৃত ঘটনা
উমাইয়া১৫১৫৩
আব্বাসীয়৪৬
কিয়ামত পর্যন্ত সত্যের ওপর অটল একটি দল৪৬২২১৩৪১৩২
প্রতি শতাব্দীতে একজন সংস্কারক১২
খারিজিদের ভবিষ্যদ্বাণী১৬১০৭২৪৮১১৯৫৫১
সাহাবিদের যুগের ফিতনা (উসমান, জামাল, সিফফিন)১০৩১৩১২২৪২
খিলাফত, তারপর রাজতন্ত্র২৫৪১৪২৭৬
বিজয়ের ভবিষ্যদ্বাণী (পারস্য, রোম, ইয়ামান, শাম, ইরাক, মিসর, বায়তুল মাকদিস)১১৪২২১১১১৩২৫২১৪
মৃত্যু, কিয়ামত দিবস ও আখিরাত
কিয়ামত দিবস৩২২৫৪৩১৩৩৩১৪৫২৩৩৬
শিঙ্গায় ফুঁক২১৫১৬
পুনরুত্থান১১
হাশর৪৫১২৬১৩
হিসাব, আমলনামা ও মিজান৩২৪৩৫৩
শাফাআত৩৫৫৪১
পুলসিরাত ও হাউজে কাওসার১৯১৭৬৫৪৪
মৃত্যু ও কবর (বারযাখ)৯১৩৪৩২৮৪১৬৩৩১
জান্নাত৬৪৫৮২৬৭৪৫১৪৩২৮১১৮
জাহান্নাম১৬২২৬১৬১০১৮১৪১১৬১৯

হাদিসের তালিকা

রিসেট

৬টি হাদিস পাওয়া গেছে · সুনানে আবু দাউদ

সুনানে আবু দাউদ ৯৮৩সহিহতাহকীক করেছেন: Al-Albani

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي حَسَّانُ بْنُ عَطِيَّةَ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَائِشَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِذَا فَرَغَ أَحَدُكُمْ مِنَ التَّشَهُّدِ الآخِرِ فَلْيَتَعَوَّذْ بِاللَّهِ مِنْ أَرْبَعٍ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَمِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ وَمِنْ شَرِّ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ ‏"‏ ‏.‏

বাংলা অনুবাদটি আলেমদের দ্বারা চূড়ান্ত যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন সালাতের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ পাঠ শেষ করবে তখন সে যেন আল্লাহর নিকট চারটি বস্তু হতে আশ্রয় প্রার্থনা করে। (তা হলোঃ) জাহান্নামের আযাব হতে, কবরের আযাব হতে, জীবন ও মৃত্যুর ফিতনাহ হতে এবং মাসীহ দাজ্জালের অনিষ্ট হতে।[1] সহীহ : মুসলিম।

Abu Hurairah reported the Messenger of Allah (ﷺ) as saying:When one of you finishes the last tashahhud, he should seek refuge in Allah from four things: the punishment in Hell, the punishment in the grave, the trail of life and death, and the evil of Antichrist

সুনানে আবু দাউদ ৯৮৪সহিহতাহকীক করেছেন: Al-Albani

حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ، أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ يُونُسَ الْيَمَامِيُّ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ بَعْدَ التَّشَهُّدِ ‏ "‏ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الدَّجَّالِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ ‏"‏ ‏.‏

বাংলা অনুবাদটি আলেমদের দ্বারা চূড়ান্ত যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে তাশাহহুদের পর বলতেনঃ ‘‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আ‘উযুবিকা মিন ‘আযাবি জাহান্নাম, ওয়া আ‘উযুবিকা মিন ‘আযাবিল ক্বাবরি, ওয়া আ‘উযুবিকা মিন ফিতনাতিদ দাজ্জাল, ওয়া আ‘উযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামাতি’’। (অর্থঃ হে আল্লাহ, আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি জাহান্নামের আযাব হতে, আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব হতে, আশ্রয় প্রার্থনা করছি দাজ্জালের ফিতনাহ হতে এবং আশ্রয় প্রার্থনা করছি জীবন ও মৃত্যুর ফিতনাহ হতে।)[1] হাসান সহীহ।

Narrated Abdullah ibn Abbas: The Prophet (ﷺ) used to say after the tashahhud: "O Allah, I seek refuge in Thee from the punishment in Hell, and I seek refuge in Thee from the punishment in the grave, and I seek refuge in Thee from the trial of antichrist, and I seek refuge in Thee from the trial of life and death

সুনানে আবু দাউদ ১৫৪২সহিহতাহকীক করেছেন: Al-Albani

حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُعَلِّمُهُمْ هَذَا الدُّعَاءَ كَمَا يُعَلِّمُهُمُ السُّورَةَ مِنَ الْقُرْآنِ يَقُولُ ‏ "‏ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ ‏"‏ ‏.‏

বাংলা অনুবাদটি আলেমদের দ্বারা চূড়ান্ত যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে নিচের দু‘আটি এমনভাবে শিখাতেন, যেমনভাবে তাদেরকে কুরআনের সূরাহ শিক্ষা দিতেন। তিনি বলেনঃ ‘‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জাহান্নামের আযাব হতে আশ্রয় চাই, কবরের আযাব হতে আশ্রয় চাই, আশ্রয় চাই মাসীহ দাজ্জালের ফিতনাহ হতে এবং আশ্রয় চাই জীবন ও মরণের বিপদাপদ হতে।’’[1] সহীহ : মুসলিম।

Abd Allah b. 'Abbas said:The Messenger of Allah (ﷺ) used to teach us this supplication as he taught us the surah from the Qur'an. He would say: O Allah! I seek refuge in You from the punishment of Hell and I seek refuge in You from the punishment of the grave, and I seek refuge from You from the trails of Al-Masihid-Dajjal, and I seek refuge in You from the trials of life and death

সুনানে আবু দাউদ ৪২৭৩সহিহতাহকীক করেছেন: Al-Albani

حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، أَوْ حَدَّثَنِي الْحَكَمُ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ فَقَالَ لَمَّا نَزَلَتِ الَّتِي فِي الْفُرْقَانِ ‏{‏ وَالَّذِينَ لاَ يَدْعُونَ مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ وَلاَ يَقْتُلُونَ النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ إِلاَّ بِالْحَقِّ ‏}‏ قَالَ مُشْرِكُو أَهْلِ مَكَّةَ قَدْ قَتَلْنَا النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ وَدَعَوْنَا مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ وَأَتَيْنَا الْفَوَاحِشَ ‏.‏ فَأَنْزَلَ اللَّهُ ‏{‏ إِلاَّ مَنْ تَابَ وَآمَنَ وَعَمِلَ عَمَلاً صَالِحًا فَأُولَئِكَ يُبَدِّلُ اللَّهُ سَيِّئَاتِهِمْ حَسَنَاتٍ ‏}‏ فَهَذِهِ لأُولَئِكَ قَالَ وَأَمَّا الَّتِي فِي النِّسَاءِ ‏{‏ وَمَنْ يَقْتُلْ مُؤْمِنًا مُتَعَمِّدًا فَجَزَاؤُهُ جَهَنَّمُ ‏}‏ الآيَةُ قَالَ الرَّجُلُ إِذَا عَرَفَ شَرَائِعَ الإِسْلاَمِ ثُمَّ قَتَلَ مُؤْمِنًا مُتَعَمِّدًا فَجَزَاؤُهُ جَهَنَّمُ لاَ تَوْبَةَ لَهُ ‏.‏ فَذَكَرْتُ هَذَا لِمُجَاهِدٍ فَقَالَ إِلاَّ مَنْ نَدِمَ ‏.‏

বাংলা অনুবাদটি আলেমদের দ্বারা চূড়ান্ত যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।

সাঈদ ইবনু যুবায়র (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে উপরোক্ত আয়াত সম্পর্কে বললাম। তিনি বলেন, সূরা ফুরকানের এই আয়াত যখন নাযিল হলো, ‘‘যারা আল্লাহর সঙ্গে অন্য কিছুকে ইলাহ বলে ডাকে না এবং যে আত্মাকে হত্যা করা আল্লাহ হারাম করেছেন, তাকে হত্যা করে না; কিন্তু সত্য বা শাস্তি প্রতিষ্ঠার জন্য তা করে।’’ তখন মক্কার মুশরিকরা বললো, আমরাই তো আল্লাহর নিষিদ্ধ করা আত্মা হত্যা করেছি এবং আল্লাহর সঙ্গে অন্য ইলাহকে ডেকেছি ও ব্যভিচার করেছি। মহান আল্লাহ তখন অবতীর্ণ করলেনঃ ‘‘কিন্তু যারা তাওবা করবে ও ঈমান এনে সৎ কাজ করবে, আল্লাহ তাদের অন্যায়গুলো পরিবর্তন করে নেকি দিবেন।’’ আর এ আয়াত তাদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে। তিনি বলেন, সূরা আন নিসার এ আয়াত সম্পর্কে ‘‘যে ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ঈমানদারকে হত্যা করবে, তার পরিণাম হবে জাহান্নাম’’ (৪ঃ ৬৮)। তিনি বলেছেন, লোকটি যখন ইসলামী শারীয়াতের পরিচয় পাওয়ার পর কোনো ঈমানদারকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করে, তার পরিণাম জাহান্নাম। তার কোনো তাওবা কবূল হবে না। এ কথা মুজাহিদের নিকট বর্ণনা করায় তিনি বলেন, কিন্তু যে অনুতপ্ত ও লজ্জিত হয়ে তাওবা করবে, তার তাওবা গ্রহণ হবে।[1] সহীহ।

Sa'id bin Jubair said:I asked Ibn 'Abbas (about the verse relating to intentional homicide in Surat An-Nisa') He said: When the verse "Those who invoke not with Allah any other god, nor slay such life as Allah had made sacred, except for just cause" was revealed, the polytheists of Mecca said: We have killed the soul prohibited by Allah, invoked another god along with Allah for worship, and committed shameful deeds. So Allah revealed the verse "unless he repents, believes, and works righteous deeds, for Allah will change the evil of such persons into good." This is meant for them. As regards the verse "if a man kills a believer intentionally, his recompense is Hell" He said: If a man knows the command of Islam and intentionally kills a believer, his repentance wil not be accepted. I then mentioned it to Mujahid. He said: "Except the one who is ashamed (of his sin)

সুনানে আবু দাউদ ৪২৭৬হাসানতাহকীক করেছেন: Al-Albani

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِي مِجْلَزٍ، فِي قَوْلِهِ ‏{‏ وَمَنْ يَقْتُلْ مُؤْمِنًا مُتَعَمِّدًا فَجَزَاؤُهُ جَهَنَّمُ ‏}‏ قَالَ هِيَ جَزَاؤُهُ فَإِنْ شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَتَجَاوَزَ عَنْهُ فَعَلَ ‏.‏

বাংলা অনুবাদটি আলেমদের দ্বারা চূড়ান্ত যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।

আবূ মিজলায (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি মহান আল্লাহর এ বাণী প্রসঙ্গে বলেনঃ ‘‘যে ব্যক্তি কোনো ঈমানদারকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করবে, তার শাস্তি হবে চিরস্থায়ী জাহান্নাম’’, এটা হলো তার পরিণাম। তবে আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাকে ক্ষমা করতে পারেন।[1] হাসান মাকতু।

About the verse "If a man kills a believer intentionally" Abu Mijlaz said:This is his recompense. If Allah wishes to disregard him, He may do do

সুনানে আবু দাউদ ৪২৭২যঈফ (দুর্বল)তাহকীক করেছেন: Al-Albani

দুর্বল (যঈফ) বর্ণনা। গবেষণার জন্য দেখানো হয়েছে, প্রামাণ্য দলিল হিসেবে নয়।

حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ مُجَالِدِ بْنِ عَوْفٍ، أَنَّ خَارِجَةَ بْنَ زَيْدٍ، قَالَ سَمِعْتُ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ، فِي هَذَا الْمَكَانِ يَقُولُ أُنْزِلَتْ هَذِهِ الآيَةُ ‏{‏ وَمَنْ يَقْتُلْ مُؤْمِنًا مُتَعَمِّدًا فَجَزَاؤُهُ جَهَنَّمُ خَالِدًا فِيهَا ‏}‏ بَعْدَ الَّتِي فِي الْفُرْقَانِ ‏{‏ وَالَّذِينَ لاَ يَدْعُونَ مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ وَلاَ يَقْتُلُونَ النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ إِلاَّ بِالْحَقِّ ‏}‏ بِسِتَّةِ أَشْهُرٍ ‏.‏

বাংলা অনুবাদটি আলেমদের দ্বারা চূড়ান্ত যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।

মুজালিদ ইবনু আওফ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। খারিজাহ ইবনু যায়িদ (রহঃ) বলেন, আমি যায়িদ ইবনু সাবিত (রাঃ)-কে কুরআনের এই স্থান সম্পর্কে বলতে শুনেছিঃ ‘‘যে ব্যক্তি কোনো মু‘মিনকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করে, তার পরিণাম হবে চিরস্থায়ী জাহান্নাম’’ (৪ঃ ৯৩) এই আয়াত সূরা ফুরকানের এ আয়াত ‘‘যারা আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোনো কিছুকে ডাকে না এবং অন্যায়ভাবে এরূপ কোনো ব্যক্তিকে হত্যা করে না, যা আল্লাহ হারাম করেছেন’’- এ আয়াতের ছয় মাস পর অবতীর্ণ হয়েছে।[1] মুনকার।

Narrated Zayd ibn Thabit: The verse "If a man kills a believer intentionally, his recompense is Hell to abide therein for ever" was revealed six months after the verse "And those who invoke not with Allah any other god, nor slay such life as Allah has made sacred, except for just cause in Surat al-Furqan

গ্রন্থভিত্তিক হাদিসের মান

সহিহ বুখারি৪৪২
সহিহ মুসলিম৪৬১
সুনানে আবু দাউদ১৪৫
জামে তিরমিযি৩২৯
সুনানে নাসাঈ৫০
সুনানে ইবনে মাজাহ৪৩৫
মুয়াত্তা মালিক৮
আল-মুসতাদরাক (হাকিম)৬২৭
মুসনাদে আহমাদ৭১৬
সুনানে দারিমি২১
কিতাবুল ফিতান (নুআইম ইবনে হাম্মাদ)১,৯৮৮
সহিহহাসানযঈফ (দুর্বল)মান নির্ধারিত নয়

সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমের সকল হাদিস শর্তহীনভাবে সহিহ। অন্যান্য গ্রন্থের ক্ষেত্রে শায়খ আলবানীর তাহকীক এবং যেখানে তাঁর তাহকীক নেই সেখানে জুবায়ের আলী যাঈর তাহকীক অনুসরণ করা হয়েছে। প্রতিটি হাদিস কার্ডেই বিস্তারিত তাহকীক দেওয়া আছে।

পড়ার সেটিংস
অনুবাদ ও অর্থ
ফন্টের সাইজ
আরবি পাঠ্য
অনুবাদ