সিহাহ সিত্তাহ ও মুয়াত্তা থেকে ১,৮৯৯টি হাদিস, আল-মুসতাদরাক, মুসনাদে আহমাদ ও সুনানে দারিমি থেকে আরও ১,৩৬৪টি, এবং কিতাবুল ফিতান থেকে ১,৯৮৮টি বর্ণনা। ডিফল্টভাবে কেবল সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হচ্ছে; দুর্বল বা অন্যান্য বর্ণনা দেখতে চাইলে ফিল্টার ব্যবহার করতে পারেন।
কোন বিষয়ে কোন কিতাবে হাদিস আছে
▾
বিষয় ও হাদিসগ্রন্থ অনুযায়ী সহিহ ও হাসান হাদিসের সংখ্যা। হাদিসগুলো পড়তে যেকোনো ঘরে ক্লিক করুন। কিতাবুল ফিতানের বর্ণনা দেখতে 'দুর্বল বর্ণনা' ফিল্টার চালু করুন।
উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার আল কাওয়ারিরী, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... ইবনু উমার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাফসাহ (রাযিঃ) এর দরজার কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় তিনি তার আঙ্গুল দ্বারা পূর্বপ্রান্তের দিকে ইশারা করে বললেন, ফিতনাহ এদিক থেকে-যেদিক থেকে শাইতানের (শয়তানের) শিং উদিত হবে। এ কথাটি তিনি দু’ বা তিনবার বলেছেন। বর্ণনাকারী উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) তার বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়িশাহ (রাযিঃ) এর দরজার কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০২৯, ইসলামিক সেন্টার)
আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়িশাহ (রাযিঃ) এর ঘর থেকে বের হয়ে বললেনঃ কুফুরীর উৎস এদিক থেকে-যেদিক থেকে শাইতানের (শয়তানের) শিং উদিত হবে। অর্থাৎ- পূর্বদিক থেকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৩১, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, পূর্বদিকে ইশারা করে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আমি এ কথা বলতে শুনেছি যে, সাবধান ফিতনাহ্ এদিক থেকে, সাবধান ফিতনাহ এদিক থেকে- এভাবে তিনবার উল্লেখ করে তিনি বললেন, যেদিক থেকে শাইতানের (শয়তানের) দুই শিং উদিত হবে। অর্থাৎ পূর্বদিক হতে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৩২, ইসলামিক সেন্টার)
আবদুল্লাহ ইবনু উমর ইবনু আবান, ওয়াসিল ইবনু আবদুল আ’লা ও আহমাদ ইবনু উমার আল ওয়াকী’ঈ (রহঃ) ..... সালিম ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বললেন, হে ইরাকবাসী! আমি তোমাদেরকে সগীরা গুনাহ সম্পর্কে প্রশ্ন করছি না এবং যারা কাবীরাহ গুনাহ করছে তাদের সম্পর্কেও প্রশ্ন করছি না। আমি আমার পিতা আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে শুনেছি, তিনি বলতেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে নিজ হাত দ্বারা পূর্ব দিকে ইশারা করে বলতে শুনেছি, ফিতনাহ্ এদিক থেকে আসবে-যেদিক থেকে শাইতানের (শয়তানের) দুই শিং উদিত হয়। অথচ তোমরা পরস্পর একে অপরের উপর হানাহানি করছ। অবশ্য মূসা (আঃ) ফিরআওনের বংশ হতে এক লোককে ভুলবশতঃ হত্য করেছিলেন। অতঃপর মহান আল্লাহ তা’আলা বলেছেন, "(হে মূসা) এবং তুমি এক লোককে হত্যা করেছ, তারপর আমি তোমাকে চিন্তামুক্ত করে দিলাম। আমি তোমাকে বিভিন্ন রকম পরীক্ষা করেছি"- (সূরা ত-হা-২০ঃ ৪০)। বর্ণনাকারী আহমাদ ইবনু উমর (রহঃ) তার বর্ণনায় سَمِعْتُ سَالِمَ "আমি সালিম হতে শুনেছি" না বলে عَنْ سَالِمٍ "সলিম হতে" এরূপ বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৩৩, ইসলামিক সেন্টার)
مসহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৯০৬সহিহবর্ণনাকারী: আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ)صحيح مسلمرقم ٢٩٠٦
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ ও ‘আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামত কায়িম হবে না যতক্ষণ না দাওস গোত্রীয় নারীদের নিতম্ব যুলখালাসাহ মূর্তির কাছে ঘর্ষিত হবে। যুলখালাসাহ্ একটি মূর্তি ছিল, দাওস গোত্রীয় লোকেরা জাহিলী যুগে তাবালাহ্ নামক স্থানে এর পূজা করত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৩৪, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ কামিল আল জাহদারী, আবু মান যায়দ ইবনু ইয়াযীদ আর রাকাশী (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, রাত্র ও দিন শেষ হবে না, যতক্ষণ না লাত ও উযযা দেবতার পূজা আবার শুরু করা হয়। এ কথা শুনে আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ নাযিল করেছেন– “তিনিই তার রসূলকে পাঠিয়েছেন হিদায়াত ও সত্য দীনসহ, সকল দীনের উপর বিজয়ী করার জন্য, যদিও মুশরিকরা তা পছন্দ করে না"- (সূরা আত তওবা্ ৯ঃ ৩৩ ও আস-সাফ ২১ঃ ৯)। এ আয়াত নাযিলের পর আমি তো মনে করছিলাম যে, এ প্রতিশ্রুতি অবশ্যই পূর্ণ করা হবে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তা অবশ্যই হবে। তবে যতদিন আল্লাহ ইচ্ছা করবেন ততদিন পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে। অতঃপর তিনি এক মনোরম বাতাস প্রেরণ করবেন। ফলে যাদের অন্তরে সরিষার দানা পরিমাণ ঈমান আছে তাদের প্রত্যেকেই মৃত্যুবরণ করবে। পরিশেষে যাদের মাঝে কোন প্রকার কল্যাণ নেই তারাই শুধু বেঁচে থাকবে। অতঃপর তারা আবার পিতৃ-পুরুষদের ধর্মের (শিরকের) দিকে ফিরে যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৩৫, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনু আবূ ‘উমার আল মাক্কী (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ঐ সত্তার শপথ যার হাতে আমার জীবন, মানুষের কাছে এমন এক সময় আগমন করবে, যখন হত্যাকারী জানবে না যে, কি দোষে সে হত্যা করলো এবং নিহত লোকও জানবে না যে, কি দোষে সে নিহত হলো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৩৯, ইসলামিক সেন্টার)
–(৫৬/...) আবদুল্লাহ ইবনু উমার ইবনু আবান ও ওয়াসিল ইবনু ‘আবদুল আ’লা (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সে সত্তার শপথ! যার হাতে আমার জীবন, দুনিয়া ধ্বংস হবে না যে পর্যন্ত না মানুষের কাছে এমন এক যুগ আসে, যখন হত্যাকারী জানবে না যে, কি দোষে যে অন্যকে হত্যা করেছে এবং নিহত লোকও জানবে না যে, কি দোষে তাকে হত্যা করা হচ্ছে। জিজ্ঞেস করা হলো, কিভাবে এমন অত্যাচার হবে? তিনি জবাবে বললেন, সে যুগটা হবে হত্যার যুগ। এরূপ যুগের হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তি উভয়েই জাহান্নামী হবে। বর্ণনাকার আবান হলো, ইয়াযীদ ইবনু কাইসান। তিনি ইসমাঈল (রহঃ) হতে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি ইসমাঈলের বংশ-পরিচয়মূলকالأَسْلَمِيَّ শব্দটি তিনি বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৪০, ইসলামিক সেন্টার)
مসহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৯০৯aসহিহবর্ণনাকারী: আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ)صحيح مسلمرقم ٢٩٠٩a
আবূ বাকর ইবনু আবু শাইবাহ ও ইবনু আবু উমর (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আবিসিনিয়ার এক লোক কা’বা ঘরকে ভেঙ্গে চূর্ণ-বিচূর্ণ করবে; তার উভয় পায়ের নলা ছোট ছোট হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৪১, ইসলামিক সেন্টার)
مসহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৯০৯bসহিহবর্ণনাকারী: আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ)صحيح مسلمرقم ٢٩٠٩b
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يُخَرِّبُ الْكَعْبَةَ ذُو السُّوَيْقَتَيْنِ مِنَ الْحَبَشَةِ " .
(…) হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আবিসিনিয়ার এক লোক কা’বা ঘরকে ধ্বংস করবে; তার উভয় পায়ের নলা ছোট ছোট হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৪২, ইসলামিক সেন্টার)
مসহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৯০৯cসহিহবর্ণনাকারী: আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ)صحيح مسلمرقم ٢٩٠٩c
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ছোট ছোট নলা বিশিষ্ট আবিসিনিয়ার এক লোক আল্লাহ তা’আলার ঘরকে ধ্বংস করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৪৩, ইসলামিক সেন্টার)
مসহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৯১০সহিহবর্ণনাকারী: আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ)صحيح مسلمرقم ٢٩١٠
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না কাহতান গোত্র হতে এক লোকের আগমন ঘটবে, যে লোকেদেরকে লাঠি দিয়ে তাড়িয়ে নিয়ে যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৪৪, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার আল আবদী (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাত দিন শেষ হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না জাহজাহ নামে কোন লোক শাসনকর্তা হবে। মুসলিম বলেন, রাবী আবদুল কাবীর তারা চার ভাই- শারীক, উবাইদুল্লাহ, উমায়র ও আবদুল কাবীর। তারা সবাই আবদুল মাজীদের সন্তান। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৪৫, ইসলামিক সেন্টার)
مসহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৯১২aসহিহবর্ণনাকারী: আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ)صحيح مسلمرقم ٢٩١٢a
আবু বকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইবনু আবু উমর (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কিয়ামত সংঘটিত হবে না যে পর্যন্ত না তোমরা এমন এক সম্প্রদায়ের সঙ্গে লড়াই করবে, যাদের চেহারা হবে চামড়া জড়ানো ঢালের মতো মাংসল। কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যে পর্যন্ত না তোমরা এমন এক জাতির সঙ্গে লড়াই করবে, যাদের জুতা হবে পশমের তৈরি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৪৬, ইসলামিক সেন্টার)
مসহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৯১২bসহিহবর্ণনাকারী: আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ)صحيح مسلمرقم ٢٩١٢b
(…) হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কিয়ামত সংঘটিত হবে না যে পর্যন্ত না তোমরা এমন দলের সঙ্গে লড়াই করবে যারা পশমী জুতা পরিধান করবে। তাদের চেহারা হবে চামড়া জড়ানো ঢালের মতো মজবুত ও চ্যাপ্টা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৪৭, ইসলামিক সেন্টার)
مসহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৯১২cসহিহবর্ণনাকারী: আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ)صحيح مسلمرقم ٢٩١٢c
আবূ বাকর ইবনু আবু শাইবাহ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যে পর্যন্ত তোমরা এমন এক সম্প্রদায়ের সঙ্গে লড়াই না করবে, যাদের জুতা হবে পশমের তৈরি। কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যে পর্যন্ত তোমরা এমন এক সম্প্রদায়ের সঙ্গে লড়াই না করবে যাদের চক্ষু হবে ছোট ছোট এবং নাক হবে বাকা ও মোটা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৪৮, ইসলামিক সেন্টার)
مসহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৯১২dসহিহবর্ণনাকারী: আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ)صحيح مسلمرقم ٢٩١٢d
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যে পর্যন্ত মুসলিম বাহিনী তুর্কীদের সঙ্গে লড়াই না করবে। তারা এমন সম্প্রদায়, যাদের চেহারা হবে চামড়া জড়ানো ঢালের মতো মাংসল। তারা পশমের তৈরি পোশাক পরিধান করবে এবং পশমের উপর হাটবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৪৯, ইসলামিক সেন্টার)
مসহিহ মুসলিমহাদীস নং ২৯১২eসহিহবর্ণনাকারী: আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ)صحيح مسلمرقم ٢٩١٢e
আবূ কুরায়ব ও আবু উসামাহ্ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের আগে তোমরা এমন এক সম্প্রদায়ের সঙ্গে লড়াই করবে, যাদের জুতা হবে পশমের। তাদের মুখমণ্ডল চামড়া জড়ানো ঢালের মতো মাংসল এবং রক্ত বর্ণ হবে এবং তাদের চোখ হবে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৫০, ইসলামিক সেন্টার)
গ্রন্থভিত্তিক হাদিসের মান
সহিহ বুখারি৪৫১
সহিহ মুসলিম৪৬৪
সুনানে আবু দাউদ১৫১
জামে তিরমিযি৩৩৮
সুনানে নাসাঈ৫০
সুনানে ইবনে মাজাহ৪৩৭
মুয়াত্তা মালিক৮
আল-মুসতাদরাক (হাকিম)৬২৭
মুসনাদে আহমাদ৭১৬
সুনানে দারিমি২১
কিতাবুল ফিতান (নুআইম ইবনে হাম্মাদ)১,৯৮৮
সহিহহাসানযঈফ (দুর্বল)মান নির্ধারিত নয়
সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমের সকল হাদিস শর্তহীনভাবে সহিহ। অন্যান্য গ্রন্থের ক্ষেত্রে শায়খ আলবানীর তাহকীক এবং যেখানে তাঁর তাহকীক নেই সেখানে জুবায়ের আলী যাঈর তাহকীক অনুসরণ করা হয়েছে। প্রতিটি হাদিস কার্ডেই বিস্তারিত তাহকীক দেওয়া আছে।