সিহাহ সিত্তাহ ও মুয়াত্তা থেকে ১,৮৯৯টি হাদিস, আল-মুসতাদরাক, মুসনাদে আহমাদ ও সুনানে দারিমি থেকে আরও ১,৩৬৪টি, এবং কিতাবুল ফিতান থেকে ১,৯৮৮টি বর্ণনা। ডিফল্টভাবে কেবল সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হচ্ছে; দুর্বল বা অন্যান্য বর্ণনা দেখতে চাইলে ফিল্টার ব্যবহার করতে পারেন।
কোন বিষয়ে কোন কিতাবে হাদিস আছে
▾
বিষয় ও হাদিসগ্রন্থ অনুযায়ী সহিহ ও হাসান হাদিসের সংখ্যা। হাদিসগুলো পড়তে যেকোনো ঘরে ক্লিক করুন। কিতাবুল ফিতানের বর্ণনা দেখতে 'দুর্বল বর্ণনা' ফিল্টার চালু করুন।
(…/...) আবদুর রহমান ইবনু বিশর (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যার হিসাব নেয়া হবে তার ধ্বংস অবধারিত। এরপর উসমান ইবনু আসওয়াদ (রহঃ) আবু ইউনুস এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৬৪, ইসলামিক সেন্টার)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّاءَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَبْلَ وَفَاتِهِ بِثَلاَثٍ يَقُولُ " لاَ يَمُوتَنَّ أَحَدُكُمْ إِلاَّ وَهُوَ يُحْسِنُ بِاللَّهِ الظَّنَّ " .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মৃত্যুর তিন দিন আগে তাকে আমি এ কথা বলতে শুনেছি যে, তোমাদের সকলেই যেন আল্লাহর প্রতি উত্তম ধারণা পোষণরত অবস্থায় মারা যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৬৫, ইসলামিক সেন্টার)
(…) আবূ দাউদ সুলাইমান ইবনু মা’বাদ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ আল আনসারী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর তিরোধানের তিন দিন আগে আমি তাকে এ কথা বলতে শুনেছি যে, তোমাদের সকলেই যেন আল্লাহর প্রতি উত্তম ধারণা পোষণরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৬৭, ইসলামিক সেন্টার)
وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَعُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالاَ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " يُبْعَثُ كُلُّ عَبْدٍ عَلَى مَا مَاتَ عَلَيْهِ " .
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, প্রত্যেক বান্দা কিয়ামতের দিন ঐ অবস্থায় পুনরুথিত হবে, যে অবস্থায় সে মৃত্যুবরণ করল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৬৮, ইসলামিক সেন্টার)
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ نَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ الأَعْمَشِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . مِثْلَهُ وَقَالَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يَقُلْ سَمِعْتُ .
(…/...) আবু বকর ইবনু নফি (রহঃ) .... আ'মাশ (রহঃ) হতে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি سَمِعْتُ "আমি শুনেছি" না বলে عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে" এ শব্দে হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৬৯, ইসলামিক সেন্টার)
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া আত তুজীবী (রহঃ) ..... ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ কথা বলতে শুনেছি, আল্লাহ যখন কোন গোত্রকে শাস্তি দেয়ার ইচ্ছা করেন তখন এ শাস্তি ঐ গোত্রে অবস্থিত প্রত্যেকের উপরই নিপতিত হয়। অতঃপর কিয়ামতের দিন (তাদের প্রত্যেককে) নিজ নিজ আমলের উপর পুনরুথিত করা হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৭০, ইসলামিক সেন্টার)
আমর আন্ নাকিদ (রহঃ) ..... যাইনাব বিনতু জাহশ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে বললেনঃ “লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’-এর নিকট ভবিষ্যতে সংঘটিত ফিতনায় আরবরা ধ্বংস হয়ে যাবে। আজ ইয়া'জুজ-মা'জুজ এর দেয়াল এতটুকু পরিমাণ খুলে গেছে। এ সময় সুফইয়ান নিজ হাত দ্বারা* দশের গিট বানালেন। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের মাঝে নেক লোক থাকা সত্ত্বেও কি আমরা ধ্বংস হয়ে যাব? উত্তরে তিনি বললেন, হ্যাঁ, যখন পাপাচার অধিক পরিমাণে হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৭১, ইসলামিক সেন্টার)
আবু বকর ইবনু আবূ শাইবাহ, সাঈদ ইবনু আমর আল আশ’আসী, যুহায়র ইবনু হারব ও ইবনু আবু উমর (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) হতে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে তারা عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ حَبِيبَةَ، عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ অর্থাৎ সানাদে হাবীবার নাম অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৭২, ইসলামিক সেন্টার)
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী যাইনাব বিনতু জাহশ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় বের হলেন। তখন তার বারাকাতময় চেহারা লাল বর্ণ ধারণ করলো। তিনি বলছিলেন, লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’। আরব বিশ্বের আগত অকল্যাণের দরুন বড়ই পরিতাপ যা প্রায় ঘনিয়ে আসছে। আজ ইয়া'জুজ মা'জুজ এর প্রাচীর এতটুকু পরিমাণ উন্মুক্ত হয়ে গেছে। এ সময় তিনি তার বৃদ্ধাঙ্গুলি ও শাহাদাত অঙ্গুলির দ্বারা বেড় বানালেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমাদের মাঝে অনেক সৎ লোক থাকা অবস্থায়ও কি আমরা ধ্বংসপ্রাপ্ত হব? তিনি বললেন, হ্যাঁ, যখন পাপাচার অধিক পরিমাণে বেড়ে যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৭৩, ইসলামিক সেন্টার)
আবু বকর ইবনু শাইবাহ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আজ ইয়া'জুজ ও মা'জুজ পরিবেষ্টিত প্রাচীর এ পরিমাণ উন্মুক্ত হয়ে গেছে। এ সময় রাবী উহায়ব (রহঃ) নিজ হাতের দ্বারা নব্বই সংখ্যার গিরা বা বেড়ী তৈরি করে দেখালেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৭৫, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ, আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... উবাইদুল্লাহ ইবনু কিবতিয়্যাহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হারিস ইবনু আবূ রাবী’আহ এবং ‘আবদুল্লাহ ইবনু সুফইয়ান (রহঃ) দু’জনেই উম্মুল মুমিনীন উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) এর কাছে গেলেন। আমিও তাদের সঙ্গে ছিলাম। তারা তাকে ঐ বাহিনী সম্বন্ধে প্রশ্ন করলেন, যারা ভূমিতে ধ্বসে যাবে। তখন ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) এর খিলাফতকাল ছিল। উত্তরে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জনৈক আশ্রয় গ্রহণকারী বাইতুল্লাহ শরীফে আশ্রয় গ্রহণ করবে। তখন তার বিরুদ্ধে একটি বাহিনী প্রেরণ করা হবে। তারা যখন “বাইদা” নামক এক মাঠে অবস্থান নিবে তখন তারা ভূমিতে ধ্বসে যাবে। এ কথা শুনে আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! ঐ লোকের ব্যাপারে এ কি করে প্রযোজ্য হতে পারে যে অসন্তুষ্ট হৃদয়ে এ অভিযানে শামিল হয়েছে? উত্তরে তিনি বললেন, তাদের সঙ্গে তাকে সহ ধ্বসিয়ে দেয়া হবে। তবে কিয়ামতের দিন তার উত্থান হবে স্বীয় নিয়াতের ভিত্তিতে। বর্ণনাকারী আবু জাফার (রহঃ) বলেন, এ "বাইদা" হলো মাদীনার নিকটবর্তী স্থান। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৭৬, ইসলামিক সেন্টার)
আহমাদ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... ‘আবদুল আযীয ইবনু রুফাই (রহঃ) হতে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তাতে আছে, আমি আবু জাফার (রহঃ) এর সঙ্গে দেখা করে বললাম, উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) তো “বাইদা” নামক এক ময়দানের কথা বলেছেন। আবূ জাফার (রহঃ) বললেন, কক্ষনো নয়, আল্লাহর শপথ! এতো মাদীনার "বাইদা" মাঠ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৭৭, ইসলামিক সেন্টার)
আমর আন্ নাকিদ ও ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... হাফসাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ কথা বলতে শুনেছেন যে, একটি বাহিনী এ কা’বা গৃহের বিপক্ষে যুদ্ধ করার ইচ্ছা করবে। তারপর তারা যখন “বাইদা” নামক এক ময়দানে পদার্পণ করবে তখন তাদের মাঝের অংশটি ভূমিতে ধ্বসে যাবে। এ সময় অগ্রভাগের সৈন্যরা পশ্চাতের সৈন্যদেরকে উচ্চঃস্বরে ডাকতে থাকবে। অতঃপর প্রত্যেকেই ভূমিতে ধ্বসে যাবে। বেঁচে যাওয়া একটি ব্যক্তি ছাড়া তাদের কেউ আর বাকী থাকবে না। সে-ই তাদের সম্বন্ধে অন্যদেরকে খবর দিবে। এ কথা শুনে এক লোক বলল, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, তুমি হাফসাহ (রাযিঃ) এর উপর মিথ্যারোপ করনি এবং হাফসাহ (রাযিঃ) এর সম্বন্ধে আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনিও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর মিথ্যারোপ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৭৮, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ইবনু মাইমূন (রহঃ) ..... উম্মুল মু’মিনীন হাফসাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এমন সম্প্রদায় এ গৃহ তথা কাবার দায়িত্ব গ্রহণ করবে, যাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকবে না, থাকবে না তার উল্লেখযোগ্য সৈন্য সংখ্যা এবং থাকবে না তাদের আসবাব-সামগ্রী। তাদের বিপক্ষে একটি সৈন্যদল পাঠানো হবে। তারা উদ্ভিদ শূন্য এক ময়দানে আসতেই তাদেরকে ভূমিতে ধ্বসিয়ে দেয়া হবে। বর্ণনাকারী ইউসুফ (রহঃ) বলেন, এ সময় সিরিয়াবাসীরা মাক্কাবাসীদের সাথে যুদ্ধ করার জন্য আসছিল। ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাফওয়ান (রহঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ। তারা এ সৈন্যবাহিনী নয়। বর্ণনাকারী যায়দ (রহঃ) উম্মুল মু’মিনীন থেকে ইউসুফ ইবনু মাহিক-এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে আবদুল্লাহ ইবনু সাফওয়ান (রহঃ) যে সৈন্যদলের কথা বর্ণনা করেছেন তিনি সে বাহিনীর কথা বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৭৯, ইসলামিক সেন্টার)
আবু বাকর ইবনু আবু শাইবাহ (রহঃ) ..... ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাত পা নাড়ালেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আজ রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় আপনি এমন আচরণ করেছেন, যা আগে আপনি কখনো করেননি। তিনি বললেনঃ আশ্চর্যের বিষয় এই যে, কুরায়শ বংশীয় জনৈক লোক বাইতুল্লাহ শরীফে আশ্রয় গ্রহণ করবে। তার কারণে আমার উম্মাতের একদল লোক বাইতুল্লাহর উপর আক্রমণের ইচ্ছা করবে। তারা রওনা হয়ে গাছপালাশূন্য ময়দানে আসতেই তাদের ভূমিতে ধ্বসিয়ে দেয়া হবে। এ কথা শুনে আমরা বললাম, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! বিভিন্ন ধরনের মানুষই তো রাস্তা দিয়ে চলে। উত্তরে তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, তাদের মাঝে কেউ তো স্বেচ্ছায় আগমনকারী, কেউ অপারগ, আবার কেউ পথিক মুসাফির। তারা সবাই এক সঙ্গেই ধ্বংস হয়ে যাবে। তবে বিভিন্ন মিল্লাতের অনুসারী হিসেবে তাদেরকে পুনরুজ্জীবিত করা হবে। আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে তাদের নিয়াতের ভিত্তিতে উখিত করবেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৮০, ইসলামিক সেন্টার)
আবু বকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আমর আন্ নাকিদ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও ইবনু আবু উমর (রহঃ) ...... উসামাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনার সুউচ্চ এক অট্টালিকার উপর আরোহী হয়ে বললেন, আমি যা কিছু দেখি তোমরা কি তা দেখছ? আমি তোমাদের ঘরের ভিতরে বৃষ্টিপাতের মতো দুর্যোগ নিপতিত হবার স্থানসমূহ দেখতে পাচ্ছি।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৮১, ইসলামিক সেন্টার)
আমর আন নাকিদ, হাসান আল হুলওয়ানী ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অচিরেই এমন ফিতনাহর আত্মপ্রকাশ হবে, যখন উপবিষ্ট ব্যক্তি দণ্ডায়মান ব্যক্তি হতে উত্তম থাকবে। আর দণ্ডায়মান ব্যক্তি তখন চলমান ব্যক্তি হতে উত্তম থাকবে। আর চলমান ব্যক্তি তখন দ্রুতগামী ব্যক্তি হতে ভাল থাকবে। যে ব্যক্তি সে ফিতনায় যখন জড়িয়ে পড়বে তাকে সে ফিতনাহ ধ্বংস করে দিবে। আর যে ব্যক্তি কোন আশ্রয়স্থল পাবে, তার সেটা দ্বারা আশ্রয় নেয়া বাঞ্ছনীয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৮৩, ইসলামিক সেন্টার)
গ্রন্থভিত্তিক হাদিসের মান
সহিহ বুখারি৪৫১
সহিহ মুসলিম৪৬৪
সুনানে আবু দাউদ১৫১
জামে তিরমিযি৩৩৮
সুনানে নাসাঈ৫০
সুনানে ইবনে মাজাহ৪৩৭
মুয়াত্তা মালিক৮
আল-মুসতাদরাক (হাকিম)৬২৭
মুসনাদে আহমাদ৭১৬
সুনানে দারিমি২১
কিতাবুল ফিতান (নুআইম ইবনে হাম্মাদ)১,৯৮৮
সহিহহাসানযঈফ (দুর্বল)মান নির্ধারিত নয়
সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমের সকল হাদিস শর্তহীনভাবে সহিহ। অন্যান্য গ্রন্থের ক্ষেত্রে শায়খ আলবানীর তাহকীক এবং যেখানে তাঁর তাহকীক নেই সেখানে জুবায়ের আলী যাঈর তাহকীক অনুসরণ করা হয়েছে। প্রতিটি হাদিস কার্ডেই বিস্তারিত তাহকীক দেওয়া আছে।