সিহাহ সিত্তাহ ও মুয়াত্তা থেকে ১,৮৯৯টি হাদিস, আল-মুসতাদরাক, মুসনাদে আহমাদ ও সুনানে দারিমি থেকে আরও ১,৩৬৪টি, এবং কিতাবুল ফিতান থেকে ১,৯৮৮টি বর্ণনা। ডিফল্টভাবে কেবল সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হচ্ছে; দুর্বল বা অন্যান্য বর্ণনা দেখতে চাইলে ফিল্টার ব্যবহার করতে পারেন।
কোন বিষয়ে কোন কিতাবে হাদিস আছে
▾
বিষয় ও হাদিসগ্রন্থ অনুযায়ী সহিহ ও হাসান হাদিসের সংখ্যা। হাদিসগুলো পড়তে যেকোনো ঘরে ক্লিক করুন। কিতাবুল ফিতানের বর্ণনা দেখতে 'দুর্বল বর্ণনা' ফিল্টার চালু করুন।
(…/...) উমাইয়্যাহ ইবনু বিস্তাম (রহঃ) ..... সুহায়ল (রহঃ) থেকে এ সূত্রে অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি এতে বর্ধিত বর্ণনা করেছেন যে, আমার পিতা বলেছেন, যদি তোমরা ঐ পাহাড় দেখো তবে তোমরা এর নিকটেও যেও না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০০৯, ইসলামিক সেন্টার)
مসহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৮৯৪cসহিহবর্ণনাকারী: আবু হুরাইরাহ (রাঃ)صحيح مسلمرقم ٢٨٩٤c
আবূ মাসউদ সাহল ইবনু উসমান (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শীঘ্রই ফুরাত তার গর্ভস্থত স্বর্ণভাণ্ডার বের করে দিবে। সুতরাং এ সময় যারা উপস্থিত থাকবে তারা যেন এ থেকে কিছুই গ্রহণ না করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০১০, ইসলামিক সেন্টার)
مসহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৮৯৪dসহিহবর্ণনাকারী: আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ)صحيح مسلمرقم ٢٨٩٤d
সাহল ইবনু উসমান (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শীঘ্রই ফুরাত তার গর্ভস্থত পাহাড়সম স্বর্ণ বের করে দিবে। তাই এ সময় যারা সমুপস্থিত থাকবে তারা যেন এ থেকে কিছুই গ্রহণ না করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০১১, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ কামিল ফুযায়ল ইবনু হুসায়ন ও আবু মা'ন আর রাকাশী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস ইবনু নাওফাল (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উবাই ইবনু কা'ব (রাযিঃ) এর সাথে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এমন সময় তিনি বললেন, বিভিন্ন প্রক্রিয়া গ্রহণ করতঃ মানুষ জাগতিক সম্পদ উপার্জনের কাজে সর্বদা নিয়োজিত থাকবে। আমি বললাম, হ্যাঁ, ঠিকই। তখন তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, শীঘ্রই ফুরাত তার গর্ভস্থিত স্বর্ণসম পর্বত বের করে দিবে। এ কথা শুনামাত্রই লোকজন সেদিকে চলতে রওনা হবে। সেখানকার লোকেরা বলবে, আমরা যদি লোকদেরকে ছেড়ে দেই তবে তারা সমস্ত কিছুই নিয়ে চলে যাবে। এ নিয়ে তারা পরস্পর যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে এবং এতে একশতের মধ্যে নিরানব্বই জন লোকই নিহত হবে। বর্ণনাকারী আবু কামিল (রহঃ) তার হাদীসে উল্লেখ করেছেন যে, আমি এবং উবাই ইবনু কা'ব (রাযিঃ) হাসসান এর কিল্লার ছায়ায় দাঁড়িয়ে ছিলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০১২, ইসলামিক সেন্টার)
مসহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৮৯৬সহিহবর্ণনাকারী: আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ)صحيح مسلمرقم ٢٨٩٦
উবায়দ ইবনু ইয়াঈশ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ইরাক তার রৌপ্য মুদ্রা এবং কাফীয দিতে বারণ করবে। সিরিয়াও তার মুদ এবং স্বর্ণমুদ্রা প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানাবে। অনুরূপভাবে মিসরও তাদের আরদাব এবং স্বর্ণমুদ্রা প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানাবে। পরিশেষে তোমরা পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তন করবে, তোমরা পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তন করবে, তোমরা পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তন করবে। এ কথার প্রতি আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর রক্ত-গোশত সাক্ষ্য দিচ্ছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০১৩, ইসলামিক সেন্টার)
مসহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৮৯৭সহিহবর্ণনাকারী: আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ)صحيح مسلمرقم ٢٨٩٧
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না রোমীয় (সিরিয়ার অন্তর্গত) সেনাবাহিনী আমাক অথবা দাবিক নহরের কাছে অবতীর্ণ হবে। তখন তাদের মুকাবিলায় মদীনাহ হতে এ দুনিয়ার সর্বোত্তম মানুষের এক দল সৈন্য বের হবে। তারপর উভয় দল সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান হবার পর রোমীয়গণ বলবে, তোমরা ঐ সমস্ত লোকেদের থেকে পৃথক হয়ে যাও, যারা আমাদের লোকেদেরকে বন্দী করেছে। আমরা তাদের সাথে যুদ্ধ করব। তখন মুসলিমগণ বলবে, আল্লাহর শপথ আমরা আমাদের ভাইদের থেকে কক্ষনো সম্পর্কচ্ছেদ করব না। পরিশেষে তাদের পরস্পর যুদ্ধ হবে। এ যুদ্ধে মুসলিমদের এক তৃতীয়াংশ সৈন্য পলায়নপর হবে। আল্লাহ তা’আলা কক্ষনো তাদের তওবা্ গ্রহণ করবেন না। সৈন্যদের এক তৃতীয়াংশ নিহত হবে এবং তারা হবে আল্লাহর কাছে শহীদানের মাঝে সর্বোত্তম শহীদ। আর সৈন্যদের অপর তৃতীয়াংশ বিজয়ী হবে। জীবনে আর কক্ষনো তারা ফিতনায় আক্রান্ত হবে না। তারাই কুম্ভনতিনিয়া বিজয় করবে। তারা নিজেদের তলোয়ার যাইতুন বৃক্ষে লটকিয়ে যুদ্ধলব্ধ সম্পদ ভাগ করতে থাকবে। এমতাবস্থায় তাদের মধ্যে শাইতান (শয়তান) উচ্চঃস্বরে বলতে থাকবে, দাজ্জাল তোমাদের পেছনে তোমাদের পরিবার-পরিজনের মধ্যে চলে এসেছে। এ কথা শুনে মুসলিমরা সেখান থেকে বের হবে। অথচ এ ছিল মিথ্যা সংবাদ। তারা যখন সিরিয়া পৌছবে তখন দাজ্জালের আগমন ঘটবে। যখন মুসলিম বাহিনী যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ করবে এবং সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান হতে শুরু করা মাত্র সালাতের সময় হবে। অতঃপর ঈসা (আঃ) অবতরণ করবেন এবং সালাতে তাদের ইমামাত করবেন। আল্লাহর শত্রু তাকে দেখামাত্রই বিচলিত হয়ে যাবে যেমন লবণ পানিতে মিশে যায়। যদি ঈসা (আঃ) তাকে এমনিই ছেড়ে দেন তবে সেও নিজে নিজেই বিগলিত হয়ে ধ্বংস হয়ে যাবে। অবশ্য আল্লাহ তা’আলা ঈসা (আঃ) এর হাতে তাকে হত্যা করবেন এবং তার রক্ত ঈসা (আঃ) এর বর্শাতে তিনি তাদেরকে দেখিয়ে দিবেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০১৪, ইসলামিক সেন্টার)
مসহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৮৯৮aসহিহবর্ণনাকারী: মুসতাওরিদ আল কুরাশী (রাযিঃ)صحيح مسلمرقم ٢٨٩٨a
আবদুল মালিক ইবনু শু’আয়ব ইবনু লায়স (রহঃ) ..... মুসতাওরিদ আল কুরাশী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) এর নিকট বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, রোমীয়দের সংখ্যা যখন সবচেয়ে বেশী হবে তখন কিয়ামত সংঘটিত হবে। এ কথা শুনা মাত্র আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) তাকে বললেন, কি বলছ, চিন্তা-ভাবনা করে বলো। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে যা শুনেছি আমি তাই বর্ণনা করছি। তারপর আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) বললেন, তুমি যদি বলো, তবে সত্যই বলছ। কেননা তাদের মধ্যে চারটি গুণ আছে। প্রথমতঃ ফিতনার সময় তারা সবচেয়ে বেশী ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে থাকে। দ্বিতীয়তঃ মুসীবাতের পর দ্রুত তাদের মধ্যে স্বাভাবিকতা ফিরে আসে। তৃতীয়তঃ যুদ্ধ থেকে পলায়নের পর সর্বপ্রথম তারা আক্রমণ করতে সক্ষম হয় এবং, চতুর্থতঃ মিসকীন, ইয়াতীম ও দুর্বলের জন্য তারা সবচেয়ে বেশী শুভাকাঙ্ক্ষী। অতঃপর পঞ্চমতঃ সুন্দর গুণটি হলো এই যে, তারা শাসকবর্গের অত্যাচারকে অধিক প্রতিহত করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০১৫, ইসলামিক সেন্টার)
مসহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৮৯৮bসহিহবর্ণনাকারী: মুসতাওরিদ আল কুরাশী (রাযিঃ)صحيح مسلمرقم ٢٨٩٨b
حَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى التُّجِيبِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنِي أَبُو شُرَيْحٍ، أَنَّ عَبْدَ الْكَرِيمِ بْنَ الْحَارِثِ، حَدَّثَهُ أَنَّ الْمُسْتَوْرِدَ الْقُرَشِيَّ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " تَقُومُ السَّاعَةُ وَالرُّومُ أَكْثَرُ النَّاسِ " . قَالَ فَبَلَغَ ذَلِكَ عَمْرَو بْنَ الْعَاصِ فَقَالَ مَا هَذِهِ الأَحَادِيثُ الَّتِي تُذْكَرُ عَنْكَ أَنَّكَ تَقُولُهَا عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ لَهُ الْمُسْتَوْرِدُ قُلْتُ الَّذِي سَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ فَقَالَ عَمْرٌو لَئِنْ قُلْتَ ذَلِكَ إِنَّهُمْ لأَحْلَمُ النَّاسِ عِنْدَ فِتْنَةٍ وَأَجْبَرُ النَّاسِ عِنْدَ مُصِيبَةٍ وَخَيْرُ النَّاسِ لِمَسَاكِينِهِمْ وَضُعَفَائِهِمْ .
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া আত তুজীবী (রহঃ) ..... মুসতাওরিদ আল কুরাশী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, যখন রোমীয়দের সংখ্যা সবচেয়ে বেশী হবে তখন কিয়ামত সংঘটিত হবে। এ খবর আমর ইবনুল ‘আস (রাযিঃ) এর কাছে পৌছার পর তিনি বললেন, এ কোন্ ধরনের হাদীস, যে সম্পর্কে লোকেরা বলছে যে, এ নাকি তুমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করছ? উত্তরে মুসতাওরিদ (রাযিঃ) তাকে বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যা শুনেছি আমি তাই বলছি। এ কথা শুনে আমর (রাযিঃ) বললেন, তুমি যদি বলে থাকো তা ঠিকই আছে। কেননা তারা ফিতনার সময় সবচেয়ে বেশী ধৈর্য ধারণ করে এবং মুসীবাতের পর আবার দ্রুত তাদের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। তারা সর্বদা মিসকীন এবং অক্ষম মানুষের জন্য অধিক শুভাকাঙ্ক্ষী। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০১৬, ইসলামিক সেন্টার)
আবু বকর ইবনু আবু শাইবাহ ও ‘আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ..... ইউসায়র ইবনু জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার কুফা নগরীতে লাল ঝঞ্ঝা বিশিষ্ট বায়ু প্রবাহিত হলো। এমন সময় জনৈক লোক কুফায় এসে বলল যে, হে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ সতর্ক হও, কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না উত্তরাধিকার সম্পদ অবণ্টিত থাকবে এবং যতক্ষণ না মানুষেরা গনীমাতের বিষয়ে আনন্দ প্রকাশ না করবে। তারপর তিনি নিজ হাত দ্বারা সিরিয়ার প্রতি ইশারা করে বললেন, আল্লাহর শক্ররা একত্রিত হবে মুসলিমদের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য এবং মুসলিমগণও তাদের সাথে যুদ্ধ করার জন্য একত্রিত হবে। এ কথা শ্রবণে আমি বললাম, আল্লাহর শক্র বলে আপনাদের উদ্দেশ্য হলো রোমীয় (খ্ৰীষ্টান) সম্প্রদায়। তিনি বললেন, হ্যাঁ! এবং তখন ভয়াবহ যুদ্ধ সংঘটিত হবে। তখন মুসলিম জাতি একটি দল অগ্রে প্রেরণ করবে, তারা মৃত্যুর জন্য সম্মুখে এগিয়ে যাবে। বিজয় অর্জন করা ছাড়া তারা প্রত্যাবর্তন করবে না। এরপর পরস্পর তাদের মধ্যে যুদ্ধ হবে। যুদ্ধ করতে করতে রাত্রি অতিবাহিত হয়ে যাবে। তারপর দু’ পক্ষের সৈন্য জয়লাভ করা ছাড়াই ফিরে চলে যাবে। যুদ্ধের জন্য মুসলিমদের যে দলটি এগিয়ে গিয়েছিল তারা প্রত্যেকেই মৃত্যুবরণ করবে। অতঃপর পরবর্তী দিন মুসলিমগণ মৃত্যুর জন্য অপর একটি দল সামনে পাঠাবে। তারা সবাই মৃত্যুবরণ করবে। অতঃপর পরবর্তী দিন মুসলিমগণ মৃত্যুর জন্য অপর একটি দল সামনে পাঠাবে। তারা বিজয়ী না হয়ে ফিরবে না। এদিনও পরস্পরের মধ্যে মারাত্মক যুদ্ধ হবে। পরিশেষে সন্ধ্যা হয়ে যাবে। উভয় বাহিনী বিজয়লাভ করা ছাড়াই স্বীয় শিবিরে প্রত্যাবর্তন করবে। যে দলটি সামনে ছিল তারা সরে যাবে। অতঃপর তৃতীয় দিন আবার মুসলিমগণ মৃত্যু বা বিজয়ের উদ্দেশে অপর একটি বাহিনী পাঠাবে। এ যুদ্ধ সন্ধ্যা পর্যন্ত চলতে থাকবে। পরিশেষে বিজয়লাভ করা ছাড়াই উভয় বাহিনী প্রত্যাবর্তন করবে। তবে মুসলিম বাহিনীর সামনের সেনাদলটি শাহীদ হয়ে যাবে। তারপর যুদ্ধের চতুর্থ দিনে অবশিষ্ট মুসলিমগণ সকলেই যুদ্ধের জন্য সামনে এগিয়ে যাবে। সেদিন কাফিরদের উপর আল্লাহ তা’আলা অকল্যাণ চক্র চাপিয়ে দিবেন। তারপর এমন যুদ্ধ হবে যা জীবনে কেউ দেখবে না অথবা যা জীবনে কেউ দেখেনি। পরিশেষে তাদের শরীরের উপর পাখী উড়তে থাকবে। পাখী তাদেরকে অতিক্রম করবে না; এমতাবস্থায় তা মাটিতে পড়ে নিহত হবে। একশ’ মানুষ বিশিষ্ট একটি গোত্রে, মাত্র এক লোক বেঁচে থাকবে। এমন সময় কেমন করে গনীমাতের সম্পদ নিয়ে লোকেরা আনন্দোৎসব করবে এবং কেমন করে উত্তরাধিকার সম্পদ ভাগ করা হবে। এমতাবস্থায় মুসলিমগণ আরেকটি ভয়ানক বিপদের খবর শুনতে পাবে এবং এ মর্মে একটি শব্দ তাদের কাছে পৌছবে যে, দাজ্জাল তাদের পেছনে তাদের পরিবার-পরিজনের মধ্যে চলে এসেছে। এ সংবাদ শুনতেই তারা হাতের সমস্ত কিছু ফেলে দিয়ে রওনা হয়ে যাবে এবং দশজন অশ্বারোহী ব্যক্তিকে সংবাদ সংগ্রাহক দল হিসেবে প্রেরণ করবে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, দাজ্জালের খবর সংগ্রাহক দলের প্রতিটি লোকের নাম, তাদের বাপ-দাদার নাম এবং তাদের ঘোড়ার রং সম্পর্কেও আমি জ্ঞাত আছি। এ পৃথিবীর সর্বোত্তম অশ্বারোহী দল সেদিন তারাই হবে। ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) তার রিওয়ায়াতের মধ্যে يُسَيْرِ بْنِ جَابِرٍ স্থলে أُسَيْرِ بْنِ جَابِرٍ উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ জাবির এর ছেলের নাম ইউসায়র-এর স্থলে উসায়র বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০১৭, ইসলামিক সেন্টার)
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু উবায়দ আল গুবারী (রহঃ) ..... ইউসায়র ইবনু জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) এর নিকট বসা ছিলাম। তখন লাল রক্তিম ঝঞা বিশিষ্ট বায়ু প্রবাহিত হলো। তারপর তিনি পূর্বের মতো অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু ইবনু উলাইয়্যার হাদীসটি পরিপূর্ণ এবং প্রশান্তিদায়ক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০১৮. ইসলামিক সেন্টার)
শাইবান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... উসায়র ইবনু জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমি আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) এর গৃহে ছিলাম। গৃহটি তখন লোকে লোকারণ্য ছিল। ইবনু উসায়র এর ন্যায় তিনিও বললেন, তখন কুফা নগরীতে লাল রক্তিম ঝঞা বিশিষ্ট বায়ু প্রবাহিত হলো (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০১৯. ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... নাফি ইবনু উতবাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক যুদ্ধে আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম। তখন পশ্চিম দিক হতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এক দল লোক আসলো। তাদের শরীরে ছিল পশমের কাপড়। তারা এক টিলার কাছে এসে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে দেখা করল। এ সময় তারা ছিল দাঁড়ানো এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন বসাবস্থায়। তখন আমার মন আমাকে বলল, তুমি যাও এবং তাদের ও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাঝে গিয়ে দাঁড়াও, যেন তারা প্রতারণা করে তাকে হত্যা করতে না পারে। আবার আমার মনে হলো, সম্ভবতঃ তিনি তাদের সঙ্গে কোন গোপন আলাপরত আছেন। তথাপিও আমি গেলাম এবং তাদের ও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাঝে দাঁড়িয়ে রইলাম। এমন সময় আমি তার থেকে চারটি কথা আয়ত্ত করলাম এবং তা আমার হাত দ্বারাই গণনা করলাম। তিনি বললেন, তোমরা জাযিরাতুল আরবে যুদ্ধ করবে, আল্লাহ তা বিজিত করে দিবেন। অতঃপর পারস্যবাসীদের সঙ্গে লড়াই করবে, আল্লাহ তাও তোমাদের আয়ত্তে এনে দিবেন। এরপর রোমীয়দের সঙ্গে লড়াই করবে, আল্লাহ তা’আলা এতেও তোমাদের বিজয় দান করবেন। পরিশেষে তোমরা দাজ্জালের সঙ্গে লড়াই করবে, এখানেও আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে বিজয়ী করবেন। বর্ণনাকারী নাফি’ (রহঃ) বলেন, হে জাবির! আমাদের মনে হয় রোম বিজিতের পর দাজ্জালের আগমন ঘটবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০২০, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ খাইসামাহ যুহায়র ইবনু হারব, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও ইবনু আবু উমার আল মাক্কি (রহঃ) ..... হুযাইফাহ ইবনু আসীদ আল গিফারী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমরা (বিভিন্ন বিষয়ে) আলোচনা করছিলাম। এমন সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে আসলেন এবং প্রশ্ন করলেন, তোমরা কি বিষয়ে আলোচনা করছ? উত্তরে তারা বললেন, আমরা কিয়ামতের ব্যাপারে আলোচনা করছি। এ কথা শুনে তিনি বললেন, ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না তোমরা দশটি বিশেষ আলামত দেখবে। তারপর তিনি ধুম্র, দাজ্জাল, দাব্বা, পশ্চিমাকাশ হতে সূর্যোদয় হওয়া, মারইয়াম পুত্র ঈসা (আঃ) এর অবতরণ, ইয়া’জুজ মা'জুজ এবং তিনবার ভূখণ্ড ধ্বসে যাওয়া তথা পূর্ব দিকে ভূখণ্ড ধ্বস, পশ্চিম দিকে ভূখণ্ড ধ্বস এবং আরব উপদ্বীপে ভূখণ্ড ধ্বসের কথা বর্ণনা করলেন। এ আলামতসমূহের পর এক অগ্ন্যুৎপাতের প্রকাশিত হবে, যা তাদেরকে ইয়ামান থেকে হাশরের মাঠ পর্যন্ত তাড়িয়ে নিয়ে যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০২১, ইসলামিক সেন্টার)
উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয আল আম্বারী (রহঃ) ..... আবূ সারীহাহ হুযাইফাহ ইবনু আসীদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয় কক্ষে ছিলেন। আর আমরা তার নীচে বসে আলাপ আলোচনা করছিলাম। এমতাবস্থায় তিনি আমাদের নিকট আসলেন এবং প্রশ্ন করলেন, তোমরা কি বিষয়ে আলোচনা করছিলে। আমরা বললাম, কিয়ামত সম্বন্ধে কথা বলছিলাম। এ কথা শুনে তিনি বললেন, ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত কায়িম হবে না যতক্ষণ না দশটি আলামত প্রকাশিত হবে। পৃথিবীর পূর্বপ্রান্তে ভূখণ্ড ধ্বস পশ্চিমপ্রান্তে ভূখণ্ড ধ্বস, আরব উপদ্বীপে ভূখণ্ড ধ্বস, ধূয়া ছড়িয়ে পড়া, দাজ্জালের বহিঃপ্রকাশ, দাব্বাতুল আর্য প্রকাশ পাওয়া, ইয়া'জুজ-মা'জুজ বের হওয়া, পশ্চিমপ্রান্ত হতে সূর্যোদয় হওয়া এবং সর্বশেষ "আদন" দেশের প্রান্ত হতে আগুন উত্থিত হবে যা লোকেদেরকে তাড়িয়ে এক স্থানে একত্রিত করবে। শুবাহ্ (রহঃ) বলেন, এ বর্ণনায় দশম আলামতের কথা বর্ণনা নেই। তবে অন্য বর্ণনায় দশম আলামত হিসেবে কোথাও ঈসা (আঃ) এর অবতরণের কথা উল্লেখ রয়েছে, আবার কোথাও উল্লেখ করা হয়েছে যে, সর্বশেষ এমন দমকা হাওয়া প্রবাহিত হবে, যা মানুষকে উড়িয়ে নিয়ে সমুদ্রে নিক্ষেপ করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০২২, ইসলামিক সেন্টার)
(…) মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ সারীহাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক গৃহের ভিতর ছিলেন। আমরা তার নীচে বসা ছিলাম। অতঃপর বর্ণনাকারী হাদীসটি পূর্বের অবিকল বর্ণনা করেছেন। শুবাহ্ (রহঃ) বলেন, আমার মনে হয় তিনি বলেছেনঃ তারা যেখানে অবতরণ করবে আগুনও সেখানে অবতরণ করবে এবং তারা যেখানে দ্বিপ্রহরে কইলুলা করবে আগুনও সেখানে তাদের সাথে থাকবে। বর্ণনাকারী শুবাহ (রহঃ) বলেন, এক লোক আবূ সারীহার এ হাদীসটি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। তবে মারফু হিসেবে তিনি এ হাদীসটি বর্ণনা করেননি। এতে জনৈক লোক বলেছেন, দশম নিদর্শনটি হলো, ঈসা (আঃ) এর অবতরণ। কিন্তু অপর লোক বলেছেন, দশম নিদর্শনটি হলো, তখন এমন প্রবলবেগে বায়ু প্রবাহিত হবে, যা মানুষদেরকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০২৩, ইসলামিক সেন্টার)
مসহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৯০১dসহিহবর্ণনাকারী: আবু সারীহাহ (রাযিঃ)صحيح مسلمرقم ٢٩٠١d
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আবু সারীহাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আলোচনা করছিলাম, এমতাবস্থায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সম্মুখে আসলেন। অতঃপর তিনি মুআয ও ইবনু আবু জাফার এর অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি তার হাদীসের শেষভাগে বর্ণনা করেছেন যে, দশম নিদর্শনটি হলো, মারইয়াম পুত্র ঈসা (আঃ) এর অবতরণ। বর্ণনাকারী শুবাহ (রহঃ) বলেন, আবদুল আযীয (রহঃ) এ হাদীসটি মারফু’ হিসেবে উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০২৪, ইসলামিক সেন্টার)
مসহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৯০২সহিহবর্ণনাকারী: আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ)صحيح مسلمرقم ٢٩٠٢
حَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَخْبَرَنِي ابْنُ الْمُسَيَّبِ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ح وَحَدَّثَنِي عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ اللَّيْثِ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ جَدِّي، حَدَّثَنِي عُقَيْلُ بْنُ، خَالِدٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّهُ قَالَ قَالَ ابْنُ الْمُسَيَّبِ أَخْبَرَنِي أَبُو هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى تَخْرُجَ نَارٌ مِنْ أَرْضِ الْحِجَازِ تُضِيءُ أَعْنَاقَ الإِبِلِ بِبُصْرَى " .
হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া ও আবদুল মালিক ইবনু শু’আয়ব ইবনুল লায়স (রহঃ) ..… আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না হিজায ভূমি থেকে একটি অগ্নি প্রকাশিত হবে। যা বুসরায় অবস্থান রত উটের গলা পর্যন্ত আলোকিত করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০২৫, ইসলামিক সেন্টার)
আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, মাদীনার (মানুষের) বাড়ি ঘর "ইহাব" অথবা "ইয়াহাব" পর্যন্ত পৌছে যাবে। যুহায়র (রহঃ) বলেন, আমি সুহায়ল (রহঃ) কে প্রশ্ন করলাম, সেটা মাদীনাহ হতে কত দূরে হবে? তিনি বললেন, এতো এতো মাইল দূরে অবস্থিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০২৬, ইসলামিক সেন্টার)
مসহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৯০৪সহিহবর্ণনাকারী: আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ)صحيح مسلمرقم ٢٩٠٤
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, অনাবৃষ্টির কারণেই কেবল দুর্ভিক্ষ হবে না। বরং অধিক বৃষ্টিপাত হতে থাকবে এবং জমিন কোন কিছু উৎপাদন করবে না (ফলে তা দুর্ভিক্ষের কারণ হয়ে থাকে)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০২৭, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ, মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পূর্বমুখী ছিলেন। এমতাবস্থায় তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন, ফিতনাহ এদিক থেকে, ফিতনাহ এদিক থেকে-যেখান থেকে শাইতানের (শয়তানের) শিং উদিত হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০২৮, ইসলামিক সেন্টার)
গ্রন্থভিত্তিক হাদিসের মান
সহিহ বুখারি৪৫১
সহিহ মুসলিম৪৬৪
সুনানে আবু দাউদ১৫১
জামে তিরমিযি৩৩৮
সুনানে নাসাঈ৫০
সুনানে ইবনে মাজাহ৪৩৭
মুয়াত্তা মালিক৮
আল-মুসতাদরাক (হাকিম)৬২৭
মুসনাদে আহমাদ৭১৬
সুনানে দারিমি২১
কিতাবুল ফিতান (নুআইম ইবনে হাম্মাদ)১,৯৮৮
সহিহহাসানযঈফ (দুর্বল)মান নির্ধারিত নয়
সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমের সকল হাদিস শর্তহীনভাবে সহিহ। অন্যান্য গ্রন্থের ক্ষেত্রে শায়খ আলবানীর তাহকীক এবং যেখানে তাঁর তাহকীক নেই সেখানে জুবায়ের আলী যাঈর তাহকীক অনুসরণ করা হয়েছে। প্রতিটি হাদিস কার্ডেই বিস্তারিত তাহকীক দেওয়া আছে।